X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জনসংখ্যার ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে জরুরি উদ্যোগ

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, ১৭:৩০

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে জনসংখ্যা। প্রতি বছর এ হার সাড়ে তিন শতাংশের বেশি। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো। অস্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির এ ধারাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামী মাসের (আগস্ট) মধ্যে কাজ শুরু করতে চায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়। বিষয়টি জানিয়ে এনজিও ব্যুরোকে চিঠিও দিয়েছে তারা। পরে এনজিও ব্যুরো থেকে এ বিষয়টি ছাড়াও আরও কিছু বিষয়ে জরুরি প্রকল্প প্রস্তাব দিতে গত সপ্তাহে সংশ্লিষ্টদের চিঠি পাঠানো হয়।

বাংলাদেশে বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী অবস্থান করছে। এরমধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর (৩১ মার্চ ২০২১- এর তথ্যানুযায়ী) বাংলাদেশে প্রবেশ করা আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা হচ্ছে ৮ লাখ ৮৪ হাজার ৪১ জন। এ হিসাব জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ রেজিস্ট্রেশনের তথ্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে ইউনাইটেড ন্যাশনস পপুলেশন ফান্ডের (ইউএনএফপিএ) সহযোগিতায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ বিভিন্ন এনজিও’র মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করে। ইউএনএইচসিআর-এর পপুলেশন সিট ও হেলথ সেক্টরের তথ্য অনুযায়ী, আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিবছর নতুন জন্ম নেওয়া শিশুর হার ৩০ হাজার ৪৩৮ জন। প্রতি বছর অন্তঃসত্ত্বা নারীর সংখ্যা ৩৫ হাজার ৪ জন। এক থেকে চার বছরের শিশুর সংখ্যা এক লাখ ৩৩ হাজার ৪১৪ জন। পাঁচ থেকে ১১ বছরের শিশুর সংখ্যা এক লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৯ জন। এর বাইরে ভাসানচরে রোহিঙ্গা শিশু রয়েছে আরও এক হাজার ৬৬০ জন।

এনজিও ব্যুরো থেকে গত ১১ জুলাই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রায় পাওয়া অনুদানে বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলো (এনজিও) বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জরুরি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহের জন্য প্রতিনিয়তই নানা প্রকল্প (এফডি-৭) দাখিল ও বাস্তবায়ন করছে। যা প্রশংসনীয়। বৈদেশিক অনুদানের যথাযথ ব্যবহার এবং বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রীর চাহিদা দিয়ে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয় থেকে ব্যুরোতে পাঠানো হয়। ওই চাহিদা পূরণে কক্সবাজার জেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও ভাসানচরে সেবা প্রদানকারী বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলো কর্তৃক সেক্টর-ভিত্তিক জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম প্রকল্প (এফডি-৭) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দাখিল করা যেতে পারে।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির ধারাকে নিয়ন্ত্রণ করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিঠিতে। এ জন্য ব্যাপকভিত্তিক জন্ম নিয়ন্ত্রণের ওষুধ বিতরণ, দীর্ঘ মেয়াদি জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি এবং উপকরণ বিতরণের জন্যেও জরুরি প্রকল্প প্রস্তাব দিতে বলা হয়।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ্‌ রেজওয়ান হায়াত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার সাড়ে তিন শতাংশের (৩.৫%) বেশি। বিষয়টি আসলেই উদ্বেগজনক। এজন্য আমরা জরুরি প্রল্পের প্রস্তাব চেয়েছি। আগস্টের মধ্যেই জন্ম নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করার আশা রাখছি। এছাড়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে অন্যান্য কাজগুলো আমরা এগিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছি।’ 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর জন্য জরুরি প্রকল্পের অংশ হিসেবে আরও যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে— এলপিজি সিলিন্ডার বিতরণ, হেলথ পোস্ট প্রাইমারি হেলথ কেয়ার এবং ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন। পরিধানযোগ্য বস্ত্র, স্যান্ডেল, জুতা, কম্বল এবং বর্ষাকালে ব্যবহারের জন্য ছাতা বিতরণ করা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেন পরিষ্কার, টয়লেট ও বাথিং ফ্যাসিলিটি স্থাপন এবং মেরামত, গৃহ পুনর্নির্মাণ, গৃহ সংস্কার, মেরামত, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে বৃক্ষরোপণ, হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের অংশ হিসেবে চালের ওপর সবজি চাষ করা। সোলার প্যানেল মেরামত, সেলাই প্রশিক্ষণ, নিজস্ব পদ্ধতিতে সাবান তৈরি, কোভিড-১৯ সুরক্ষার জন্য মাস্ক তৈরি এবং ভাসানচরে অগ্রাধিকার দিয়ে হাঁসমুরগী পালন কার্যক্রম। ইউনিসেফের অর্থায়নে নির্মিত লার্নিং সেন্টারগুলোর পুনর্নির্মাণ, সংস্কার ও মেরামত। ক্যাম্পে বিদ্যমান লার্নিং সেন্টারগুলোতে রোহিঙ্গা ভাষায় রোহিঙ্গাদের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কিত এবং তাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও সেমিনার আয়োজনসহ আরও কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ও প্রধান এবং কান্টি ডিরেক্টরদের অনুরোধ করা হয়।

/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:১৭

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে (বাংলাদেশ সময় আজ সকাল) লটে নিউইয়র্ক প্যালেসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সময় এই প্রশংসা করেন তিনি।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক কার্যক্রমের ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।

বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ (ইউএন) মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে স্বাগত জানান। জাতিসংঘ বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলোকে গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মত বাংলাদেশের অগ্রাধিকারগুলো জাতিসংঘেরও অগ্রাধিকার।

শেখ হাসিনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের উচ্চপদে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আরও বেশি সদস্য নিযুক্ত করতে জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে জাতিসংঘের সাড়া’র বিষয়ে জানতে চাইলে জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুতেরেস এই আহ্বানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন এবং তিনি এটিকে ন্যায্য মনে করেন ও বাংলাদেশের জন্য আরও কিছু করতে চান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব এই ব্যাপারে বাংলাদেশের সুনাম অর্জনের কথা এবং শান্তি রক্ষা মিশনে তাদের সাফল্যের গল্প রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

ড. মোমেন বলেন, একটি গতিশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে জাতিসংঘ ‘রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। গুতেরেস বাংলাদেশের এবং দেশটির সার্বিক অর্জনের ব্যাপারে এর নেতৃত্বের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদরদফতরে নেদারল্যান্ডের রানি ম্যাক্সিমা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান ফুক এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সহিলের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

নেদারল্যান্ডের রানি ম্যাক্সিমার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় শেখ হাসিনা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষয়ক্ষতি সামলাতে তার সরকার ইন্স্যুরেন্স ব্যবস্থা চালু করার চিন্তা ভাবনা করছে।

এ সময় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সহিলের সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে ড. মোমেন বলেন, মালে ও চট্টগ্রামের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ চালু করার ব্যাপারে উভয় দেশ কাজ করছে। 

ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান ফুকের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ জন্মভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে চাপ দিতে ফুককে অনুরোধ জানান। খবর বাসস

/ইউএস/

সম্পর্কিত

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৬তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ আলোচনায় আজ (বাংলাদেশ সময়) ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে রোহিঙ্গা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ভাষণে অগ্রাধিকার পাওয়া অন্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অসমতা দূরীকরণ।

প্রধানমন্ত্রী গত ২১ সেপ্টেম্বর ইউএনজিএ জেনারেল ডিবেটের প্রথম দিন অংশ নেন। এ অধিবেশন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

শেখ হাসিনা তার বাবা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আগের বছরগুলোর মতই বাংলা ভাষায় তার ভাষণ দেবেন। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএ’র অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। এটি হবে বাংলা ভাষায় দেওয়া তার ১৮তম ভাষণ।

শেখ হাসিনা সরাসরি ইউএনজিএ অধিবেশনে অংশগ্রহণে হেলসিঙ্কি হয়ে নিউইয়র্কে পৌঁছান। কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির কারণে ইউএনজিএ’র ৭৫তম অধিবেশনে তিনি সশরীরে যোগ দিতে পারেননি।

ইউএনজিএ’র ৭৬তম অধিবেশন গত ১৪ সেপ্টেম্বর শুরু হয়। ওই দিন সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মালদ্বীপের আব্দুল্লাহ শহিদ শপথ গ্রহণ করেন এবং তিনি বর্তমান অধিবেশন উদ্বোধন করেন।

বৈশ্বিক মহামারির কারণে সাধারণ পরিষদের হলে অনুমোদিত প্রতিনিধির সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে এবং জাতিসংঘ সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের জাতিসংঘ সদরদপ্তরে সরাসরি উপস্থিত থাকার পরিবর্তে আগে ধারণ করা বিবৃতি প্রদানে উৎসাহিত করা হয়।

শতাধিক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান জাতিসংঘের প্রধান নীতি নির্ধারণ অঙ্গ ইউএনজিএ অধিবেশনে সশরীরে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। খবর বাসস

/ইউএস/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫৯

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও একাধিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে তিনি নেদারল্যান্ডের রানি ম্যাক্সিমা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান পাক, মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইবরাহিম মোহামেদ সোলিহ ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে শেখ হাসিনার সঙ্গে হোটেল লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেসে নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ও প্রধানমন্ত্রীর আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুরে জাতিসংঘ সদর দফতরে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি নগুয়েন জুয়ানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দুপুরে জাতিসংঘ সদর দফতরে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইবরাহিম সোলিহ সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। গত মার্চে বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ঢাকা সফর করেছিলেন।

এছাড়া জাতিসংঘ সদর দফতরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। 

/এসএসজেড/ইউএস/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের অধিবেশনে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

১৯৭৩ সালের এদিনে দেড়শ’ থানায় রক্ষীবাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। সমাজবিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করতে সরকার দেশের দেড়শ’টিরও বেশি থানার সদর দফতরে অবিলম্বে পর্যাপ্ত রক্ষীবাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সরকারি সূত্রে এ কথা জানানো হয়।

খবরে প্রকাশ, দেশের নিরীহ নাগরিকদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার পর সরকার উপরোক্ত নির্দেশনা দেয়।

এর মাত্র কয়েক দিন আগে আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের বৈঠকে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন। সূত্র জানায়, ভিন্ন থানা সদর দফতরে রক্ষীবাহিনী মোতায়েন করা ছাড়াও সব জেলা ও মহাসড়ক দফতরে পর্যাপ্ত পুলিশ ও রক্ষীবাহিনী মোতায়েন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোয় পুলিশের তৎপরতায় সাহায্য করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সুস্পষ্ট নির্দেশও দেওয়া হয়।

দৈনিক বাংলা, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

প্রত্যাগত বাঙালিদের পুনর্বাসন

পাকিস্তানে আটকে থাকা যেসব বাঙালি ফিরে আসছেন তাদের পুনর্বাসনে সম্ভাব্য সব করা হবে। ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী সোহরাব হোসেন জাতীয় সংসদে আশ্বাস দেন, পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা বাঙালিদের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা আছে। পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা বাঙালিদের জন্য এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে সরকার কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, সদস্যরা তা জানতে চান। প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান থেকে প্রত্যাগত সরকারি বাঙালি কর্মচারীদের এক মাসের অগ্রিম বেতন ও এক মাসের ছুটি দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া যেসব কর্মচারী পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় বা অনুরূপ সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তাদের নাম তালিকাভুক্ত করার জন্য দেশের সব স্বায়ত্তশাসিত ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুটির শিল্প করপোরেশন বিল পাস

দেশে একটি কুটির শিল্প সংস্থা স্থাপনের উদ্দেশ্যে এদিন জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ কুটির শিল্প করপোরেশন ১৯৭৩ বিল বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়। শিল্পমন্ত্রী জানান, আগামী পরিকল্পনায় ১২১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। গ্রামাঞ্চলের মানোন্নয়নের জন্য কুটির শিল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৯৭০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী তিন লক্ষ ৩০ হাজার ৪৩৬টি কুটির শিল্প দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে। ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৮৭৮ ব্যক্তি এই শিল্পের উৎপাদন কাজে নিয়োজিত। এই শিল্পকে উৎসাহিত ও সম্প্রসারিত করে মৃতপ্রায় কুটির শিল্পগুলোর ব্যবহার এবং পরিবারভুক্ত কুটির শিল্প লোকদের মধ্যে আধুনিক কৌশল ছড়িয়ে দেওয়া হবে এই সংস্থার কাজ।

দ্য অবজারভার, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

কুটির শিল্প বাঁচাতে যা বলেছিলেন জয়নুল আবেদীন

বাংলাদেশের কুটির শিল্প লুপ্তপ্রায়। এ শিল্পকে বাঁচাতে ব্যাপক সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ব নয়, কুটির শিল্পে যারা সত্যিকার অর্থে জড়িত তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। বাংলাদেশের প্রখ্যাত কয়েকজন শিল্পী এ মন্তব্য করেন। কুটির শিল্প রক্ষায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে অভিনন্দিত করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। গ্রামে গ্রামে এই উদ্যোগ বেকারত্ব কমাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৬

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভোক্তা প্রতারণা বন্ধ করার কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন। ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের জন্য কার্যকারী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির উপ প্রেস সচিব মুন্সী জালাল উদ্দিন ব্রিফিংকালে জানান, সাম্প্রতিককালে ই-কমার্সে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হাওয়ায় রাষ্ট্রপতি দেশে দ্রুত প্রসারণশীল ই-কমার্স ব্যবস্থায় ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ই-কমার্স একটি সম্ভাবনাময় খাত। কিছু সংখ্যক লোকের কারণে এ খাতটি যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক হতে হবে।

এ খাতে প্রতারণাসহ ভোক্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কঠোর হস্তে দমনের জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সকল পদক্ষেপে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তারা যেন যৌক্তিক মূল্যে ও প্রত্যাশিত সময়ে মানসম্মত পণ্য পায় তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

সাক্ষাৎকালে কমিশন চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়সহ কমিশনের চলমান কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে আরও অংশ নেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং কমিশনের সদস্য জি এম সালেহ উদ্দিন, ড. এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

নেদারল্যান্ডের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

১৯৭৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আবারও নতুন পদক্ষেপ নিতে হয়

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

সাইক্লিং নিরাপদে ১০ সুপারিশ

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাইকেল র‌্যালি

‘বিদ্যালয়ে এসে করোনা আক্রান্তের প্রমাণ পাওয়া যায়নি’

‘বিদ্যালয়ে এসে করোনা আক্রান্তের প্রমাণ পাওয়া যায়নি’

ঢাকায় ‘জলবায়ু অবরোধ আন্দোলন’ কর্মসূচি

ঢাকায় ‘জলবায়ু অবরোধ আন্দোলন’ কর্মসূচি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

© 2021 Bangla Tribune