X
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

পুলিশের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ২১:৫৯

চলমান নিষেধাজ্ঞায় শিক্ষক-স্টাফদের কর্মস্থলে আসতে নির্দেশ দেওয়ার পর পুলিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রত্যাহারের অনুরোধ জানায়। পরে পুলিশের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া অ্যান্ড পাব‌লিক রি‌লেশন্স উইং‌য়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর ধানমন্ডির একটি খ্যাতনামা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত একটি ই-মেইল বার্তায় উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও স্টাফকে সশরীরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে নিয়মিতভাবে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যারা বাড়িতে বসে অনলাইনে অফিস করবেন তাদের বেতন কাটা হবে। তবে যারা সশরীরে কর্মস্থলে হাজির হয়ে অফিস করবেন তাদেরকে পুরো বেতন দেওয়া হবে। এ ধরনের একটি ই-মেইল বার্তা পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইংয়ের হাতে আসে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মচারী ও স্টাফদের এ ধরনের বার্তা দিয়ে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে কর্মস্থলে আসতে বাধ্য করা আইন বিরোধী। 

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) এই বার্তাটি পাওয়ার পর মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং তা কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্রকে পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলে। ওসি তার একটি টিমসহ কলাবাগানে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ব্রাঞ্চ পরিদর্শন করে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস ধানমন্ডি থানার অধীনে এবং সেখান থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্যাম্পাস‌কে নির্দেশটি দেওয়া হয়েছে। এরপর ওসি ধানমন্ডি মো. ইকরাম আলী মিয়াকে বিষয়টি জানিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ধানমন্ডির ওসি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন এবং তাদের অফিস পাঠানো ইমেইল বার্তার বিষয়ে জানতে চান। পুলিশের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে নতুন একটি ইমেইল বার্তায় পূর্বের আদেশ তুলে নিয়ে সকল স্টাফ, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চলমান রাখতে অনুরোধ করেন।

/জেইউ/এমআর/

সম্পর্কিত

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০৭

নামসর্বস্ব বিভিন্ন কোম্পানি খুলে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের প্রলুব্ধ করে নিয়োগপত্র দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো নামসর্বস্ব আস্থা গেটওয়ে লিমিটেডের কথিত চেয়ারম্যান আল আমিন (৪৮),কথিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুন-অর-রশিদ বাদল। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইমেক্স ম্যানপাওয়ার রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ লিমিটেডের ২৪টি ভুয়া নিয়োগপত্র, বিভিন্ন চাকরিপ্রার্থীদের আবেদন, চাকরি প্রার্থীদের নিবন্ধন ফরম, বায়োডাটা জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মালিবাগ সিআইডি সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তারা বিভিন্ন সময় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চটকদার বিজ্ঞাপন দিতো। প্রার্থীরা যোগাযোগ করলে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে বলে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে চক্রটি। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, তারা ভুয়া কোম্পানি খুলে দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণা চালিয়ে আসছে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির বিজ্ঞাপন দিতো। এরপর আগ্রহীরা যোগাযোগ করলে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিত। কখনও কখনও ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়েছে এই চক্রটি।

তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে জানান অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন।

/আরটি/এমআর/

সম্পর্কিত

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০০

জাপানি মা নাকানো এরিকো ও দেশি বাবা ইমরান শরীফের দুই শিশুর জিম্মার বিষয়টি সুরাহা করতে আবারও দুইপক্ষের আইনজীবীদের পরষ্পর আলোচনায় বসার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন এবং এ সময়ের মধ্যে শিশুর দুজনের বাবা-মা পর্যায়ক্রমে তাদের সঙ্গে গুলশানের বাসায় থাকতে পারবে বলেও আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

আদালতে শিশুদের বাবার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ফাওজিয়া করিম ফিরোজ। জাপানি মায়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত ১৯ আগস্ট শরীফ ইমরানের জিম্মায় থাকা দুই শিশু সন্তানকে ৩১ আগস্ট হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন আদালত। শিশুদের মা জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকোর করা রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এসব আদেশ দেন।

পরে দুই শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে তাদের মা পৃথক মামলা দায়ের করলে গত ২২ আগস্ট শিশুদের উদ্ধার করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি। এরপর তাদের তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছিল।

পরে গত ৩১ আগস্ট সেখান থেকে দুই শিশুকে গুলশানস্থ বাসায় একসঙ্গে ১৫ দিন বসবাস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ঢাকার সমাজ সেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক পদের একজনকে বিষয়টি তদারকির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ডিএমপি কমিশনারকে তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২১ ফেব্রুয়ারি ইমরান তার দুই মেয়ে জেসমিন ও লাইলাকে নিয়ে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। পরে দুই মেয়েকে জিম্মায় চেয়ে বাংলাদেশের হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন দুই শিশুর মা জাপানি নাগরিক এরিকো।

/বিআই/এমআর/

সম্পর্কিত

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫১

বিভিন্ন সময় ডাকাতি করা স্বর্ণ স্ত্রী শাহানা আক্তারের কাছে রাখতো আনোয়ার দেওয়ান। পরবর্তীতে স্ত্রীর সেসব স্বর্ণ বাজারে বিক্রি করতো। রাজধানী এবং আশুলিয়ার বেশ কয়েকটি ডাকাতির ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে এসব তথ্য জানতে পারে সিআইডি। ঢাকায় কার্যক্রমে জড়িত এবং ডাকাতি স্বর্ণ বিক্রির অভিযোগে শাহানা আক্তারকে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মধ্যবাড্ডায় গুলশান লিংক রোড এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

মালিবাগে সিআইডি সদর দফতরে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত শাহানা আক্তারের কাছে তার স্বামী আনোয়ার দেওয়ান বিভিন্ন সময়ে ডাকাতি করা স্বর্ণ এনে রাখবো। আনোয়ার দেওয়ানকে আমরা এখনও গ্রেফতার করতে পারিনি । তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এই চক্রটি ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নয়া হাট বাজারে ১৯টি স্বর্ণের দোকানে লুট করে। এসময় স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কার এবং নগদ এক কোটির বেশি টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত শাহানা আক্তার জানিয়েছে, আনোয়ার দেওয়ান আন্তঃজেলা ডাকাত দলের নেতা। দীর্ঘদিন ধরে সে তার দলের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে টাকা স্বর্ণ ও মূল্যবান সামগ্রী ডাকাতি করে আসছে। ডাকাতির লুণ্ঠন হওয়া মূল্যবান সামগ্রী তার স্বামী আনোয়ার দেওয়ান তার কাছে এনে জমা রাখতো। এখন সময় সুযোগ বুঝে সে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি। ডাকাতি হওয়া স্বর্ণালঙ্কার কোথায় বিক্রি করতো এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে সিআইডি। আর কারা এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে সে বিষয়েও তদন্ত চলছে, এবং অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

/আরটি/এমআর/

সম্পর্কিত

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৪৩

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২১ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালত মামলাটির এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এই দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে আরিফ বাকের নামে একজন ভুক্তভোগী মামলাটি করেছেন। মামলায় অর্থ আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত মে মাসে ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে আরিফ বাকের তার বন্ধুদের নিয়ে কিছু পণ্য অর্ডার করেন।  এ ছাড়া পণ্যের অর্ডার বাবদ সকল মূল্য বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ পরিশোধ করেন।

আরিফ অভিযোগ করেন, পণ্যগুলো ৭-৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে সরবরাহে ব্যর্থ হলে উক্ত প্রতিষ্ঠান সমুদয় টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে তারা পণ্য সরবরাহ করেনি।  ফোন করা হলে বারবারই তারা আমার পণ্যগুলো শিগগিরই দিচ্ছে বলে আশ্বস্ত করে যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে ইভ্যালি পণ্য অথবা টাকা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার পর আমি তাদের অফিসে যাই। তখন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেলের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছি।

এজাহারে আরিফ জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনিসহ তার বন্ধুরা ইভ্যালি অফিসে গিয়ে পণ্যের অর্ডার সম্পর্কে কথা বলতে চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করে। এক পর্যায়ে অফিসের অভ্যন্তরে থাকা ইভ্যালির সিইও রাসেল উত্তেজিত হয়ে তার রুম থেকে বেরিয়ে আরিফকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে এবং পণ্য অথবা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এক পর্যায়ে প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলেও অভিযোগ করেছেন আরিফ।

পণ্য না পাওয়ায় আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জানিয়ে আরিফ বলেন, ইভ্যালি পণ্য বিক্রয়ের নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আমার মতো বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের অসংখ্য গ্রাহকের নিকট থেকে আনুমানিক ৭০০/৮০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

/এমএইচজে/এমআর/

সম্পর্কিত

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

ইভ্যালির রাসেলের বাসায় র‍্যাবের অভিযান

ইভ্যালির রাসেলের বাসায় র‍্যাবের অভিযান

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫৯

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাসেলের মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসায় অভিযান পরিচালনা শেষে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে তাদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা করেন আরিফ বাকের নামে একজন ভুক্তভোগী।

র‍্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম জানান, ইভ্যালির বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলার প্রেক্ষিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের র‍্যাব সদর দফতরে নেওয়া হচ্ছে।

অভিযানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ভিড় করেছেন ইভ্যালির গ্রাহকরা এদিকে, অভিযানের খবর পেয়ে বেশ কয়েকজন গ্রাহক ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেলের বাসার সামনে অবস্থান নেন। তারা বলেন, রাসেলকে গ্রেফতার করা হলে গ্রাহকরা আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের যেসব কর্ণধারদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত কেউই তাদের বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পাননি।

রেদোয়ান নামে একজন গ্রাহক বলেন, ইভ্যালির রাসেলকে যথাযথ নজরদারির মধ্যে রেখে আরও কিছুদিন সময় দেয়া উচিত। একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে তাকে গ্রাহকদের টাকা ফেরত বা পণ্য দিতে বাধ্য করা যেতে পারে। তাকে ধরে নিয়ে গেলে গ্রাহকরা পণ্য বা টাকা কিছুই পাবে না।

মোহাম্মদপুরের এই বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় রাসেল ও তার স্ত্রীকে

আরও পড়ুন: স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেলের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা

ইভ্যালির রাসেলের বাসায় র‍্যাবের অভিযান

ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়

/এনএল/এমএস/

সম্পর্কিত

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির চেয়ারম্যান-সিইও’র বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২১ অক্টোবর

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

১৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বিরুদ্ধে করা রিট খারিজ

ইভ্যালির রাসেলের বাসায় র‍্যাবের অভিযান

ইভ্যালির রাসেলের বাসায় র‍্যাবের অভিযান

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ

দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আইনি নোটিশ

এনজিওদের পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট খারিজ

এনজিওদের পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট খারিজ

স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেলের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা

স্ত্রীসহ ইভ্যালির রাসেলের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা

সর্বশেষ

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করতো তারা

জাতীয় উদ্যানে তরুণীর হাতের রগ কাটা লাশ

জাতীয় উদ্যানে তরুণীর হাতের রগ কাটা লাশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

জাকার্তার বায়ু দূষণ রোধে ব্যবস্থা নেননি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট: আদালত

বায়ু দূষণ মামলায় ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে যুগান্তকারী রায়

© 2021 Bangla Tribune