দুই দিন পর বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) কর্মীরা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছেন। শনিবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ কাজ শুরু হলে নগরবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সংবাদ সম্মেলনে নির্দেশের পর পরই কাজ শুরু করেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।
বিসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বলেন, ‘প্রতি রাতে যেভাবে ময়লা পরিষ্কার করা হতো মেয়রের নির্দেশে সেভাবেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে দু’দিনের জমে থাকা ময়লা পরিষ্কারে সময় লাগবে। আমরা চেষ্টা করছি আজ রাতের মধ্যে নগরীর সব ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের। এ জন্য বেশি ট্রাকও ব্যবহার করা হচ্ছে। যেসব জায়গায় বেশি ময়লা আবর্জনার স্তূপ জমেছে সে জায়গা আগেভাগে পরিষ্কার করা হচ্ছে। সব কর্মী একযোগে কাজ করছেন।’
ময়লা নিয়ে সমস্যায় থাকা বাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝেও স্বস্তি ফিরে এসেছে। ব্যবসায়ীরা এ জন্য মেয়রকে ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, ‘যেকোনও সমস্যা হতে পারে, সে জন্য নগরী কেন অপরিষ্কার থাকবে। আমরা খুবই চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম। ময়লার মধ্যে ব্যবসা করা খুবই দুষ্কর। আশা করি এ ধরনের সমস্যা আর হবে না।’
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য বিসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ডা. রবিউলের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।
শনিবার রাতে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ তার বাসভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান, বিসিসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাড়িতে অভিযান না চালানোর জন্য। একই সঙ্গে বিসিসি কর্মীদের ময়লা পরিষ্কারেরও নির্দেশ দেন। তার নির্দেশ দেওয়ার দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, ১৮ আগস্ট রাতে সদর উপজেলা ইউএনওর বাসভবনে হামলা এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষকালে সদর উপজেলা পরিষদের প্রধান গেট সংলগ্ন এলাকায় এক ট্রাক ময়লা ফেলে রাখা হয়। ওই সময় থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বন্ধ করে দেওয়া হলে নগরীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ময়লায় নগরবাসীকে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
আরও খবর: বরিশাল নগরীর ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার বন্ধ









