X
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ৯ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

গ্যাস ডিটেকটর নিয়ে নেই প্রচারণা, ভাবছে তিতাস

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:১৭

গ্যাস লিকেজ থেকে প্রায়ই ঘটছে বড় দুর্ঘটনা। এমনটা ঠেকাতে পারে গ্যাস ডিটেকটর যন্ত্র। এ নিয়ে কোনও পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিতাস জানায়, এমন যন্ত্রের প্রচারণার দরকার আছে।

বাসাবাড়িতে চাইলেই গ্যাস ডিটেকটর যন্ত্র বসানো যায়। এটি পাওয়া যায় বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটেই। দাম ১২০০-২০০০ টাকার মধ্যে। রান্নাঘর বা গ্যাসের লাইন রয়েছে এমন স্থানে এটি স্থাপন করা যেতে পারে। লিকেজ হলেই বেজে উঠবে অ্যালার্ম। যাতে বড় দুর্ঘটনার আগেই লোকজন নিরাপদে সরে যেতে পারবে।

যেভাবে কাজ করে গ্যাস ডিটেকটর
এটি স্মোক ডিটেকটরের মতো ছোট একটি ডিভাইস। সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের সঙ্গে যুক্ত রাখতে হয়। আবার ব্যাটারিতেও চলে। সাধারণত দুই ধরনের ডিটেকটর পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি যন্ত্র বাতাসে গ্যাসের ঘনত্ব মেপে অস্বাভাবিকতা ধরতে পারলেই সংকেত দেয়। অন্যটি স্থাপন করা হয় গ্যাসের চুলা ও গ্যাস লাইনের মাঝের ভালভে। লিকেজের সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ডিটেকটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। অবশ্য মূল পাইপলাইনে লিকেজ হলে তা বন্ধ করতে পারে না এই ডিটেকটর। কিন্তু সংকেত দিতে পারে ঠিকই। একেক ধরনের গ্যাস শনাক্ত করতে পাওয়া একেক ধরনের ডিকেটর। তবে বাজারে মিথেন শনাক্তকারী যন্ত্রই পাওয়া যায় বেশি।

কোথায় স্থাপন করতে হয়?
এলপিজি বাতাসের তুলনায় ভারী। তাই সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে যন্ত্রটি সিলিন্ডারের আশেপাশে বা মেঝের কাছাকাছি রাখতে হয়।

পাইপলাইনের গ্যাস তুলনামূলকভাবে হালকা। এটি লিক হলে ঘরের উপরের দিকে জমা হয়। এ কারণে পাইপলাইনের ডিটেকটর থাকবে সিলিংয়ে।

প্রচার নেই
গত কয়েক বছরে দেশে এলপিজি ও গ্যাসলাইনের বড় বিস্ফোরণ ঘটেছে। অনেকে মারা গেছেন। মারাত্মক আহতও হয়েছেন অনেকে। সরকারের তরফ থেকে বিভিন্ন সময় সতর্কতার নির্দেশনা দেওয়া হলেও গ্যাস শনাক্তকারী যন্ত্রের কথা বলা হয়নি। সাধারণ মানুষের অনেকে জানেই না যে এমন যন্ত্র দেশেই আছে।

বিস্ফোরক পরিদফতরের জন্য প্রচার বাবদ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়। গুটিকয়েক লিফলেট ছাপানো ছাড়া আর কিছুই করতে দেখা যায় না।

যা ভাবছে কর্তৃপক্ষ
গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনার পর সাধারণত তদন্ত করে বিস্ফোরক পরিদফতর। তাতে গতানুগতিক কিছু সুপারিশ থাকে বলে অভিযোগ আছে। বিশেষ কোনও প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্ষতি কমানো যায় কিনা সে বিষয়ে কোনও নির্দেশনা থাকে না। প্রথমবারের মতো মগবাজারের বিস্ফোরণের পর গ্যাস ডিটেকটরের বিষয়টি সুপারিশে উল্লেখ করে বিস্ফোরক পরিদফতর। তবে প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ এই যন্ত্রকে ‘কার্যকর নয়’ বলে মনে করেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাসাবাড়িতে এ ধরনের ডিটেকটর খুব বেশি কাজ করবে না। তার মতে, সাধারণ মানুষ এলপিজির ভালভই ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারে না। পাইপলাইনে গ্যাসের লিকেজের গন্ধও টের পায় না, তাদের পক্ষে ডিটেকটর ব্যবহার করা কঠিন হবে।’

তার মতে, ‘শিক্ষিত’দের পক্ষে বা যে গ্যাস স্টেশনগুলোতে ‘শিক্ষিত লোক’ কাজ করেন সেখানে এটি কার্যকর হতে পারে। সাধারণ মানুষদের আগে শিখতে হবে গ্যাসের গন্ধ কেমন সেটা। এমনকি তার মতে গ্যাস ডিটেকটর যন্ত্র স্থাপনে প্রশিক্ষণও দরকার।

এদিকে তিতাস গ্যাস ডিটেকটর স্থাপনের চিন্তা করছে। এই বিষয়ে তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী ইকবাল মো. নুরুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনার পর আমরা গ্যাস ডিটেকটর নিয়ে ভাবছি। গ্রাহকরা এটি কীভাবে ব্যবহার করবে সেটা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। তবে এটি প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।’

আরও পড়ুন:
মগবাজারে বিস্ফোরণের নেপথ্যে

/এফএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

আজ গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

আজ গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

ঢাকা শহরের উত্তরাংশসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট

ঢাকা শহরের উত্তরাংশসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট

গ্যাস দুর্ঘটনায় আহত-নিহতদের সহায়তা দিতে তহবিল গঠনের পরামর্শ

গ্যাস দুর্ঘটনায় আহত-নিহতদের সহায়তা দিতে তহবিল গঠনের পরামর্শ

নির্মাণে নতুন দিন আনছে কংক্রিট ব্লক

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০০

ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার কারণে দেশের আবাসন শিল্প একটি বড় শিল্পে পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ৮ শতাংশ জিডিপি আসে এ শিল্প থেকে। দিনে দিনে দেশীয় নির্মাণসামগ্রীর ওপরও নির্ভরশীলতা বাড়ছে। আর সেই তালিকায় নতুন সংযোজন কংক্রিট ব্লক। মাটি পোড়ানো লাল ইটের পরিবর্তে নির্মাণকাজে এখন দেদার ব্যবহার হচ্ছে এটি।

তবে নতুন কিছু সাধারণত সহজে গ্রহণ করতে চান না অনেকে। এ শিল্পের ক্ষেত্রেও সেটা ঘটেছে। অবশ্য পরিবেশবিদদের মতে, সনাতন লাল ইট পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি পরিবেশ বাঁচাতে ২০২৫ সাল থেকে সনাতন লাল ইটের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা আছে সরকারের।

দেশের স্বল্প সংখ্যক প্রতিষ্ঠান এখন কংক্রিট ব্লক তৈরি করছে। এটি তৈরি হয় স্বয়ংক্রিয় মেশিনে। ব্লক তৈরিতে ব্যবহার হয় সিমেন্ট, কুচিপাথর, সিলেটের বালু, সাধারণ বালু ও স্টোন ডাস্ট।

কংক্রিট ব্লক ব্যবহারের সুফল অনেক। সবচেয়ে বড় দিক হচ্ছে সনাতন লাল ইটের চেয়ে এর নির্মাণ খরচ তুলনামূলক কম। কংক্রিট ব্লকের দেয়ালের গাঁথুনিতে সিমেন্ট-বালু কম লাগে। এ ছাড়া এটি ব্যবহারে ভবনের ওজন কম হয়। ভবন নির্মাণের সময়ও কম লাগে।

কংক্রিটের হওয়ায় এটি মজবুত হয় এবং নির্মাণের স্থায়ীত্ব বাড়ে। সনাতন লাল ইটের মতো এতে নোনা ধরে কম। শব্দদূষণ ও তাপ পরিবহনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে ৪০ শতাংশ কম থাকে এতে।

এর আরেকটি ভালো দিক হলো কংক্রিট ব্লক দিয়ে তৈরি হলে ঘরের ইন্টেরিয়র ডিজাইনেও অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন ব্লকের তৈরি দেওয়ালে শুধু রং দিয়েই ফিনিশিং দেওয়া যায়। এতে খরচও কমে। বাইরের প্রাচীরে ব্লক গাঁথুনির মাধ্যমে বৈচিত্র্যও আনা যায়।

বিটিআই বিল্ডিং প্রডাক্টস

কংক্রিট ব্লক তৈরিতে দেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিটিআই বিল্ডিং প্রডাক্টস অন্যতম। স্বনামধন্য আবাসন প্রতিষ্ঠান বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াস লিমিটেড (বিটিআই)-এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বিটিআই বিল্ডিং প্রডাক্টস। ঢাকার অদূরে ধামরাইতে এর কারখানা।

আধুনিক স্বয়ংক্রিয় মেশিনে প্রতিদিন ২৫ হাজার ব্লক তৈরি হচ্ছে ওই কারখানায়। বিটিআই বিল্ডিং প্রডাক্টস প্রথমে বিটিআই-এর বিভিন্ন নিজস্ব নির্মাণের জন্য শুরু হলেও পরে বাণিজ্যিকভাবেও বিক্রি শুরু করেছে।

এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের ও আকারের ব্লক তৈরি করছে। প্রতিষ্ঠানের পণ্য তালিকায় ব্লকের পাশাপাশি আছে আগের ইটের সাইজের কংক্রিট ব্রিক। এমনও ব্লক আছে যা ৪-৫টি লাল ইটের সমান। অর্ধেক সাইজের সলিড ও ‘হলো’ ব্লকও আছে। তাই কেটে নেওয়ার ঝামেলা থাকে না এতে।

বিটিআই বিল্ডিং প্রডাক্টস শুধু ব্লকই প্রস্তুত করছে না। এখানে তৈরি হচ্ছে পেভমেন্ট টাইলস ও ইউনিপেভারও।

প্রায় চার দশক ধরে সুনামের সঙ্গে বিটিআই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। সেই সুনাম ধরে রেখেছে বিটিআই বিল্ডিং প্রডাক্টস। বিটিআই-এর ভবন নির্মাণেও ব্যবহার হচ্ছে বিটিআই বিল্ডিং প্রডাক্টস-এর ব্লক।

 

 

/এফএ/

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০৭

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, রফতানি বহুমুখীকরণে ভবিষ্যতে ব্লু ইকোনমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এরইমধ্যে বহুমুখীকরণ শুরু হয়ে গেছে। কারণ মোটর পার্টস, আইটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাত বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে। আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে এ খাতগুলো আরও সমৃদ্ধ হবে।

রবিবার (২৪ অ‌ক্টোবর) ব্লু ইকোনমি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। যৌথভাবে সভার আয়োজন করে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘ব্লু ইকোনমি নিয়ে আমাদের দেশে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কোন মন্ত্রণালয়ের কোন অধিদফতর কাজ করবে, তা নিয়ে পরিষ্কার কোনও ধারণা নেই।’ কী ধরনের নীতি সহায়তা দরকার সে প্রস্তাবনা দিলে, আমরা এটা নিয়ে কাজ করবো বলে জানান তিনি।

তি‌নি বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ৬৬৪ কিলোমিটার। কিন্তু এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার কাজে লাগাতে পারছি আমরা। আমরা যদি যৌথভাবে বা জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে বাকি সমুদ্র কাজে লাগাতে পারি, তাহলে অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ সামুদ্রিক সম্পদের বিশাল অঞ্চল লাভ করেছে। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় মোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটারের বেশি সমুদ্র এলাকা এখন বাংলাদেশের। এর সঙ্গে রয়েছে ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল ও চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশের সব ধরনের প্রাণিজ-অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার।’

তিনি বলেন, ‘দুই বছরের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের এ রায় দুটিকে প্রত্যেকেই বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয় বলে অভিহিত করেছেন। এই সামুদ্রিক এলাকা প্রাকৃতিক গ্যাস এবং জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। এই সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনাতে এখন আমাদের কাজ করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, ‘দেশের সমুদ্র পথে জাহাজের মাধ্যমে আমদানি-রফতানিতে ৯ হাজার বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। জাহাজের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রফতানির মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ হচ্ছে নিজস্ব পরিবহনে। সমুদ্র পথে ৫০ শতাংশ পণ্য নিজস্ব জাহাজের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি করতে পারলে সাড়ে ৪ হাজার বিলিয়ন ডলার সঞ্চয় হবে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের পর বিশ্বব্যাপী কন্টেইনার সংকটে পড়েছে। জাহাজের পাশাপাশি সুযোগ এসেছে কন্টেইনার উৎপাদনের। এসব সুযোগ এখনই কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।’

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সবসময় বেসরকারি খাতের সঙ্গে আছি এবং এর সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও কাজ করবো।’ ব্লু ইকোনমিকে সামনে এগিয়ে নিতে বিডাকে সহযোগীর ভূমিকায় পাওয়া যাবে বলে আশ্বস্ত করেন সিরাজুল ইসলাম।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘সমুদ্র খাতে অনেক সেক্টর রয়েছে, তবে আমাদের এখই মেরিটাইম শিপিংসহ বেশকিছু বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের বন্দর আছে, বলা হচ্ছে এর মাধ্যমে খরচ বেঁচে যাচ্ছে। তবে বাস্তবতা দেখতে হবে তা কতটুকু। আমার দেশের শিল্পের অধিকাংশ টাকাই চলে যাচ্ছে সড়ক দিয়ে পণ্য আনা-নেওয়াতে। কারখানা থেকে পণ্য বন্দর পর্যন্ত নিতে একটা বড় খরচ হচ্ছে সেটা কেউ দেখে না, সেটাও হিসাবের মধ্যে আনতে হবে। জাহাজ শিল্পের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে, আধুনিক মাছ ধরার ট্রলার হলে গভীর সমুদ্রের বড় মাছগুলো পাওয়া যাবে। সেখানেও রফতানি আয়ের বড় সম্ভাবনা রয়েছে।’

/জিএম/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১৩

টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। রবিবার (২৪ অক্টোবর) খোলা বাজার ও নগদ মূল্যে ডলার ৯০ টাকা ১০ পয়সায় কেনাবেচায় হয়, দেশে যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ মূল্য।

জানা গেছে, প্রবাসীদের পাঠানো আয় বা রেমিট্যান্স তিন মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমেছে। রফতানি আয়ে ভাটা চলছে। বেড়েছে আমদানি ব্যয়। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

সর্বশেষ আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়ায় ৮৫ টাকা ৭০ পয়সা। তবে খোলা বাজার ও নগদ মূল্যে ডলার ৮৯ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৯০ টাকা ১০ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

 

/জিএম/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

গ্যাসের দাম বাড়ানোর চিন্তা চলছে

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

আয়কর আইন হবে বাংলায়: এনবিআর

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

বিদেশ থেকে আসা সব টাকাই রেমিট্যান্স নয়

কৃষি মন্ত্রণালয় সঠিক তথ্য দেয় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৯:০২

কৃষি মন্ত্রণালয় সঠিক তথ্য দেয় না বলে অভিযোগ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আর এ কারণে অনেক সময় খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও ভোগের সঠিক পরিসংখ্যানের অভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানান তিনি।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত দৈনিক বণিক বার্তা ও বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ৫০ বছর কৃষির রূপান্তর ও অর্জন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

দৈনিক বণিক বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, এফএও বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রবার্ট ডি সিম্পসন এবং ইউএসএআইডি বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন স্টিভেন্স উপস্থিত ছিলেন। 

বাণিজ্যমন্ত্রী তার অভিযোগের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, পেঁয়াজের কথা ধরেন। পেঁয়াজের জ্বালায়ই আমি অস্থির হয়ে পড়েছি। কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান বলছে আমাদের দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ২৫ থেকে ২৬ লাখ মেট্রিক টন। বছরে আমাদের প্রয়োজন ২৪ থেকে ২৫ লাখ টন মেট্রিক টন। যদি এই হয়, তাহলে আমদানি কেন? এমন প্রশ্ন আসাটাই স্বাভাবিক।’

সেক্ষেত্রে পচনশীল পণ্য বলে উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রায় ২০ শতাংশ নষ্ট হয়, তাও উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

সঠিক তথ্য না পাওয়ার আরেকটি উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘গত বছর কৃষি মন্ত্রণালয় হিসাব দিলো আমাদের দেশে ১ কোটি ৫ লাখ টনের মতো আলু উৎপাদন হবে। আর আমরা ৭০-৭৫ লাখ টন আলু খাই। তার মানে আলু সারপ্লাস থাকবে। কিন্তু গত বছরের বাজারের চিত্র কিন্তু সেটা বলে না। 

তিনি বলেন, গত বছর আলুর দাম ৪০ টাকায় ঠেকলো। কোল্ডস্টোরেজ থেকে মজুত করা আলু বের হতে হতে আলু ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা হয়ে গেল। অথচ আলু এক্সপোর্টও হলো না। তার মানে হিসাবে একটা গণ্ডগোল রয়েছে। আর সেটি হচ্ছে, হয় আলুর উৎপাদন কম হয়েছে, নয়তো আলুর চাহিদা আরও বেশি। আসলে পণ্যের মজুত ও চাহিদা সম্পর্কে কৃষি মন্ত্রণালয় সঠিক তথ্য দেয় না।
 
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকেই আমাদের পেঁয়াজ কমতে থাকে। তখন ভারত থেকে আনতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভারতের ওপর আমরা ৯০ শতাংশ নির্ভরশীল। ভারত বন্ধ করে দিলে অথবা দাম বাড়ালে এর প্রভাব আমাদের বাজারে পড়ে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি কৃষিবিদদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা পেঁয়াজের এমন বীজ আনেন যাতে সেপ্টেম্বর অক্টোবরে আমরা পেঁয়াজ পাই। উৎপাদন বাড়ানো গেলে এবং নষ্ট হওয়ার পরিমাণ কমলে আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে পেঁয়াজের বাজারে কোনও সমস্যা হবে না।

/এসআই/ইউএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অংশ নেবে ৩৮ দেশ

ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অংশ নেবে ৩৮ দেশ

টিসিবির পণ্য পাওয়া যাবে বুধবার থেকে

টিসিবির পণ্য পাওয়া যাবে বুধবার থেকে

ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণে নতুন আইনের প্রয়োজনীয়তা যাচাইয়ে সাব-কমিটি

ই-কমার্স নিয়ন্ত্রণে নতুন আইনের প্রয়োজনীয়তা যাচাইয়ে সাব-কমিটি

চাল আমদানিতে এলসি খোলার সময় ৭ দিন বাড়লো

চাল আমদানিতে এলসি খোলার সময় ৭ দিন বাড়লো

মাস্টারকার্ড ও ব্র্যাক ব্যাংক নিয়ে এলো ‘মিলেনিয়াল টাইটেনিয়াম ক্রেডিট কার্ড’

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৭:০১

মাস্টারকার্ড ও ব্র্যাক ব্যাংক দেশের তরুণদের জন্য 'মাস্টারকার্ড মিলেনিয়াল টাইটেনিয়াম ক্রেডিট কার্ড' চালুর ঘোষণা দিয়েছে।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় তারা।

দেশের মিলেনিয়াল প্রজন্ম এবং কর্মজীবী তরুণদের লাইফস্টাইলের কথা ভেবে ও তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে এই কার্ড চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

মাস্টারকার্ড জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের ‘ডিজিটাল-ফার্স্ট’ প্রজন্মের মধ্যে ব্যয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে থাকায় মাস্টারকার্ড ও ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন এই কার্ড মিলেনিয়াদের ব্যক্তি বিশেষের চাহিদা-মাফিক আর্থিক সমাধান এনে দিবে। এই কার্ডের নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য ‘ওয়েলকাম প্যাক’ হিসেবে থাকছে ই-কমার্স পোর্টাল, পোশাকের দোকান, বিউটি সেলুন ও কফি শপগুলোতে কেনাকাটার বিপরীতে ক্যাশব্যাক, ভাউচার, ডিসকাউন্ট বা মূল্যছাড়সহ অতুলনীয় রিওয়ার্ডস ও সুবিধা।

পাশাপাশি তাদের জন্য রয়েছে দেশের সাড়ে ৫ হাজারের বেশি পার্টনার আউটলেটে- গ্রোসারি বা মুদিপণ্য ও অনলাইনভিত্তিক কেনাকাটায় বোনাস পয়েন্ট রিওয়ার্ড, হোটেলে অবস্থানকালে বাই-ওয়ান-গেট-ওয়ান (বোগো) সুবিধা, ডাইনিং ও বিভিন্ন লাইফস্টাইল অফার।

কার্ডহোল্ডারদের জন্য আরও থাকছে এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে বছরে ২টি কমপ্লিমেন্টারি ভিজিট ও ভ্রমণের ক্ষেত্রে ৫ হাজার ইউএস ডলার এনডোর্স করার বিপরীতে ৫০০ বোনাস পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ।

এছাড়াও এই কার্ড ব্যবহার করে মিলেনিয়ালরা কোনও ইন্টারেস্ট ছাড়াই রিটেইল পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন। ‘মাস্টারকার্ড মিলেনিয়াল টাইটেনিয়াম ক্রেডিট কার্ড’ ব্যবহার করে গ্লোরিয়া জিন্স, নর্থ-অ্যান্ড কফি, ক্রিমসন কাপ, কুপার্স, ডোমিনোজ পিৎজাতে মাসে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা খরচে ১ হাজার রিওয়ার্ড পয়েন্ট জেতার সুযোগ থাকবে, উইকেন্ডে নির্ধারিত গ্রোসারি বা মুদিপণ্যের দোকানে কেনাকাটায় মাসিক ভিত্তিতে দ্বিগুণ বোনাস রিওয়ার্ড পয়েন্ট এবং নির্দিষ্ট অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপে ১৫% পর্যন্ত ক্যাশব্যাকসহ বছরজুড়ে আরও নানা সুবিধা থাকছে।

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন বলেন, “সবার জন্য একটি নতুন প্রজন্মের ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে মাস্টারকার্ডের সাথে যৌথভাবে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মিলেনিয়াল প্রজন্মের জন্য মিলেনিয়াল ক্রেডিট কার্ড চালুর ঘোষণা দিতে পেরে ব্র্যাক ব্যাংক অত্যন্ত আনন্দিত। ব্র্যাক ব্যাংক আশা করে, সর্বাধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা তরুণ প্রজন্মের হাতের নাগালে এনে দেওয়ার এই চেষ্টা শুধু তাদের দৈনন্দিন জীবনধারার চাহিদাই পূরণ করবে না, বরং এর পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে।”

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই মিলেনিয়াল প্রজন্মের। তাই ধারাবাহিক পরিবর্তনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর এই প্রজন্মকে নগদবিহীন অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতির লেনদেনে অভ্যস্ত করে তোলার অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের সাথে বাংলাদেশে এই ধরনের কার্ডসেবা প্রথম চালু করতে পেরে মাস্টারকার্ড অত্যন্ত আনন্দিত।”

এছাড়া, তরুণ প্রজন্মের প্রিয়মুখ নেমেসিস ব্যান্ড দলের ভোকালিস্ট জোহাদ রেজা চৌধুরী এবং অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন দুজনই মাস্টারকার্ড মিলেনিয়াল ক্রেডিট কার্ডের ফিচারগুলো নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। তাই তরুণ প্রজন্মের কাছে এই কার্ডের প্রচারণা করবেন তারা।

/এসও/এমএস/

সম্পর্কিত

নির্মাণে নতুন দিন আনছে কংক্রিট ব্লক

নির্মাণে নতুন দিন আনছে কংক্রিট ব্লক

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

কৃষি মন্ত্রণালয় সঠিক তথ্য দেয় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

কৃষি মন্ত্রণালয় সঠিক তথ্য দেয় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত

সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

অর্ধেকে নেমেছে সিলিন্ডার বিক্রি, বেড়েছে লাকড়ির দাম

অর্ধেকে নেমেছে সিলিন্ডার বিক্রি, বেড়েছে লাকড়ির দাম

একমাসে এলপিজিতে দাম বেড়েছে ৩০০ টাকা

একমাসে এলপিজিতে দাম বেড়েছে ৩০০ টাকা

বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম, ১০ টাকার ভাড়া ১৫

বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম, ১০ টাকার ভাড়া ১৫

ভোলায় নতুন তিনটি গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান

ভোলায় নতুন তিনটি গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান

ফিলিং স্টেশনের আড়ালে গ্যাস মজুত, চড়া দামে বিক্রি

ফিলিং স্টেশনের আড়ালে গ্যাস মজুত, চড়া দামে বিক্রি

বকেয়া বিল ৭২ লাখ টাকা, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস

বকেয়া বিল ৭২ লাখ টাকা, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস

গ্যাস লিকেজ শনাক্ত করবে মোবাইল কার

গ্যাস লিকেজ শনাক্ত করবে মোবাইল কার

সর্বশেষ

আইডি নাম্বার পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

আইডি নাম্বার পাচ্ছে সব সিটি ও পৌর সড়ক

নতুন বিপদে ব্রিটিশ তরুণীরা, ফোটানো হচ্ছে সুচ

নতুন বিপদে ব্রিটিশ তরুণীরা, ফোটানো হচ্ছে সুচ

নীলফামারীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্ষতি ১৫ কোটি টাকা

নীলফামারীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্ষতি ১৫ কোটি টাকা

সুদানের প্রধানমন্ত্রী গৃহবন্দি, আটক চার মন্ত্রী

সুদানের প্রধানমন্ত্রী গৃহবন্দি, আটক চার মন্ত্রী

রূপসার শিয়ালীর মন্দিরে হামলা মামলায় ২৩ আসামি জেলে

রূপসার শিয়ালীর মন্দিরে হামলা মামলায় ২৩ আসামি জেলে

সোহেলেই আটকে আছে ই-অরেঞ্জের তদন্ত

সোহেলেই আটকে আছে ই-অরেঞ্জের তদন্ত

নির্মাণে নতুন দিন আনছে কংক্রিট ব্লক

নির্মাণে নতুন দিন আনছে কংক্রিট ব্লক

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট পর মারা গেলেন স্ত্রী 

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট পর মারা গেলেন স্ত্রী 

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

সোমবার রাতে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না

আজ গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

আজ গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

ঢাকা শহরের উত্তরাংশসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট

ঢাকা শহরের উত্তরাংশসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট

গ্যাস দুর্ঘটনায় আহত-নিহতদের সহায়তা দিতে তহবিল গঠনের পরামর্শ

গ্যাস দুর্ঘটনায় আহত-নিহতদের সহায়তা দিতে তহবিল গঠনের পরামর্শ

ক্রস চেকের মাধ্যমে ডিমান্ড নোটের টাকা ফেরত দেবে তিতাস

ক্রস চেকের মাধ্যমে ডিমান্ড নোটের টাকা ফেরত দেবে তিতাস

© 2021 Bangla Tribune