X
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

‘নগর দরিদ্রদের কর্মসংস্থানে কাজ করছে ডিএনসিসি’

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:২৮

নগর দরিদ্রদের কর্মসংস্থানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা।

তিনি বলেছেন, দক্ষতা এবং ন্যূনতম বিনিয়োগের সুবিধা না থাকায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কম মজুরিতে শ্রম বিক্রি করতে হয়, যা দারিদ্র্য বিমোচনের অন্তরায়। এ পরিস্থিতিতে সমাজে শিক্ষা গ্রহণে অপারগতা, বাল্যবিবাহ, পারিবারিক নির্যাতন, অপুষ্টিসহ বিভিন্ন সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দক্ষ জনবল এবং সহায়ক কর্মপরিবেশ এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে সাহায্য করতে পারে। নগর দরিদ্রদের দক্ষ জনবল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ, ফরেন কমনওয়েলথ ডেভেলপমেন্ট অফিস, ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের  বাস্তবায়নাধীন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প কাজ করছে।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভাসানটেক উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত শিক্ষানবীশ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে উপকরণ ও সনদপত্র বিতরণ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমাদের দেশ প্রতিনিয়ত উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। উন্নয়নের পথে নানা আয়োজনে আমরা সমৃদ্ধ। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প নগর দারিদ্র্য হ্রাসে একটি মডেল হিসেবে কাজ করছে। এই প্রকল্পের আওতায় কমিউনিটিভিত্তিক সংগঠনগুলো দরিদ্র বসতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র প্রশিক্ষণ ও সহায়ক পরিবেশে উপার্জন বাড়িয়ে সংসারে স্বচ্ছলতা আনলেই দায়িত্ব শেষ হলো না। আমাদের সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ, বাল্যবিবাহ, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন দূর করতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি মানবিক, উদার, বিজ্ঞানমনস্ক একটি উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হবে।’

জানা গেছে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ভাসানটেক এলাকায় অবস্থিত দরিদ্র বসতিতে গঠিত ‘ভোরের আলো’ ক্লাস্টারের বাছাইকৃত হতদরিদ্র সদস্যদের প্রশিক্ষণ শেষে ১৫০টি পাদানিসহ সেলাই মেশিন, ৩০টি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স, ৩০ জনকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সনদপত্র, ১০টি বিউটি পার্লার বক্স প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে তাদের শ্রম এবং সময়ের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে বলা আশা করা যায়। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ১৯টি দরিদ্র বসতিতে কমিউনিটি টয়লেট, হাঁটাপথ, নর্দমা, সোলার লাইট ও ফায়ার হাইড্রেন্ট নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়।

ডিএনসিসির প্রধান সমাজ কল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. সালেক মোল্লা, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর সাহিদা আক্তার শিলা প্রমুখ।

 

/এসএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

চোরাই গার্মেন্ট পণ্য রাখতে গোডাউন ভাড়া!

চোরাই গার্মেন্ট পণ্য রাখতে গোডাউন ভাড়া!

৫ লাখ ৭৭ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হলো আজ

৫ লাখ ৭৭ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হলো আজ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের রাস্তা সম্প্রসারণে দক্ষিণ সিটির উচ্ছেদ অভিযান

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের রাস্তা সম্প্রসারণে দক্ষিণ সিটির উচ্ছেদ অভিযান

শিশু তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

শিশু তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

রাজধানীতে মাদকসহ গ্রেফতার ৫০ 

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২২

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকসহ ৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘২১ সেপ্টেম্বর সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।’

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৬৭৯ পিস ইয়াবা, ১৫৮ গ্রাম ৫৫ পুরিয়া হেরোইন, ৪ কেজি ৩১০ গ্রাম ৭৫ পুরিয়া গাঁজা ও ১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৩টি মামলা হয়েছে।

/এআরআর/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির সার্ভারে অপরাধের ফুটপ্রিন্ট!

ইভ্যালির সার্ভারে অপরাধের ফুটপ্রিন্ট!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ঝুমন দাশের জামিনাদেশ ২৩ সেপ্টেম্বর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ঝুমন দাশের জামিনাদেশ ২৩ সেপ্টেম্বর

প্রথম আলোর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার রুল

প্রথম আলোর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার রুল

অনিয়মের অভিযোগে স্বাস্থ্যের ২৮৩৯ পদে নিয়োগ বাতিল

অনিয়মের অভিযোগে স্বাস্থ্যের ২৮৩৯ পদে নিয়োগ বাতিল

৭১ লাখ ফাইজার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০৪

কোভ্যাক্স-এর আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৭১ লাখ ফাইজার এবং ১৮ লাখ মডার্নার টিকা বরাদ্দ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুকে পেইজে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।

প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার জানান, ফাইজারের ৭১ লাখ ডোজ টিকা যুক্তরাষ্ট্রের অনুদান ও মডার্নার ১৮ লাখ ডোজ টিকা নিয়মিত কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় পাবো। বরাদ্দকৃত এই টিকা চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশের জন্য পাঠানো হবে। এই সময়ে আরও ভ্যাকিসন বরাদ্দ পেতে আশাবাদী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশের জন্য কোভিড প্রতিষেধক টিকা বরাদ্দ রাখায় যুক্তরাষ্ট্র ও কোভ্যাক্সকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

/এলকে/

সম্পর্কিত

৫ লাখ ৭৭ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হলো আজ

৫ লাখ ৭৭ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হলো আজ

অনিয়মের অভিযোগে স্বাস্থ্যের ২৮৩৯ পদে নিয়োগ বাতিল

অনিয়মের অভিযোগে স্বাস্থ্যের ২৮৩৯ পদে নিয়োগ বাতিল

ডেঙ্গু: ২১ দিনে আক্রান্ত ৫৮৬৬, মৃত্যু ১৩ 

ডেঙ্গু: ২১ দিনে আক্রান্ত ৫৮৬৬, মৃত্যু ১৩ 

বিমানবন্দরে খোলা জায়গায় ল্যাব বসানোর বিপক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

বিমানবন্দরে খোলা জায়গায় ল্যাব বসানোর বিপক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

নজরদারির অভাবেই পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু!

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৩

সাত মাসে আগে উঠান উঁচু করার জন্য মিজানুর রহমানের বাড়ির পাশের জমি থেকে মাটি কেটে নেন স্থানীয়রা। মাটি কাটার কারণে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সেই জায়গার গর্ত পানিভর্তি হয়ে যায়। আর সেই গর্তের পানিতে ডুবে গত ১৪ সেপ্টেম্বর মারা যায় মিজানুর রহমানের তিন বছরের মেয়ে ময়না।

এ ছাড়া গত ১৭ সেপ্টেম্বরে নীলফামারীর সৈয়দপুরে নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়েছে জয়ন্ত শীল নামের ১৪ বছরের এক কিশোর। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীর ৫ কিমি এরিয়ায় উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও কোনও হদিস মেলেনি।

গত নয় সেপ্টেম্বর ভোলার লালমোহন উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায় পাঁচ বছরের সাঈদ আর চার বছরের মীম। দুপুরের দিকে শিশু দুটি খেলতে গিয়ে পাশের পুকুরে পড়ে যায়। অনেকটা সময় তাদের দেখতে না পেয়ে পরিবার খুঁজতে থাকে। পরে শিশু দুটির শরীর পুকুরে ভাসতে দেখা গেলে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর দুই শিশুর মৃত্যু হয় পুকুরের পানিতে পড়ে। পাঁচ বছরের তানিশা আর চার বছরের নুসরাত দুপুরে বাড়ির পাশে পুকুরঘাটে খেলছিল। কিন্তু দীর্ঘসময় তাদের সাড়া শব্দ না পেয়ে স্বজনরা খোঁজ শুরু করেন। এ সময় পুকুরপাড়ে গিয়ে শিশু দুটিকে পানিতে ভাসতে দেখে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা শিশু দুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

পানিতে ডুবে মৃত্যু দেশের তৃতীয় শিশুমৃত্যুর কারণ। কিন্তু কোনও এক অজানা কারণে পানিতে ডুবে মৃত্যু গুরুত্ব পায় না। থেকে যায় নীতিনির্ধারকদের আলোচনার বাইরে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৪ সালের বৈশ্বিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর ৪৩ শতাংশের কারণ পানিতে ডুবে মৃত্যু। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছে, পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনাগুলো জাতীয়ভাবে কার্যকর তথ্যায়ন ব্যবস্থা না থাকায় বেশিরভাগ ঘটনাই গণমাধ্যমে উঠে আসে না। ফলে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায় না।

পানিতে ডুবে মৃত্যু নিয়ে দেশে জাতীয়ভাবে সর্বশেষ জরিপটি হয়েছে ২০১৬ সালে। স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ পরিচালিত আরেক জরিপে দেখা যায়, প্রতিবছর সব বয়সী প্রায় ১৯ হাজার মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়। এদের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি অর্থাৎ আনুমানিক ১৪ হাজার ৫০০ জনই ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু।

অন্যভাবে বলা যায়, দেশে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ জন অনূর্ধ্ব ১৮ বছরের শিশুরা পানিতে ডুবে প্রাণ হারায়। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রতিদিন প্রায় ৩০ জন। অর্থাৎ বছরে প্রায় ১০ হাজার। আর সকল বয়সের মধ্যে গড়ে ৫১ জন পানিতে ডুবে মারা যান।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশের তুলনায় বাংলাদেশে পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার পাঁচ গুণ বেশি।
বাংলাদেশ সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চের (সিআইপিআরবি) করা জরিপে দেখা গেছে, ৬৮ শতাংশ পানিতে ডোবার ঘটনা ঘটে সকাল নয়টা থেকে দুপুর একটার মধ্যে। আর বেশিরভাগই ঘটে পুকুরে (৬৬ শতাংশ) এবং বাড়ি থেকে ৪০ কদমের মধ্যে অবস্থিত খাদে (১৬ শতাংশ)। আর রয়েল লাইফ সেভিং সোসাইটি (আরএলএসএস) প্রতিবেদন অনুযায়ী, কমনওয়েলথ দেশগুলোর মধ্যে পানিতে ডুবের মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ পঞ্চম শীর্ষ দেশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২০ সালের স্যাম্পল ভাইটাল স্টাটিসটিকস এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার নয় দশমিক সাত শতাংশ। সেই তুলনায় শহরাঞ্চলে এই হার সাত শতাংশ। একই বয়সী শিশুদের নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হারের পরই পানিতে ডুবে মৃত্যুর হারের অবস্থান।

বাংলাদেশে পানিতে ডুবে মৃত্যু নিয়ে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সমষ্টি। তাদের গবেষণায় এসেছে, গত ১৯ মাসে পানিতে ডুবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কুড়িগ্রাম জেলায় আর বিভাগ ভিত্তিক পরিসংখ্যানে চট্টগ্রাম বিভাগে। ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ২৩ জুলাই পর্যন্ত করা এ গবেষণায় দেখা গেছে, পানিতে ডুবে মৃতদের ৯১ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের কম।

আর চার বছর বা কম বয়সীদের মধ্যে পানিতে ডুবে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি, ৫৬২ জন (৪২ শতাংশ)। পাঁচ থেকে নয় বছর বয়সের রয়েছে ৪৬২ জন, (৩৫ শতাংশ), ১০-১৪ বছরের ১৫২ জন এবং ১৫-১৮ বছরের ৩৮ জন। ১১৮ জনের বয়স ছিল ১৮ বছরের বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, পানিতে ডুবে যাওয়ার ৭৯ শতাংশ ঘটনা দিনের বেলায় হয়। তার মধ্যে আবার  সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে ৫৩৭ জন এবং দুপুর থেকে সন্ধ্যার আগে ৫১৭ জন মারা যায়। তবে রাতেও পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

সমষ্টি জানায়, বর্ষাকাল ও এর আগে-পরের মাসগুলোতে (জুন-অক্টোবর) পানিতে ডুবে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ২০২০ সালে সর্বোচ্চ ১৩২ জন মারা যায় আগস্ট মাসে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল জুলাই মাসে ১২৪ জন।
পরিবারের সদস্যদের যথাযথ নজরদারি না থাকায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পানিতে ডোবার ঘটনা ঘটে জানিয়ে সমষ্টি জানাচ্ছে, পানিতে ডুবে এক হাজার ৩৩২টি মৃত্যুর ৯৭ শতাংশ (এক হাজার ৩০৫) ঘটেছে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে।  

সমষ্টির পরিচালক মীর মাসরুর জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পানিতে ডুবে মৃত্যুরোধে শিশুদের সাতার শেখানো খুবই জরুরি। সেইসঙ্গে যেহেতু পরিবারের সদস্যদের অগোচরে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটে তাই শিশুদের এ সময়ে দেখাশোনা করে রাখার মতো ব্যবস্থা করতে হবে। বাড়ির পাশে কোনও জলাশয় থাকলে তাকে ঘেরাও দিয়ে রাখতে হবে। আবার সাতার শেখার আগের বয়সেই যেহেতু শিশুদের ডুবে মৃত্যু হচ্ছে; আবার অনেক সময় বালতি, হাড়ির পানিতেও ডুবে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে; সেজন্য অভিভাবকদের অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে।

শহরের ডে কেয়ার সেন্টারের মতো, যেখানে বাবা-মা কাজ করতে গেলে যেন বাচ্চাকে কেউ দেখে রাখতে পারে, বলেন তিনি।

তবে এসব কার্যক্রমের কিছু কাজ হচ্ছে, সেটা সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে কিন্তু এ কার্যক্রমকে স্থায়ীত্বশীল করার জন্য সরকারের নিজস্ব উন্নয়ন প্রকল্প জরুরি বলে মনে করেন তিনি। যদিও সরকার ইতোমধ্যে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর বিষয়টি একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এ নিয়ে ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) তৈরি হয়েছে এবং সেটি এখন একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, বলেন মীর মাসরুর জামান।

পানিতে ডুবে মৃত্যু নিয়ে পলিসি অ্যাক্টিভিস্ট সদরুল হাসান মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, শিশু মৃত্যুর ক্ষেত্রে পানিতে ডুবে মৃত্যু তৃতীয় কারণ। আর পানিতে ডুবে সবচেয়ে বেশি শিশুর মৃত্যু হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে দুপুর একটার ভেতরে। তাই পাঁচ বছরের শিশুদের সকাল নয়টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত দেখভাল করার মতো প্রাতিষ্ঠানিক সুপারভিশনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর এটা করতে হবে মহল্লাভিত্তিক থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত।

আর প্রাতিষ্ঠানিক সুপারভিশনের ব্যবস্থা করা গেলে শতকরা ৮০ শতাংশ আর পাঁচ বছর হবার সঙ্গে সঙ্গে শিশুকে সাতার শেখানো গেলে প্রায় ৯০ শতাংশ মৃত্যু ঝুঁকি কমে যায়, বলেন সদরুল হাসান মজুমদার।

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

ইভ্যালির সার্ভারে অপরাধের ফুটপ্রিন্ট!

ইভ্যালির সার্ভারে অপরাধের ফুটপ্রিন্ট!

দুই এলাকায় জরিপ: সবচেয়ে বেশি দূষণ করছে কোকাকোলা ও প্রাণ আরএফএল

দুই এলাকায় জরিপ: সবচেয়ে বেশি দূষণ করছে কোকাকোলা ও প্রাণ আরএফএল

ভাষা সৈনিক আহমদ রফিককে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার আহ্বান

ভাষা সৈনিক আহমদ রফিককে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার আহ্বান

ডিমেনশিয়া রোগীদের জন্য বিশেষ নীতিমালা তৈরির দাবি

ডিমেনশিয়া রোগীদের জন্য বিশেষ নীতিমালা তৈরির দাবি

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫৫

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি বাড়ানো ও পড়ার ঘাটতি পূরণে শিক্ষকদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম স্বাক্ষরিত নির্দেশনা জারি করা হয়। নতুন নির্দেশনা ঠিকমত বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা দেখভাল করতে আলাদা আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

এর জন্য সকল বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

১১ দফা নির্দেশনা

১। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্ট্রারে সংরক্ষণ করতে হবে। তাতে শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণি, রোল, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, কী কারণে অনুপস্থিত, গৃহীত পদক্ষেপসহ অন্যান্য বিষয় উল্লেখ থাকবে।

২। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করবেন শিক্ষকরা। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে হোম ভিজিট করতে হবে।

৩। প্রতিটি বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির (শ্রেণিভিত্তিক) হার নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। উপস্থিতির ঘাটতি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

৪। কোভিড-১৯ প্রভাবজনিত শিখন ঘাটতি পূরণে শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীদের পারঙ্গমতা যাচাই করে বিভিন্ন দলে ভাগ করে শ্রেণিশিক্ষক ও বিষয় শিক্ষকদের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড নির্দেশিত পাঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

৫। অনলাইন ক্লাস চলমান থাকবে। সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সম্প্রচারিত 'ঘরে বসে শিখি’র পাঠদান কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে।

৬। বিদ্যালয়ের বিষয় শিক্ষক ও শ্রেণি শিক্ষকরা শ্রেণিভিত্তিক প্রতিটি শিশুর শিখন যোগ্যতার প্রোফাইল (শিখন ঘাটতি পরিস্থিতি) প্রণয়ন করে এ সম্পর্কিত অগ্রগতির রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন।

৭। শিক্ষার্থীর ধারাবাহিক মূল্যায়নে শ্রেণির কাজ, বাড়ির কাজ (ওয়ার্ক শিট) যাচাইকরণে একই শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঘাটতি নিরূপণে শিক্ষকদের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

৮। প্রধান শিক্ষক, শ্রেণি শিক্ষক, বিষয় শিক্ষক এবং কর্মচারীদেরকে শিক্ষার্থীদের মনো-সামাজিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করে সহনশীল ও মানবিক আচরণ করতে হবে।

৯। প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রতিদিন ২টি শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রুটিন অনুযায়ী যেসকল শিক্ষকের পাঠদান কার্যক্রম থাকবে না তারা বিদ্যালয়ে বসে অবশিষ্ট ৩টি শ্রেণির জন্য গুগল মিট-এ (যেখানে সম্ভব) কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

১০। মাঠপর্যায়ের প্রত্যেক মেন্টরকে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ থেকে প্রেরিত মেন্টরিং গাইডলাইন (মেন্টরদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সংক্রান্ত) ও মেন্টরিং টুলস অনুসরণ করে নিজ দায়িত্ব পালনে সচেতন হতে হবে।

১১। সকল ক্ষেত্রে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

 

 

/এসএমএ/এফএ/

সম্পর্কিত

ডিগ্রি স্তরের ৮৪১ শিক্ষককে এমপিওভুক্তির নির্দেশ

ডিগ্রি স্তরের ৮৪১ শিক্ষককে এমপিওভুক্তির নির্দেশ

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর

অনলাইনে দুই শিফটে প্রশিক্ষণের জন্য অতিরিক্ত ভাতা ৩০ শতাংশ

অনলাইনে দুই শিফটে প্রশিক্ষণের জন্য অতিরিক্ত ভাতা ৩০ শতাংশ

১৮ অক্টোবর প্রাথমিকে শেখ রাসেল দিবস পালনের নির্দেশ

১৮ অক্টোবর প্রাথমিকে শেখ রাসেল দিবস পালনের নির্দেশ

চোরাই গার্মেন্ট পণ্য রাখতে গোডাউন ভাড়া!

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫০

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে আগে থেকেই গোডাউন ভাড়া করে রাখতো গার্মেন্ট পণ্য চোর চক্রের সদস্যরা। পণ্য পরিবহনকারী কাভার্ডভ্যানের চালকদের সঙ্গে যোগসাজশ থাকে এই চক্রের সদস্যদের। পণ্যসহ কাভার্ডভ্যান নিয়ে ওইসব গোডাউনের সামনে যায় চালকরা। শ্রমিকদের মাধ্যমে কাভার্ডভ্যান থেকে পণ্যভর্তি কার্টন নামিয়ে গোডাউনে ঢোকানো হয়। এরপর কার্টন থেকে পণ্য বের করে নেয় তারা।

তবে ওজন ঠিক রাখতে কখনও কখনও কার্টনের ভেতরে ইট-পাথর ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এরপর চালকরা কার্টনগুলো পুনরায় কাভার্ডভ্যানে তুলে চট্টগ্রাম বন্দরের নির্দিষ্ট সিঅ্যান্ডএফের কাছে নিয়ে যায়। অপরদিকে আরেক কাভার্ডভ্যানে করে চোরাই পণ্য নেওয়া হয় ঢাকা অথবা চট্টগ্রামে।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় নেটওয়ার্ক ক্লোথিং লিমিটেড নামে একটি গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠান কাভার্ডভ্যান থেকে তাদের পণ্য চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করে। মামলায় চট্টগ্রামে শিপমেন্ট পাঠানোর পথে কাভার্ডভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য চুরি হওয়ার অভিযোগ করা হয়। ওই মামলার তদন্তে নেমে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিম ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই গার্মেন্ট পণ্য উদ্ধার করা হয়। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে গোয়েন্দা পুলিশ।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা বলেন, ‘চোর চক্রের সদস্যরা অভিনব কায়দায় গার্মেন্ট পণ্য চুরি করে। প্রত্যেকটি চুরির সঙ্গে কাভার্ডভ্যান চালকরা জড়িত। চোর চক্রের একাধিক সিন্ডিকেটের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।’

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, চোর চক্রের সঙ্গে কাভার্ডভ্যান পরিবহন মালিক ও ছোট ছোট কিছু বায়িং হাউজ জড়িত। সংঘবদ্ধ এই চক্রের সদস্যরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় আগে থেকেই গোডাউন ভাড়া করে রাখে। চালকের যোগসাজশে গার্মেন্ট প্রতিষ্ঠানের পণ্য পরিবহনের সময় কাভার্ডভ্যান সেই গোডাউনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কাভার্ডভ্যান থেকে বিদেশে রফতানি করা পণ্য শিপমেন্টের প্যাকেট থেকে সরিয়ে ফেলে চোর চক্রের সদস্যরা।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে চোর চক্রের সদস্যরা জানিয়েছে, তারা পণ্যের প্যাকেটগুলো কাভার্ডভ্যান থেকে নামিয়ে নিচের দিকে কেটে প্রতি প্যাকেট থেকে ৪ থেকে ৬টি করে পোশাক বের করে স্কচটেপ দিয়ে আবার লাগিয়ে দেয়। কখনও কখনও প্যাকেটের ওজন ঠিক রাখতে ভেতরে ইট-পাথরের টুকরা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। সেই প্যাকেট আবারও কাভার্ডভ্যানে তুলে নির্দিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কাছে পৌঁছে দেয় তারা।

গোয়েন্দা পুলিশ ও গার্মেন্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদেশে রফতানির জন্য পাঠানো তৈরি পোশাক বা গার্মেন্ট পণ্য চুরির বিষয়টি জানা যায় কম। পণ্য বিদেশে নির্দিষ্ট ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর পর সংখ্যার গরমিল হওয়ায় গার্মেন্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারে। এর ফলে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশের গার্মেন্ট কর্তৃপক্ষকে দোষারোপ করে। এতে দেশীয় গার্মেন্ট কর্তৃপক্ষের সুনাম নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অনেক সময় বিপুল পরিমাণ জরিমানাও গুনতে হয়।

পণ্য চুরিতে সক্রিয় ১০ চক্র

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, গার্মেন্ট পণ্য চুরিতে ঢাকা-চট্টগ্রামকেন্দ্রিক অন্তত ১০টি চক্রের সন্ধান পেয়েছেন। এরমধ্যে অন্যতম একজন হলো সাহেদ ওরফে সিলেটি সাঈদ। সম্প্রতি তাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। সিলেটি সাঈদ একসময় একাধিক কাভার্ডভ্যানের মালিক ছিল। নিজের কাভার্ডভ্যান দিয়ে গার্মেন্ট পণ্য পরিবহন করতে গিয়ে নিজেই একটি চোর সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। অন্তত একযুগ ধরে পণ্য চুরি করে আসছিল এই সিলেটি সাঈদ। চুরির টাকায় কাটাতো বিলাসী জীবনও।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, তারা আরও যেসব চক্রের সন্ধান পেয়েছেন, তার মধ্যে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ও বায়িং হাউজের কর্ণধারও রয়েছে। চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, একাধিক চক্রের সদস্যদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

হাইওয়ে পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, গার্মেন্ট পণ্য চুরির সিন্ডিকেটের সদস্যরা নারায়ণগঞ্জ, কাঁচপুর এলাকায় গোডাউন ভাড়া করে রাখে। কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত গোডাউন নেই বললেই চলে। চুরি ঠেকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

৫ লাখ ৭৭ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হলো আজ

৫ লাখ ৭৭ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হলো আজ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের রাস্তা সম্প্রসারণে দক্ষিণ সিটির উচ্ছেদ অভিযান

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের রাস্তা সম্প্রসারণে দক্ষিণ সিটির উচ্ছেদ অভিযান

শিশু তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

শিশু তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

পৃথক দুই মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের জামিন

পৃথক দুই মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের জামিন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

চোরাই গার্মেন্ট পণ্য রাখতে গোডাউন ভাড়া!

চোরাই গার্মেন্ট পণ্য রাখতে গোডাউন ভাড়া!

৫ লাখ ৭৭ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হলো আজ

৫ লাখ ৭৭ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হলো আজ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের রাস্তা সম্প্রসারণে দক্ষিণ সিটির উচ্ছেদ অভিযান

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের রাস্তা সম্প্রসারণে দক্ষিণ সিটির উচ্ছেদ অভিযান

শিশু তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

শিশু তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

পৃথক দুই মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের জামিন

পৃথক দুই মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের জামিন

ডিগ্রি স্তরের ৮৪১ শিক্ষককে এমপিওভুক্তির নির্দেশ

ডিগ্রি স্তরের ৮৪১ শিক্ষককে এমপিওভুক্তির নির্দেশ

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর

অনলাইনে দুই শিফটে প্রশিক্ষণের জন্য অতিরিক্ত ভাতা ৩০ শতাংশ

অনলাইনে দুই শিফটে প্রশিক্ষণের জন্য অতিরিক্ত ভাতা ৩০ শতাংশ

১৮ অক্টোবর প্রাথমিকে শেখ রাসেল দিবস পালনের নির্দেশ

১৮ অক্টোবর প্রাথমিকে শেখ রাসেল দিবস পালনের নির্দেশ

ডেঙ্গু: ২১ দিনে আক্রান্ত ৫৮৬৬, মৃত্যু ১৩ 

ডেঙ্গু: ২১ দিনে আক্রান্ত ৫৮৬৬, মৃত্যু ১৩ 

সর্বশেষ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

ঘরের আড়ায় ঝুলছিল মা, বিছানায় শিশুর লাশ

ভালো স্কোর করতে পারেননি রোমান সানা

ভালো স্কোর করতে পারেননি রোমান সানা

সৌদিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

সৌদিতে বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে পড়ে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

মোস্তাফিজদের অধিনায়কের জরিমানা  

মোস্তাফিজদের অধিনায়কের জরিমানা  

তালেবানের অংশগ্রহণ চায় পাকিস্তান, বাতিল হলো সার্ক বৈঠক: এএনআই

তালেবানের অংশগ্রহণ চায় পাকিস্তান, বাতিল হলো সার্ক বৈঠক: এএনআই

© 2021 Bangla Tribune