বাংলাদেশ দলের হেড কোচ টমাস ডুলি এবার সহকারী কোচ হিসেবে ভিয়েতনামের নগুয়েন হোয়াং ল্যানকে বেছে নিয়েছেন। নগুয়েনের কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা থাকলেও তার লাইসেন্স নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এএফসি সি লাইসেন্স থাকায় তাকে নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তবে নগুয়েনের পক্ষেই কথা বলেছেন ডুলি। তার যুক্তি, ‘হ্যাঁ, লাইসেন্স থাকা সবাই যে ভালো কোচ তা নয়, আবার নিচু স্তরের লাইসেন্স থাকা সবাই যে ফুটবল সম্পর্কে কিছুই জানে না, তাও নয়। পেশাদার ফুটবলে এমন অনেক সহকারী কোচ আছেন, যারা কখনও ফুটবল খেলেনইনি। প্রিমিয়ার লিগে খেলা সব পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়ই যে ভালো কোচ হবেন, এমন কোনো কথা নেই।’
উদাহরণ হিসেবে জার্মানিকে সামনে আনেন ডুলি। তার কথা, ‘ইউর্গেন ক্লপ এমন একজন সহকারী কোচকে নিয়োগ দিয়েছিলেন, যিনি মাঠেও নামতেন না! একজন কৌশলী উপদেষ্টা, আপনি তাকে যা-ই বলুন না কেন।’
কিন্তু আধুনিক ফুটবলে কোচিং লাইসেন্স থাকা প্রয়োজন। কারণ ফিফা ও এএফসি কোচিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করেছে। এমন প্রশ্নের উত্তরে ডুলি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, কিন্তু কে বলেছে যে সে কোচ হিসেবে নিবন্ধিত? আমার কাছে সে সহকারী কোচ, আর ফিফা/এএফসির কাছে সে একজন দন্তচিকিৎসকও (ডেন্টিস্ট) হতে পারে! আমরা সবাই জানি নিয়মগুলো কী।’
নগুয়েনের প্রশংসা করে ডুলি বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে তার সঙ্গে ৪ বছর কাজ করেছি, তার অবিশ্বাস্য জ্ঞান রয়েছে। সি লাইসেন্স করার পরপরই ফেডারেশন তাকে বি লাইসেন্সটি করিয়ে নিতে চেয়েছিল, কারণ সে অতিরিক্ত যোগ্য ছিল। কিন্তু ক্লাব তাকে সুযোগ দেয়নি। কোর্সে সবাই তাকে “গুগল” বলে ডাকতো, কারণ সে সবকিছু জানে।’
এরপর ডুলি বলেন, ‘সে আমার সঙ্গে ৪ বছর কাজ করেছে, দিনে প্রায় ১২ ঘণ্টা করে। সে জানে আমি কীভাবে চিন্তা করি এবং আমি কী বোঝাতে চাই—সে আমার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ। সে বড় কোনো ফুটবল খেলোয়াড় নয়, কিন্তু ফুটবলের জ্ঞান তার অসাধারণ। সে অনেক বছর ভি-লিগ এবং জাতীয় দলের ধারাভাষ্যকারও ছিল।’









