দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি ব্যবস্থার ঘটনার পর থেকে বিরোধী দলের টানা আক্রমণের মুখে থাকা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পার্লামেন্টে এই বিষয়ে বিতর্কের প্রস্তাব দিয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) এ নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, বিতর্ক শেষে এ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য দেবেন। তবে তার এই প্রস্তাব তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ইস্যুতে প্রথমবারের মতো মুখ খুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে সংসদের কার্যক্রম অচল করে রাখা এবং বিতর্ক থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তোলেন। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, আসুন আজ বেলা ৩টা থেকে এই ইস্যুতে আলোচনা শুরু করি। আমি পুরো সময় সংসদে উপস্থিত থাকবো এবং বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় বিস্তারিত জবাব দেবো।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিয়ম মেনেই এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হতে হবে এবং বিরোধীরা নিজেদের শর্ত চাপিয়ে দিতে পারে না। বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে তাকে ‘ভাগোড়া’ (পলাতক) ও ‘লাপাত্তা’ (নিখোঁজ) আখ্যা দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তিনি প্রতিদিন নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত থাকেন। সংসদ অচল থাকার কারণেই তিনি কক্ষে প্রবেশ করছেন না।
এর আগে গত ২০ জুলাই দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও পেলেট গান ব্যবহারের নির্দেশ কে দিয়েছিল সেই প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ ও সংসদে জবাবদিহিতার দাবিতে সরব হন রাহুল গান্ধী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিতর্কের প্রস্তাবের কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা প্রত্যাখ্যান করেন রাহুল গান্ধী। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের তরুণ সমাজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনও কথা শুনতে চায় না, বরং তার পদত্যাগ চায়।
রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল? দিল্লি পুলিশ ও র্যা ফ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। অমিত শাহ কি নির্দেশ দিয়েছিলেন? যদি তিনি দিয়ে থাকেন, তবে তিনি অপরাধী; আর যদি না দিয়ে থাকেন, তবে তিনি অযোগ্য। দুটি ক্ষেত্রেই তার পদত্যাগ করা উচিত। একইসঙ্গে সরকার ভয়ে আছে এবং তাদের কাছে কোনও উত্তর নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

পূর্ণ সূর্যগ্রহণ আজ, কখন কোথায় দেখা যাবে?
বাংলাদেশে ভ্রমণে ‘উচ্চমাত্রার সতর্কতা’ কানাডার







