দীর্ঘদিনের মার্কিন মিত্র দেশ ওমানকে ‘বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি দেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ করার ক্ষমতা খর্ব করতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা।
ট্রাম্পের হুমকির পর ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি রো খান্না রসিকতা করে বলেছেন, যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে, আমাদের হয়তো বাকি ১৯২টি দেশের জন্যই যুদ্ধ ক্ষমতার প্রস্তাব ফাইল করতে হবে।
সিনেটর টিম কেইন এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন, আগামী মাসে সিনেট অধিবেশন শুরু হলেই তিনি ওমান সংক্রান্ত যুদ্ধ ক্ষমতার প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। কেইন উল্লেখ করেন, ওমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় কূটনৈতিক সম্পর্ক ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে। ট্রাম্পের এমন হুমকি রাশিয়া ও চীনের মতো আসল শত্রুদের সুবিধাই করে দিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে কয়েকজন রিপাবলিকান সহকর্মীও ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দিয়ে ক্ষমতার মোহে অন্ধ প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আর কোনও ক্ষতি করা থেকে থামাবেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি এসব পদক্ষেপের জবাবে বলেছেন, পারমাণবিক ইরানের বিপদ নিয়ে বিশ্বরাজনীতিকরা বহু দশক ধরে শুধু কথাই বলেছেন। কেবল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাহস রয়েছে সরাসরি এই জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখোমুখি হওয়ার। তিনি আরও জানান, যুদ্ধ ও আলোচনার পুরো প্রক্রিয়ায় প্রশাসন কংগ্রেসের সঙ্গে স্বচ্ছতা বজায় রেখেছে এবং অন্তত ৩০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক ব্রিফিং দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প ওমানকে এই হুমকি দেন ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ওমান যদি কোনও বাধা সৃষ্টি করে, তবে আমরা তাদের ওপর বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দেব।
পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ওমানের আচরণ তার ভালো লাগেনি, তবে অন্য সব কিছুর মতোই তাদের সহজেই সামলে নেওয়া যাবে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

যুক্তরাষ্ট্রের পাশে না দাঁড়ালে মিত্র হলেও রেহাই নেই, ট্রাম্পের স্পষ্ট বার্তা
যুদ্ধ ও কূটনীতিতে জিতেছে ইরান: আরাঘচি







