বিবিসির বিশ্লেষণ

তারেক রহমানকে দিল্লিতে নিতে কেন ‘উঠে পড়ে লেগেছে’ ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৩আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৫

দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের বিষয়ে সরকারি কোনও ই-মেইল থেকে সরাসরি ইঙ্গিত পাওয়া খুব একটা স্বাভাবিক ঘটনা নয়। তবে চলতি মাসের শুরুতে ভারতের প্রেসিডেন্ট দফতর থেকে পাঠানো একটি ই-মেইল তেমনই এক নজির তৈরি করেছে। ই-মেইলটি দ্রুত কূটনীতিক ও সাংবাদিকদের নজর কাড়ে।

ই-মেইলে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি ভবনে সপ্তাহান্তের ‘চেঞ্জ অব গার্ড’ অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। কারণ, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর অনুষ্ঠানের মহড়া চলছিল।

তবে সমস্যা ছিল একটাই—তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে তখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ই-মেইলটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবে এর মধ্যেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা জল্পনা আরও জোরালো হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে নিয়ে আসতে ভারতের আগ্রহও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

তবে এখনো ভারত সফরে সম্মতি দেননি তারেক রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এএএম সালেহ বিবিসিকে বলেন, ‘সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

তারেক রহমানকে দিল্লি চায় ভারত

বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে আলোচনার জন্য তারেক রহমানকে দিল্লিতে স্বাগত জানাতে আগ্রহী ভারত। সফরের সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল ভোটে বিজয় পাওয়ার পর সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর।

এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক যুগের সূচনা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের আগস্টে ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। ওই আন্দোলনে শত শত মানুষ নিহত হয়। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান এবং এখনও সেখানেই অবস্থান করছেন।

শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। ওই সরকারের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে।

এখন দিল্লি মনে করছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার অবস্থান বিষয়টিকে জটিল করে তুলছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরত চায় ঢাকা

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। তবে শেখ হাসিনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এএএম সালেহ বলেন, ‘আমরা একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছি এবং শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ দ্রুত করার বিষয়ে ভারতীয় পক্ষের জবাবের অপেক্ষায় আছি।’

ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধটি তারা বিবেচনা করছে।

এই ইস্যু থাকা সত্ত্বেও নতুন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে দিল্লি একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছে। তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

এছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা করেছেন।

তারেক রহমান ভারত সফরে গেলে তাকে ‘সর্বোচ্চ সম্মান’ দেওয়া হবে এবং ‘স্মরণীয় অভ্যর্থনা’ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ত্রিবেদী।

প্রতিবেশী কোনো দেশের সরকারপ্রধানকে ভারত এতটা প্রকাশ্যে স্বাগত জানানোর আগ্রহ দেখায় না। ফলে দিল্লির এই তৎপরতা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শ্যাম শরণ বিবিসিকে বলেন, ‘আমি মনে করি দিল্লিতে কিছুটা হতাশা তৈরি হয়েছে। কারণ, শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর করা ছাড়া ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে ভারত অনেকটাই এগিয়েছে।’

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও চিকিৎসা ভিসায় ভারতের উদ্যোগ

শ্যাম শরণের মতে, বাংলাদেশের তাৎক্ষণিক কিছু প্রয়োজন মেটাতেও ভারত উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ এবং চিকিৎসা ভিসা দেওয়া।

এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সহজ করতে যে কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা ছিল, সেগুলোরও কিছু পুনরায় চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত সম্পর্কও। গত বছর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল, যার বড় অংশই ভারতের পক্ষে গেছে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ হাসিনার সময়ে বেড়েছিল যোগাযোগ

শেখ হাসিনা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার সময়ে ভারত ও বাংলাদেশ সড়ক, রেল ও বন্দর যোগাযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে কাজ করে। এর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে যোগাযোগ ও প্রবেশাধিকার সহজ হয়।

নিরাপত্তা ইস্যুতেও দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে। শেখ হাসিনার সরকার ভারতের দাবি অনুযায়ী বাংলাদেশে অবস্থান করা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ভারতের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল।

তবে শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাংলাদেশে ক্রমেই বিতর্কিত হয়ে ওঠে। সমালোচকেরা অভিযোগ করেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগের বিষয়গুলো দিল্লি উপেক্ষা করেছে।

শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান সেই পুরোনো উত্তেজনাকে এখনো ধরে রেখেছে।

৫ আগস্টের ঘটনায় ফের উত্তেজনা

গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে আয়োজিত সাউথ এশিয়ার ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং তারেক রহমানের বিএনপি সরকার তার সমর্থকদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

শেখ হাসিনাকে ভারতীয় মাটিতে প্রকাশ্যে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ ‘ক্ষুব্ধ’ হওয়ার কথা জানায়।

তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই অনুষ্ঠানে তাদের ‘কোনো ভূমিকা’ ছিল না। পাশাপাশি ফোরামে বলা কোনো বক্তব্য, বিশেষ করে বাংলাদেশের ‘সাংবিধানিকভাবে গঠিত সরকার’ সম্পর্কে কোনো বক্তব্য ভারত সমর্থন করে না বলেও জানানো হয়।

সময়টিও ছিল অত্যন্ত স্পর্শকাতর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন বলেন, শেখ হাসিনার ওই বক্তব্যের আগে তারেক রহমান ভারত সফরের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন—এমন খবর পাওয়া যাচ্ছিল।

তিনি বিবিসিকে বলেন, ‘এটি আসলে বাংলাদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের বিষয়ে কতটা আন্তরিক—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।’

ফলে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করার সময় তারেক রহমানের দিল্লি সফর দেশের ভেতরে রাজনৈতিক মূল্য দিতে পারে।

শুধু শেখ হাসিনা নয়, পাকিস্তানও ভারতের উদ্বেগের কারণ

তবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনে দিল্লির আগ্রহের কারণ শুধু শেখ হাসিনা নন। শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর বাংলাদেশ ভারতের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সঙ্গেও সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

ঢাকা ও ইসলামাবাদ উচ্চপর্যায়ের সামরিক সফর বিনিময় করেছে। দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও প্রকাশ্যে আলোচনা করেছে। দিল্লি এসব ঘটনাক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

২০০০-এর দশকে ভারত অভিযোগ করেছিল, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণে সহায়তা করেছে এবং তাদের সীমান্ত পারাপারেও সহযোগিতা করেছে। সে সময় পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়েই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছিল।

মক্কা চুক্তি নিয়েও ঢাকার অবস্থান

সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়েও বাংলাদেশের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তিনটি প্রভাবশালী মুসলিম দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে।

চুক্তিটির বিস্তারিত এবং এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর ওপর কী ধরনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে এটি ন্যাটোর যৌথ প্রতিরক্ষা নীতির আদলে তৈরি—অর্থাৎ কোনো একটি সদস্যের ওপর হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

বাংলাদেশের জুনিয়র পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির চলতি সপ্তাহে সাংবাদিকদের বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামি দেশগুলোর মধ্যে যদি কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, তাহলে আমাদের এতে অংশ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা অস্বাভাবিক নয়।’

তিনি বলেন, বিষয়টি ‘ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে’।

এদিকে সৌদি আরবও তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে বাংলাদেশকে ওই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন মনে করেন, এ বিষয়ে ঢাকার সতর্কতার সঙ্গে এগোনো উচিত।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্ক হওয়া উচিত।’

তার ভাষায়, ‘এটি শুধু ভারতকে বিরক্ত করার বিষয় নয়। বাংলাদেশকে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে—পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে এবং তা বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটি দেখতে হবে।’

হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশকে আর আগের মতো ধরে নিতে পারছে না ভারত

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক এসব পদক্ষেপ ভারতকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে দুই দেশের সম্পর্ক বদলে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার আমলে যে ব্যতিক্রমী ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, দিল্লি এখন আর সেটিকে স্বাভাবিক বা নিশ্চিত ধরে নিতে পারছে না।

অন্যদিকে তারেক রহমানের সরকারও দেখাতে চাইছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি তার বিশাল প্রতিবেশী ভারতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল নয়।

অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিনের মতে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকের আগে তারেক রহমানের দিল্লি সফর করা উচিত।

তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশীদের একসঙ্গে বসবাস করতেই হয়।’

ব্রিকস সম্মেলনেও দেখা হতে পারে

তারেক রহমানের জন্য শিগগিরই আরেকটি সুযোগ তৈরি হতে পারে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ভারত একটি ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহের আমন্ত্রণ, কূটনৈতিক তৎপরতা এবং আগেভাগে ফাঁস হয়ে যাওয়া একটি সরকারি ই-মেইলের পর এখন দিল্লির আশা—শেষ পর্যন্ত তারেক রহমান ভারত সফরে আসবেন।

সূত্র: বিবিসি

/আইএএম/
সম্পর্কিত
চাকরি পেলেন গুম-খুনের শিকার ও জুলাই আন্দোলনে নিহতদের ৭৪ স্বজন
গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী
ভেনেজুয়েলার তেলের নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ রবিবার
আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ রবিবার
নেপালে বন্যার খবর সংগ্রহে কঠোর নিয়ম, কড়াকড়ির মুখে দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা
নেপালে বন্যার খবর সংগ্রহে কঠোর নিয়ম, কড়াকড়ির মুখে দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা
পানিতে ডুবেছে কাপ্তাই হ্রদের ঝুলন্ত সেতু, পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
পানিতে ডুবেছে কাপ্তাই হ্রদের ঝুলন্ত সেতু, পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
‘ইমরান জাতীয় বীর, তার কিছু হলে কাঁদবে পুরো পাকিস্তান’
‘ইমরান জাতীয় বীর, তার কিছু হলে কাঁদবে পুরো পাকিস্তান’
সর্বাধিক পঠিত
জীবিত থাকতেই চল্লিশার আয়োজন করলেন এক ব্যক্তি, যা বললেন মুফতি
জীবিত থাকতেই চল্লিশার আয়োজন করলেন এক ব্যক্তি, যা বললেন মুফতি
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে হচ্ছে কী
মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে হচ্ছে কী
জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন আইরিন খান
জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন আইরিন খান
গুলশানে স্পার আড়ালে ‘অনৈতিক কারবার’, নেপথ্যে কারা
গুলশানে স্পার আড়ালে ‘অনৈতিক কারবার’, নেপথ্যে কারা
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট