সরকার পে স্কেলের বাড়তি খরচ সামাল দেবে কীভাবে

গোলাম মওলা
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:০০আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:০০

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল ঘোষণা হলেও এর বাস্তবায়ন এখন সরকারের জন্য বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর হলে বছরে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতিবছরই বাজেটে নতুন করে এক লাখ কোটি টাকার বেশি স্থায়ী ব্যয়ের সংস্থান করতে হবে।

এই বিপুল অর্থ কোথা থেকে আসবে—এখন সেটিই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে বাড়তি অর্থের সংস্থান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে এনবিআরের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাই যেখানে বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে নতুন পে স্কেলের জন্য অতিরিক্ত অর্থের জোগান কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এনবিআর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে এনবিআর আদায় করেছিল প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ। স্বাধীনতার পর দেশের রাজস্ব আদায়ে কোনও বছরই ২৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির নজির নেই। ফলে এক বছরে প্রায় ৪৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনকে অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এনবিআরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘উপদেষ্টা বৈঠকে যেকোনও মূল্যে চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ওপর জোর দিয়েছেন।’’ আরেক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর পর এই বাড়তি অর্থের জোগান রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে দিতে হবে—এমন নির্দেশনাই তাদের দেওয়া হয়েছে।

রাজস্ব আদায়েই কি মিলবে পে স্কেলের টাকা?

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, নতুন পে স্কেলের পুরো কাঠামো বাস্তবায়ন হলে বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর অর্থ দাঁড়ায়, প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়।

সরকারের জন্য সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক পথ হবে রাজস্ব আয় বাড়িয়ে এই অর্থের সংস্থান করা। এতে নতুন করে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না এবং বাজেট ঘাটতিও বাড়বে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, রাজস্ব আদায় ইতোমধ্যেই চাপে রয়েছে।

চলতি অর্থবছরের শুরুতেই সেই চাপের চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে গেলেও জুলাইয়ের রাজস্ব আদায়ের পূর্ণাঙ্গ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি এনবিআর। একজন কর্মকর্তার দেওয়া সাময়িক তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৯ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। আগের বছরের একই মাসে এর পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জুলাইয়ে ভ্যাট আদায় কমেছে।

আগস্টেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। সাময়িক হিসাবে আগস্টে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৮ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা।

শুধু ভ্যাট নয়, আমদানি পর্যায় থেকেও শুল্ক ও কর আদায় কমেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। অর্থনীতিতে ধীরগতি, শিল্প উৎপাদনে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, আমদানি কমে যাওয়া এবং বিনিয়োগে স্থবিরতার কারণে রাজস্ব আদায়ে চাপ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্যের আমদানি কমে যাওয়ায় আমদানি পর্যায়ের রাজস্ব আদায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে রাজস্ব আদায় থেকেই এক লাখ কোটি টাকার বেশি অতিরিক্ত স্থায়ী ব্যয়ের সংস্থান করা সরকারের জন্য সহজ হবে না।

দ্বিতীয় পথ ব্যয় কমানো

রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে সরকারের সামনে দ্বিতীয় পথ হচ্ছে— অন্য খাতের ব্যয় কমিয়ে পে স্কেলের জন্য অর্থ বের করা। কিন্তু এখানেও বড় ঝুঁকি রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও পেনশন এমন ব্যয়— যা একবার বাড়লে সহজে কমানো যায় না। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার পর প্রতি বছরই এই ব্যয় বহন করতে হবে। ভবিষ্যতে ইনক্রিমেন্ট, পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ার সঙ্গে এই দায় আরও বাড়তে পারে।

ফলে সরকার যদি নতুন পে স্কেলের বাড়তি অর্থ জোগাতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা কিংবা উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ কমিয়ে দেয়, তাহলে স্বল্পমেয়াদে অর্থের চাপ সামাল দেওয়া গেলেও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ক্ষতি হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, পে স্কেলের এই বাড়তি ব্যয় একটি বড় স্থায়ী দায়। ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করলে সাময়িকভাবে চাপ কমানো সম্ভব হলেও শুধু এ ব্যবস্থা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থের সংস্থান নিশ্চিত করা যাবে না।

তিনি আরও মনে করেন, বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদের সেবার মান, কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর বিষয়টিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কারণ অতিরিক্ত অর্থ জনগণের করের টাকা থেকেই আসবে।

তৃতীয় পথ ঋণকিন্তু তাতেও ঝুঁকি

রাজস্ব ও ব্যয় সংকোচনের পর সরকারের সামনে থাকে ঋণ নেওয়ার পথ। নতুন পে স্কেলের বাড়তি অর্থের একটি অংশ যদি সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মেটায়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থের সংস্থান করা সম্ভব হবে।

কিন্তু এতে সরকারের ঋণের বোঝা বাড়বে। চলতি অর্থবছরেই বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভর করছে। ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা।

এর বাইরে পে স্কেলের বাড়তি ব্যয় মেটাতে আরও ব্যাংকঋণ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে সুদ পরিশোধের ব্যয় বাড়বে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো সরকারের ঋণে বেশি অর্থ বিনিয়োগ করলে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের সুযোগ কমে যেতে পারে। এতে নতুন বিনিয়োগ ও শিল্প সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বর্তমানে উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপে বেসরকারি বিনিয়োগ এমনিতেই দুর্বল। এর মধ্যে সরকারের ঋণ চাহিদা আরও বাড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।

ধাপে ধাপে বাস্তবায়নেই আপাত স্বস্তি

সরকার অবশ্য একবারে পুরো ব্যয়ের চাপ নিচ্ছে না। নতুন পে স্কেল ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। মূল বেতনও ধাপে কার্যকর হবে। বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার কথা রয়েছে। পেনশন বৃদ্ধিও ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

এতে প্রথম বছর সরকারের ওপর পুরো ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার চাপ পড়বে না। ফলে সরকার কিছুটা সময় পাবে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর এবং বাজেটের অন্যান্য ব্যয় পুনর্বিন্যাস করার।

তবে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন মূল সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। শেষ পর্যন্ত পুরো কাঠামো কার্যকর হলে প্রতিবছরই এক লাখ কোটি টাকার বেশি অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হবে।

অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাবও আসতে পারে

পে স্কেলের কারণে শুধু সরকারের ব্যয়ই বাড়বে না, অর্থনীতিতে কিছু ইতিবাচক প্রভাবও তৈরি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের হাতে বাড়তি অর্থ গেলে তাদের ভোগব্যয় বাড়বে। এতে খাদ্য, পোশাক, পরিবহন, শিক্ষা, চিকিৎসা, আবাসনসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবার চাহিদা বাড়তে পারে।

চাহিদা বাড়লে ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসার পাশাপাশি ভ্যাটসহ বিভিন্ন পরোক্ষ কর থেকেও সরকারের রাজস্ব বাড়তে পারে। তবে এর জন্য উৎপাদন ও পণ্যের সরবরাহও বাড়াতে হবে। সরবরাহ বাড়ানো না গেলে বাড়তি চাহিদা মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে। এ কারণে পে স্কেলের সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণও সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

বেতন বাড়ানোর অজুহাতে বাজারে দাম বাড়ানো যাবে না

এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক মনে করেন, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো হলেও এটিকে পণ্যের দাম বাড়ানোর অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি বলেন, ‘‘বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পরিবহনসহ সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত খাতগুলো সচল রাখা জরুরি। পণ্যের সরবরাহ কমে গেলে বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে দাম বাড়ানোর আশঙ্কা থাকবে।’’

রাজস্ব দিয়ে এই ব্যয় সামলানো বড় চ্যালেঞ্জ

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘বর্তমান পরিস্থিতিতে পে স্কেল বাস্তবায়নের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো এর অর্থের সংস্থান।’’

তাঁর মতে, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি, বিনিয়োগ কম এবং অর্থনীতিতে নানা ধরনের চাপ রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের রাজস্ব আদায়ও দুর্বল। ফলে বিপুল অর্থের এই স্থায়ী ব্যয় সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, ‘‘সরকারের রাজস্ব যে হারে আসছে— তাতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় সেবায় ব্যয় বাড়ানোরও বড় প্রয়োজন রয়েছে। তাই নতুন পে স্কেলের অর্থ সংস্থান করতে গিয়ে এসব খাতে ব্যয় সংকুচিত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।

শেষ পর্যন্ত তিন পথের সমন্বয়ই ভরসা

সব মিলিয়ে নতুন পে স্কেলের বাড়তি ব্যয় মেটাতে সরকারের সামনে একক কোনো সহজ পথ নেই। শুধু রাজস্ব বাড়িয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার স্থায়ী ব্যয় মেটানো বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কঠিন। আবার শুধু ব্যয় কমিয়ে এই অর্থের সংস্থান করলে উন্নয়ন ও জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর অতিরিক্ত ঋণ নিলে বাড়বে সুদ ও ঋণের বোঝা।

তাই রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতা বাড়ানো, অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানো, উন্নয়ন প্রকল্পে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং সীমিত পরিমাণে ঋণের সমন্বয়ের মাধ্যমেই সরকারকে এই বাড়তি ব্যয় সামলাতে হবে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, পে স্কেলের বাড়তি অর্থ যেন শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি, ঋণের সুদ কিংবা উন্নয়ন ব্যয় কমানোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ওপর নতুন চাপ তৈরি না করে। সরকারি কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধি যেমন স্বস্তির, তেমনই এর অর্থের সংস্থান নিশ্চিত করাই এখন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় আর্থিক পরীক্ষা।

 

/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
রাজনীতির মাঠ কি আবারও উত্তপ্ত হচ্ছে
হান্নান মাসউদের প্রশ্ন, সরকার কি মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে গলা চিপে ধরছে
নতুন পে-স্কেল হলো, এবার কি দুর্নীতি কমবে?
সর্বশেষ খবর
রাজনীতির মাঠ কি আবারও উত্তপ্ত হচ্ছে
রাজনীতির মাঠ কি আবারও উত্তপ্ত হচ্ছে
শাহজালালে উড়োজাহাজের সিটের নিচে মিললো ৯ কেজিরও বেশি স্বর্ণ
শাহজালালে উড়োজাহাজের সিটের নিচে মিললো ৯ কেজিরও বেশি স্বর্ণ
দুর্নীতির অভিযোগে পাল্টা হুঁশিয়ারি আসিফের
দুর্নীতির অভিযোগে পাল্টা হুঁশিয়ারি আসিফের
মেয়ের সরকারি চাকরির আশা বাঁচিয়ে রাখতে শাড়ি পরে খালি পায়ে দৌড়ে জিতলেন মা
মেয়ের সরকারি চাকরির আশা বাঁচিয়ে রাখতে শাড়ি পরে খালি পায়ে দৌড়ে জিতলেন মা
সর্বাধিক পঠিত
প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত টাকা কাটার কারণ জানালো ডিপিডিসি 
প্রিপেইড মিটারে অতিরিক্ত টাকা কাটার কারণ জানালো ডিপিডিসি 
যশোরে নিজ ঘর থেকে দুই ছেলে ও বাবার লাশ উদ্ধার
যশোরে নিজ ঘর থেকে দুই ছেলে ও বাবার লাশ উদ্ধার
যানজট কমাতে উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো দুই নতুন সেতু
যানজট কমাতে উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো দুই নতুন সেতু
একসঙ্গে আসছে ৫ হাজার মার্কিন সৈন্য, বড় বিপদে যৌনকর্মীরা
একসঙ্গে আসছে ৫ হাজার মার্কিন সৈন্য, বড় বিপদে যৌনকর্মীরা
মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ শিক্ষক ও ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা
মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ শিক্ষক ও ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা