ভারতের লক্ষদ্বীপের পশ্চিম দিকে আরব সাগরে একটি বড় ধরনের সামুদ্রিক মাদক চোরাচালান প্রচেষ্টা নস্যাৎ করার দাবি করেছে দেশটির কোস্ট গার্ড। আন্তর্জাতিক বাজারে ৩ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের মাদক জব্দ করার পাশাপাশি পাঁচ পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ভারতীয় কোস্ট গার্ড জানায়, গুজরাট অ্যান্টি-টেরররিজম স্কোয়াড (এটিএস) এবং ভারতীয় কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে পাঁচ পাকিস্তানি নাগরিকসহ একটি ইরানি মাছ ধরার নৌকা বা দাও আটক করা হয়। ভারতের সংবাদমাধ্যম উইয়ন নিউজ এ খবর জানিয়েছে।
জব্দ করা মাদকের মধ্যে ৫২৬ কেজি হিরোইন ও মেথঅ্যামফেটামিন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ড জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের সম্পদগুলো সন্দেহভাজন নৌযানটির ওপর একটানা নজরদারি বজায় রাখে এবং ধাওয়া করে।
এক বিবৃতিতে কোস্ট গার্ড জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সমুদ্র ও আকাশপথে সুনির্দিষ্ট নজরদারি চালিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর একটি সন্দেহভাজন ইরানি দাওয়ের গতিবিধি অনুসরণ করা হয়। এরপর ধাওয়া করে নৌযানটিকে থামিয়ে তাতে ওঠে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর আরব সাগরে এই নৌযানটি আটক করা হয় এবং এই অভিযানের ফলে মাদকগুলো জব্দ করা হয়। কোস্ট গার্ড এই অভিযানকে ভারতের জলসীমায় অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তাদের সামুদ্রিক নজরদারি ও প্রয়োগ ক্ষমতার একটি বড় উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
নৌযানটি আটকের পর এর ক্রু এবং জব্দ করা অবৈধ মাদকগুলো সশস্ত্র পাহারায় মুম্বাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, যৌথ জেরা ও বিস্তৃত বহু-সংস্থার আইনি কার্যক্রমের জন্য আটককৃত নৌকা, ক্রু এবং জব্দ করা মাদক সশস্ত্র পাহারায় মুম্বাইয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। এই যৌথ তদন্তের মাধ্যমে মাদকের উৎস, এর সম্ভাব্য গন্তব্য এবং এই চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বৃহত্তর নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
In an intelligence-led joint operation with ATS Gujarat, and Central Intelligence Agency, @IndiaCoastGuard units interdicted a suspicious Iranian dhow in the Arabian Sea, west of #Lakshadweep. Positive detection, sustained tracking and a hot pursuit culminated in tactical… pic.twitter.com/p2BthJvndS
— Indian Coast Guard (@IndiaCoastGuard) September 30, 2026
সৌদিকে রক্ষায় ‘যেকোনও উপায়’ ব্যবহারের অঙ্গীকার পাকিস্তানের