বৃহস্পতিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। কানাডা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ক্যানচ্যাম) ও ডিসিসিআই যৌথভাবে ‘২০১৫ সালে বাংলাদেশ ও কানাডা’র মধ্যকার ২ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জন’ শীর্ষক এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
বেনয়ে পিয়েরে লারামি বলেন, তৈরি পোশাক খাত ও শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ উন্নয়নের জন্য কানাডার পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
সভায় ডিসিসিআই’র সভাপতি হোসেন খালেদ বলেন, পণ্য রফতানির জন্য কানাডা বাংলাদেশের সপ্তম বৃহত্তম বাজার এবং গত দশকে কানাডায় বাংলাদেশি পণ্য রফতানীর ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা দেওয়ায় এ সফলতা এসেছে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ কানাডায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের পণ্য রফতানি করেছে, যার বিপরীতে আমদানি করেছে মাত্র ০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। তবে দুদেশের মধ্যে এ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বজায় থাকলেও বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ খুবই কম। এ সময় তিনি কানাডার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে কৃষি, পাট ঔষধ, জাহাজ নির্মাণ, তথ্য-প্রযুক্তি এবং অটোমোটিভ খাতে বিনিয়োগের আহবান জানান।
ক্যানচেম বাংলাদেশের সভাপতি মাসুদ রহমান বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে কানাডা এবং বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে কানাডায় রফতানিকৃত পণের বহুমুখীকরণ প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ফিকি) সভাপতি রূপালী চৌধুরী, বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত ভিনসেন্ট ভিভেনসিও টি. বেনডালিওয়, নরডিক চেম্বারের সহ-সভাপতি রজার হোভার্ড, ঢাকা চেম্বারের প্রাক্তন সভাপতি এম এইচ রহমান, নেসার মাকসুদ খান, ডিসিসিআই সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহ-সভাপতি খ. আতিক-ই-রাব্বানী, এফসিএ, পরিচালক এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান, প্রাক্তন সহ-সভাপতি এম এস সেকিল চৌধুরী, প্রাক্তন পরিচালক খায়রুল মজিদ মাহমুদ, আহবায়ক ক্যাপ্টেন নূরুল হক এবং ইতিহাদ এয়ারলাইন্সের জেনারেল ম্যানাজার হানিফ জাকারিয়া প্রমুখ।
/এসএনএইচ/