রবিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বস্ত্রশিল্পে মসলিন প্রযুক্তি পুনরুদ্ধারে করণীয়’ শীর্ষক এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আজম বলেন, তাঁতী সমাজকে পুর্নবাসন করে তাদের সমৃদ্ধ করা হবে। দরিদ্র প্রান্তিক তাঁতীদের আত্মকর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা করছে।
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ কাদের সরকার, তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন আহম্মেদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো. রেজাউল কাদের, আবু ছাইদ শেখসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, চলতি বছরের ২ জুন প্রায় ৩৭১ জন তাঁতীর মধ্যে ১ কোটি ১৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০০৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, এ শিল্পে নিয়োজিত জনবলের সংখ্যা ১৫ লাখের বেশি। তাঁত শিল্পে বছরে ৬৮ কোটি ৭০ লাখ মিটার কাপড় উৎপাদিত হয়, যা দেশের মোট বস্ত্র চাহিদার ৪০ ভাগ পূরণ করে থাকে।
/এসআই/এসএনএইচ/