এছাড়া এদিন উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৫৫ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬২৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।
ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে ৬০৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা। গত বুধবার লেনদেন হয়েছিল ৫৯১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২১ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৩৬ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৩ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৯ পয়েন্টে এবং ৫ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট কমে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৫১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৮টির, কমেছে ১৯৭টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ৩৮টি কোম্পানির শেয়ার দর।
এছাড়া টাকার অঙ্কে এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- ডোরিন পাওয়ার, মবিল যমুনা, কেডিএস অ্যাক্সেসরিজ, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মিথুন নিটিং, ইস্টার্ন হাউজিং, আইটিসি, পাওয়ার গ্রিড, সাইফ পাওয়ারটেক এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক।
সিএসই
অন্যদিকে এদিন সিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমান ৪৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। গত বুধবার লেনদেন হয়েছিল ৩৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকার শেয়ার। সুতরাং সিএসইতে গত কার্যদিবসের চেয়ে শেয়ার লেনেদেন বেড়েছে ১০ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বেশি।
এদিন সিএসই’র প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ২৫ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট কমে ৮ হাজার ৬৭৫ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ৪০ দশমিক ০৪ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে, সিএসই-৫০ সূচক ২ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬০ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ৭২ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৮০৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ১৪৪টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ২৬টি কোম্পানির শেয়ার দর।
টাকার অঙ্কে এদিন সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- ন্যাশনাল লাইফ ফাইন্যান্স, বিএসআরএম লিমিটেড, কেডিএস অ্যাক্সেসরিজ, ফরচুনা সু, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, হাক্কানী পালপ, আমান ফিড, ডোরিন পাওয়ার এবং ইস্টার্ন হাউজিং।
/এসএনএইচ/