দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট সামিট বাংলাদেশ’ নামে দিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ‘দ্য ওয়েস্টিন’ হোটেলে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বিল্ড বাংলাদেশের উদ্যোগে সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ড্রাইভিং দ্য সাসটেইনেবল এজেন্ডা’ বা ‘টেকসই এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়া’। সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম (বিবিএফ)।
সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অজর্নের জন্য দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের ধারায় নিয়ে আসতে হবে এবং এটি শুধুমাত্র সামাজিক বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমের মাধ্যমে সম্ভব। আর এগুলোই ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্টের প্রধান লক্ষ্য।’
সম্মেলনে বেশ কয়েকটি অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া চারটি প্যানেল অধিবেশনে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করেন। বিশ্বব্যাপী ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টিং মার্কেটের গুরুত্ব অনুধাবন, বাংলাদেশে ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টিং মার্কেটের ভবিষ্যত এবং বিকাশের সম্ভ্রাবনা ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়ে বিশদ আলোচনার উদ্দেশে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপারসন রোজমেরি অ্যাডিস, যুক্তরাজ্যের সুপারভাইজরি বোর্ড অব ট্রিওডস ব্যাংক এনভির ভাইস চেয়ারম্যান ডেভিড ক্যারিংটন, ভারতে ইউনিটাস ক্যাপিটালের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিজিৎ রায়, ন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়া ব্যাংকের কমিউনিটি ফিন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সাবেক প্রধান কোরিন প্রোস্কি, ইমপ্যাক্ট ১০০ সিডনির সাবেক নির্বাহী ব্যবস্থাপক লুক ব্র্যানাগ্যান।
সম্মেলনে চারটি মৌলিক শিল্পের ওপর চারটি বিশেষায়িত প্যানেল আলোচনার অধিবেশন ছিল। শিল্পগুলো হচ্ছে- ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট: ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন; কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা; তৈরি পোশাক (আরএমজি) এবং স্বাস্থ্য ও কল্যাণ। বাংলাদেশের এসব খাতে ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্টের প্রভাব ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।
অধিবেশনগুলো সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সিনিয়র ইকোনমিক অ্যাডভাইজার ফয়সাল আহমেদ, এসিআই এগ্রিবিজনেসের নির্বাহী পরিচালক ড. এফ এইচ আনসারী, বিজিএমইএ’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি ফারুক হাসান এবং এমারজেন্সি স্পেশালিস্ট ও শিক্ষাবিদ ড. রেজা আলী।
- যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ে সংকট সৃষ্টি হবে না: আ. লীগ
- ভ্যাট আছে, ভ্যাট থাকবে এবং ভ্যাট দিতেই হবে: অর্থমন্ত্রী
/জিএম/এমও/