সার্কুলারটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে সার্কুলারটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সকল শাখা অফিসকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড ও ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ডসমূহ লিয়েন বা জামানত হিসেবে রেখে ক্রয়কৃত বন্ডের অভিহিত মূল্যের সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রাহকের ক্রয়কৃত বন্ডসমূহ তার নিজ নামে নেওয়া ঋণের বিপরীতে লিয়েন বা জামানত হিসেবে রাখতে পারবে। তবে কোনওক্রমেই তা তৃতীয় পক্ষের জামানত হিসেবে নেওয়া যাবে না। পাশাপাশি জামানত হিসেবে হস্তান্তরযোগ্য নয় বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড ও ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ডসমূহ লিয়েন বা জামানত হিসেবে রেখে নেওয়া ঋণের অর্থ শুধুমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই বিনিয়োগ করতে হবে। কোনও ভাবেই এই অর্থ বিদেশে স্থানান্তরযোগ্য নয়। এছাড়া বিদেশে অবস্থিত দেশীয় কোনও ব্যাংকের শাখা থেকে বন্ডসমূহ লিয়েনে রেখে কোনও প্রকার ঋণ নেওয়া যাবে না। ওইসব শাখা থেকে যদি বন্ড কেনা হয়ে থাকে, তবে দেশের ভিতরে ব্যাংকের শাখা থেকে ঋণ নেওয়া যাবে।
/জিএম/ এএআর/