উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত রিজার্ভ চুরির ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে দেড় কোটি ডলার ফেরত পাওয়া গেছে। বাকি অর্থ কোথায় আছে গত এক বছরে তার কোনো হদিসই মেলেনি। কারা কীভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে তার রহস্যও উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি একাধিকবার কয়েকজন জড়িত এমন সন্দেহের কথা বললেও এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট কারো নাম প্রকাশ করেনি। অন্যদিকে এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা দিলেও বারবার সময় দিয়েও তা প্রকাশ করেননি অর্থমন্ত্রী।
/এসআই/এসএনএইচ/