ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী উত্থাপিত, ঋণনির্ভর এ বাজেটে সাধারণ জনগণের কোন কল্যাণ হবে না এবং এ বাজেট দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণীও পার হওয়া যাবে না। চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার প্রস্তাবিত এ বাজেটে এক লাখ ৬ হাজার ৭৭২ কোটি টাকার বিশাল অংকের ঘাটতি রয়েছে। এ ঘাটতি মেটাতে দেশ-বিদেশ থেকে চড়া সূদে ঋণ নিতে হবে সরকারকে।। শুধু সুদ প্রদানে বাজেটের ১০.৪% ব্যয় হবে। বিশেষ করে, দেশীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৬০ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা সরকার ঋণ হিসেবে নিয়ে নিলে বেসরকারি ও ব্যক্তিগত খাতে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাঁধাগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে, জনগণের উপর জাতীয় ঋণের বোঝা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
খেলাফত মজলিসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জনগণের উপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানো হয়েছে। এবারের বাজেটে গতবছরের তুলনায় ৩৪ শতাংশ অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রতি বাজেটেই সরকার সাধারণ জনগণের উপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। বাজেটে প্যাকেজ ভ্যাট বাদ দিয়ে সবার জন্যে ঢালাও ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট চালু করায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মরাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। সাধারণ জনগণ ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। গরীব মারার এ বাজেট জনগণ মানবে না।’
গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সমালোচনা করে ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মাত্র ৩ মাস আগে ১ মার্চ থেকে এক দফা গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়। এখন আবার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও জনগণের উপর চরম জুলুমের সামিল।’
/সিএ/এসএ/