সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সফরে কী অর্জন হয়েছে, সে বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বিডার প্রতিনিধিদল গত ১ আগস্ট থেকে ৪ আগস্ট সিঙ্গাপুর সফর করেন। ওই সময় বাংলাদেশ-জাপান বিজনেস টু বিজনেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র সভাপতি আবুল কাসেম খান, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম।
কাজী মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘হলি আর্টিজান হামলায় জাপানিরা বেশি আতঙ্কিত ছিল। তাদের ফোকাস করে আমরা আলোচনা করেছি। তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে। তারা খুশি হয়েছেন। ইতোমধ্যে তাদের বাংলাদেশ সম্পর্কে ভীতি কেটে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রায় এক মাস আগে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন বিজনেস ফেডারেশনের (এসবিএফ) একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফরে এসেছিল। সে সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে তারা। বাংলাদেশে বড় ধরনের বিনিয়োগ করবে বলে তারা জানিয়েছেন। সিঙ্গাপুর অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বিশ্বের তৃতীয়। বিশ্বব্যাংকের ‘ডুইং বিজনেস’ বা ব্যবসা সহজীকরণ সূচকে তারা এক দুই এর মধ্যে থাকে। ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৭৬তম। আমরা পাঁচ বছরের মধ্যে এই সূচকে ১০০টি দেশের মধ্যে উন্নীত হতে চাই।’
বিডা চেয়ারম্যান বলেন, ‘সব বিদেশি কোম্পানির স্টেশন হলো সিঙ্গাপুর। তাদের কোয়ালিটি শিক্ষাব্যবস্থা, তাদের অভিজ্ঞতা কীভাবে আমরা কাজে লাগাতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
আবুল কামাল আজাদ বলেন, ‘জাপানের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গত নভেম্বরে আমাদের একটি আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হলি আর্টিজানের ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে সেটা হয়ে ওঠেনি। এবারের সিঙ্গাপুর সফরে সেটা হয়েছে। জাপানি ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। হলি আর্টিজান যে ভীতি তাদের মধ্যে ছিলো সেটা কেটে গেছে।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেসনের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর সফরের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই পরিচালক শমী কায়সারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
/জিএম/এমএনএইচ/