ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যথাযথ ভূমিকা পালনের নিমিত্তে যুব সমাজকে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) ও আর্থিক শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার আওতায় ব্যাংকগুলোকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের শিরোনাম হবে এসডিজি বাস্তবায়নে যুবকদের জন্য আর্থিক শিক্ষা। উপকারভোগী হবে বিশ্ববিদ্যালয়গামী ১৮ থেকে ২২ বছরের যুবকরা। প্রত্যেক ব্যাংককে বছরে ন্যূনতম ১২০ জনকে (বছরে অন্তত দু’টি ব্যাচ/ইনটেক; প্রতি ব্যাচে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নারী) প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়ে, প্রশিক্ষণের মেয়াদ হবে একদিন। সেশন সংখ্যা হবে ৫টি।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট অর্জনে দেশের যুব সমাজকে এসডিজি ও আর্থিক শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার আওতায় প্রশিক্ষণ কারিকুলাম অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যাংককে নিজস্ব উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে।
উপকারভোগী বাছাইয়ের পদ্ধতি হিসাবে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বিভিন্ন অনুষদের ডিন/ইন্সটিটিউটের পরিচালক বরাবরে শিক্ষার্থী মনোনয়নের জন্য পত্র মারফত অনুরোধ।