বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ওষুধ শিল্প সম্ভাবনাময় খাত: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে দেশের ওষুধ শিল্প খুবই সম্ভাবনাময় খাত। যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে অল্প সময়ের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এই শিল্প সব শিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক। বুধবার (৪ এপ্রিল) গাজীপুরের টঙ্গীতে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক (ফাইল ছবি)শ্রম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খান, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. আনিসুল আওয়াল, যুগ্ম-সচিব (শ্রম) মো. আমিনুল ইসলাম এবং বেক্সিমকোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে হৃদরোগ এবং জার্মানিতে চোখের মতো স্পর্শকাতর অসুখের চিকিৎসায় বাংলাদেশের উৎপাদিত ওষুধ ব্যবহার হয়। যা আমাদের জন্য গর্বের।’

বেক্সিমকোতে শ্রমিকদের সঙ্গে ম্যানেজমেন্টের সম্পর্ক এবং তাদের প্রাপ্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা শুনে আমি অভিভূত হয়েছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বসেরা কম্বলায়েন্স কারখানা এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যাল যেভাবে সহায়তা প্রদান করছে অন্য কোম্পানির ক্ষেত্রে তা উদাহরণ হতে পারে।’

এ সময় বেক্সিমকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা শ্রম প্রতিমন্ত্রীর হাতে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে কোম্পানির ২০১৭ সালের লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ এক কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০৮ টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন।

বেক্সিমকো কর্তৃপক্ষ প্রতিমন্ত্রীকে জানান, তাদের উৎপাদিত ওষুধের শতকরা ৬০ শতাংশই বিদেশে রফতানি হয়। আগামী কয়েকমাসের মধ্যে অষ্ট্রেলিয়াতেও বেক্সিমকোর উৎপাদিত ওষুধ রফতানি শুরু হবে। বেক্সিমকোই একমাত্র কোম্পানি যারা যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রফতানি করে। এছাড়া কানাডা, রাশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বেক্সিমকো’র ওষুধ রফতানি হয়। বিশ্বের সেরা ১৫টি ফার্মাসিটিক্যালের মধ্যে বেক্সিমকো একটি।