অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ যখন হলো, তখন বিশ্ব আমাদের ভিক্ষুক বলতো। এখন আর কেউ তা বলে না। এখন বলছে, বাংলাদেশ হলো উন্নয়নের একটা মডেল। সেই উন্নয়নের মডেল যে দেশ, সে দেশ সম্পর্কে আপনাদের ‘দারিদ্র্য বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের প্রশ্ন’ একেবারে অমূলক। একেবারে বাস্তবতা বিবর্জিত। সেই কারণে একটু ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম। আই অ্যাম ভেরি স্যরি ফর দ্যাট।”
এর আগে অর্থমন্ত্রী মন্তব্য করেন, দেশের উন্নয়ন চিত্র তথা পরিবর্তনের কথা স্বীকার করেন না সাংবাদিকরা। প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘গরিব মারার বাজেট’ উল্লেখ করে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘‘বাংলাদেশে দারিদ্র্য বাড়ছে না। যিনি বলছেন দারিদ্র্য বাড়ছে, তিনি মিথ্যাবাদী। দেশে বৈষম্যও বাড়েনি। আপনারা এমন সব প্রশ্ন করছেন যে, আমার পক্ষে এগুলো সম্পর্কে বলতেও লজ্জা লাগে। আপনারা সাংবাদিক-শিক্ষিত লোক; যারা দেশের পরিবর্তন স্বীকার করে না।’
এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন সাড়ে ২২ শতাংশ লোক দরিদ্র। সাত বছর আগেও এ দেশে ৩০ শতাংশ লোক দরিদ্র ছিল। এখন তা ২২ শতাংশে কমে এসেছে। তবুও মানুষ কীভাবে বলে দারিদ্রতা বাড়ছে? চূড়ান্ত দরিদ্র মানুষ আগে ছিল ১৮ শতাংশ। সেটা এখন ১১ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। কোন মুখে আপনারা বলেন—এটা গরিব মারার বাজেট।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আহম মুস্তাফা কামাল, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম. এ. মান্নান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া, চিফ হুইপ আসম ফিরোজ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসলেম চৌধুরী।
আরও পড়ুন-
আমার প্রতিটি বাজেটই নির্বাচনি বাজেট: অর্থমন্ত্রী
অনলাইনে কেনাকাটায় ভ্যাট দিতে হবে না