দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৭ সালে দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চালের স্বাভাবিক সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাজারে চালের সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চাল আমদানির ক্ষেত্রে শূন্য মার্জিনে ঋণপত্র স্থাপনের নিদের্শনা দেওয়া হয়েছিল। উল্লিখিত নির্দেশনার কার্যকারিতা ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আবহাওয়া ধান চাষের অনুকূলে থাকায় এ বছর ধানের উৎপাদন সন্তোষজনক হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃষক ও স্থানীয় চাল উৎপাদকদের ধান বা চালের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করাসহ কৃষকদের ধান চাষে উৎসাহ দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সরকার খাদ্যশস্যের মজুত কাক্ষিত পর্যায়ে সংরক্ষণের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কাজ করছে। এ কারণে চাল আমদানির ক্ষেত্রে ঋণ ঝুঁকি বিবেচনায় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে মার্জিনের হার নির্ধারণ করে ঋণপত্র খুলতে হবে। তবে কোনও অবস্থায় শূন্য মার্জিনে ঋণপত্র স্থাপন করা যাবে না।
নির্দেশনা অনুযায়ী, রিভলভিং সিসি বা ওডি ঋণের ক্ষেত্রে স্থানীয় মিল মালিকসহ ধান ও চাল ব্যবসায়ীদের গৃহীত অগ্রিম/ঋণ সর্বোচ্চ ৪৫ দিন অন্তর অন্তর আবশ্যিকভাবে পরিশোধ বা সমন্বয় করতে হবে।