বিকাশের উদ্যোগে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে কর্মশালা

bKashপ্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আরও কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে নিজেদের কর্মকর্তাদের জন্য কর্মশালা আয়োজন করেছে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইউই) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় এটি অনুষ্ঠিত হয়। এর শিরোনাম ছিল ‘টেকনলোজিক্যাল ইনোভেশন অ্যান্ড ইটস ইম্প্যাক্ট অন এএমএল অ্যান্ড সিএফটি প্র্যাকটিসেস ইন এমএফএস’।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফআইইউ’র প্রধান আবু হেনা মো. রাজি হাসান। প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সহায়তায় মোবাইল আর্থিক খাতে অ্যান্টি মানি লন্ডারিং অ্যান্ড কমব্যাটিং দ্য ফিন্যান্স অব টেররিজম (এএমএল অ্যান্ড সিএফটি) নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

কর্মশালায় বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, ‘অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকি আরও সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম করে তুলবে।’

কামাল কাদীর মনে করেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এএমএল অ্যান্ড সিএফটি সংক্রান্ত বিধিমালা সম্পূর্ণভাবে পরিপালন করছে বিকাশ।

কর্মশালাটি পরিচালনা করেন বিকাশের চিফ এক্সটারনাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার অ্যান্ড চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স অফিসার মেজর জেনারেল (অব.) শেখ মো. মনিরুল ইসলাম।

ভবিষ্যতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে যেসব প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ব্যবহার করা হবে, সেগুলো সম্পর্কে অবহিত করেন বিকাশের চিফ টেকনোলজি অফিসার মোহাম্মদ আজমল হুদা।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআইউ’র জয়েন্ট ডিরেক্টর মাসুদ রানা। দিনব্যাপী এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন বিকাশ, বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের ১২৫ জন কর্মকর্তা।