এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১৮ দশমিক ১ শতাংশ, ২০১০-১১ অর্থবছরে হয়েছিলো ২৮ শতাংশ, ২০১১-১২ অর্থবছরে ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১১ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছিল।
মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘বিভিন্ন সেক্টরের ভ্যাট অব্যাহতি, বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে শুল্ক, আয়কর অব্যাহতি দেওয়া ও বড় বড় প্রকল্প চালু করায় গতবছর রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি কমেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয়করে ৭২ হাজার ৮৯৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা মোট রাজস্বের ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ। এর মধ্যে ভ্যাট থেকে ৮৭ হাজার ৬১০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা মোট রাজস্বের ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ। কাস্টমস থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে, ৬৩ হাজার ৩৮২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। যা মোট রাজস্বের ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ। টাকার পরিমাণে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেলেও প্রবৃদ্ধির হারে তা কম।’
উল্লেখ্য, বিদায়ী অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ২ লাখ ৮০ হাজার ৬৩ কোটি টাকা। আর এনবিআর এই সময়ে রাজস্ব আহরণ করেছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সংশোধিত রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৬ হাজার ১৮১ কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে।