গভর্নর বলেন, ‘স্কুল শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮’শ কোটি টাকা। এদের সঞ্চয় সাধারণত মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোও অনুরূপ বিনিয়োগ করতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের কষ্টের সঞ্চয় থেকে পরিবার ও সমাজের কল্যাণ হয় এমন খাতেই খরচ হচ্ছে বেশি।’ এখনও অনেক স্কুল শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা স্কুল ব্যাংকিং সুবিধা সম্পর্কে তেমন জানেন না বলেও উল্লেখ করেন গভর্নর।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি মিলনায়তনে বাকপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত স্কুল ব্যাংকিং সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন,ব্যাংক হিসাব খোলার মাধ্যমে ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা। এটিএম, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড, অনলাইন ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মতো আধুনিক সেবার সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে। তাই শিক্ষার্থীরা তাদের হাতে আসা টাকার কিছুটা সঞ্চয় করবে।
বাকপ্রতিবন্ধী শিশুদের বিষয়ে ব্যাংকারদের উদ্দেশে গভর্নর বলেন, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এই শিশুরা আমাদের সমাজেরই অংশ। তাদের সুস্থ, সুন্দর সামাজিক জীবন যাপনের নিশ্চয়তা প্রদানের দায়িত্ব সমাজের প্রতিটি বিবেকবান মানুষের। তাই ব্যাংকিংয়ের সুযোগ প্রদান করে, তাদের দিকে একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই তাহলে তারাও দেশ, জাতি ও সমাজের উন্নয়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারবে।’
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির প্রিন্সিপাল জামশেদুজ্জামানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।
/এফএস/