২৪ ক্যারেটের সোনার বার বাজারে আনলেন সাকিব

বাংলাদেশে এই প্রথম  ১ গ্রামের সোনার বার বাজারে আনলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা খেলোয়াড় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার এবং রিলায়েবল কমোডিটিজ এক্সচেঞ্জ কোম্পানির চেয়ারম্যান সাকিব আল হাসান।  শুক্রবার (২২ এপ্রিল) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুইজারল্যান্ডে তৈরি ২৪ ক্যারেট মিন্টেড সোনার বার বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেন সাকিব। অতি টেকসই এই সোনার  প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। নিজের নতুন এই উদ্যোগের কথা বলার সময় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সাকিব আল হাসান।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে একসময় বিভিন্ন উৎসব বা আনন্দের মুহূর্তে সোনা উপহার দেওয়ার রেওয়াজ ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এবং সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে তা বদলে গেছে। সঠিক গুণমান নিশ্চিত করে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে স্বর্ণ সহজলভ্য করতে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমরা এই ব্যবস্থা করেছি।

সাকিবের বাজারজাত করা সোনার বারগুলো ১ গ্রাম, ২.৫ গ্রাম, ৫ গ্রাম, ১০ গ্রাম, ৫ তোলা, ১ আউন্স ও ১০০ গ্রাম আকারে পাওয়া যাচ্ছে।  ২৪ ক্যারেটের সোনার বার ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বিশুদ্ধ যা সুইজারল্যান্ডে তৈরি করা হয়। ২৪-কে বারগুলো বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং লাভজনক পণ্য হিসেবে। এটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্যও। একইসঙ্গে উৎকৃষ্ট উপহার সামগ্রী হিসেবেও এটি মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এ ছাড়া এই বার সারাবিশ্বেই নগদে পরিশোধযোগ্য।

বাজারজাতকারীদের আশা, এই পণ্যগুলো সাধারণ মানুষের জন্য স্বর্ণে বিনিয়োগ করা আরও সহজতর করবে। ফ্যাশন হাউস কিইউরিয়াসের মাধ্যমে বাজারজাত করা হচ্ছে এই বার। আপাতত প্রতিষ্ঠানটির বনানী শাখায় পাওয়া যাবে এই বার। এরপর ধীরে ধীরে অন্যান্য শাখাতেও সেটি বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।

কিউরিয়াস লাইফস্টাইলের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) বিশ্বজিৎ রায় সুইজারল্যান্ডে তৈরি ২৪ ক্যারেটের এই স্বর্ণবার বাজারে ছাড়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ডেকো লিগ্যাসি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কল্পন এস হোসাইন বলেন, সাকিব আল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে নতুন এই পণ্যটি আনতে পেরে বাংলাদেশের লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড কিউরিয়াস অত্যন্ত আনন্দিত।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমান বিশ্বে সবাই টেকসই ও ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ পদ্ধতি খুঁজছে। অন্যসব কিছুর তুলনায় স্বর্ণ হলো সঞ্চয় ও বিনিয়োগের একমাত্র ঝুঁকিমুক্ত উপায় এবং অত্যন্ত টেকসই একটি পদ্ধতি। এই ধরনের সঞ্চয় ও বিনিয়োগ পুরোপুরি নিরাপদ, লাভজনক এবং শরীয়াহ-সম্মত। কারণ বাংলাদেশ-সহ সারাবিশ্বেই সোনার বাজার মূল্য ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।