এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, পর্যটন নিয়ে কোনও মাস্টার প্ল্যান নেই। কোনও আইন, নিয়মনীতি নেই। এর মধ্যেও বেসরকারিভাবে বেড়ে উঠছে দেশের পর্যটন খাত। সরকার কোনও বিজনেস জোন করে দেয়নি, এখন বলছে গুলশান, বনানীর হোটেলগুলো অবৈধ। তাহলে আমরা কোথায় বিনিয়োগ করবো। সোনার বাংলা বানানোর পর বিশ্বকে দেখাতে না পারলে কি লাভ?
ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল বলেন, আমাদের পর্যটন খাত এগিয়ে যাচ্ছে। তবে ট্যুর অপারেটর, হোটেল, এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে কোনও সমন্বয় নেই।
ট্যুর অপারেটরের প্রতিনিধি ফরিদুল হক বলেন, ট্যুরিজম বোর্ড কোনও কাজ করছে না। সরকারের উচিত পর্যটনের উন্নয়নে ট্যুরিজম বোর্ডকে সক্রিয় করা।
টাইগার ট্যুর অপারেটরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মুয়িদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অন অ্যারাইভাল ভিসার কথা বলা হলেও বিদেশিদের ভিসা পেতে কষ্ট হয়। এমনও হয়েছে বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারা বিদেশিদের বলছেন, এতো দেশ থাকতে কেনও বাংলাদেশে যাবেন। এমন পরিস্থিতি থেকে আমাদের দ্রুত বেরিয়ে আসতে হবে।
ঢাকা ট্রাভেল মার্ট এর আায়োজক মনিটর সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলমের সঞ্চালনায় আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন, নভো এয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুল ইসলাম, ট্রাভেল রাইটার রকিব সিদ্দিকী, হানিফ জাকারিয়া প্রমুখ।
/সিএ/এমএসএম