এছাড়া উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে ৩৫৬ কোটি টাকার কিছুটা বেশি। যার মধ্যে ডিএসইতে কমেছে ২৯৬ কোটি টাকা এবং সিএসইতে কমেছে ৬০ কোটি টাকার কিছুটা বেশি।
ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭৪৭ কোটি ২৮ লাখ ৪ হাজার ৭৩ টাকা। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৪৩ কোটি ৩২ লাখ ১১ হাজার ২৩৬ টাকা। সুতরাং এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেনে কমেছে ২৯৬ কোটি টাকার কিছুটা বেশি। অর্থাৎ গত সপ্তাহে ডিএসইতে ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ লেনদেনে কমেছে।
এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৪ দশমিক ৪২ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৭৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪০৮ পয়েন্টে, ২ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে ডিএসই-৩০ সূচক ১ হাজার ৬৮৩ পয়েন্টে এবং ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মোট ৪ কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮০টির, কমেছে ২২২টির, শেয়ার দরের কোনও পরিবর্তন হয়নি ২৩টির এবং শেয়ার লেনদেন হয়নি ৬টি কোম্পানির শেয়ার।
এছাড়া টাকার অঙ্কে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- ডোরিন পাওয়ার, আমান ফিড, লংকা-বাংলা ফিন্যান্স, ইবনে সিনা, বিএসআরএম স্টিল, কেয়া কসমেটিকস, পাওয়ার গ্রিড, ইবনে সিনা, যমুনা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং তিতাস গ্যাস।
সিএসই
অন্যদিকে গত সপ্তাহে সিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমান ১০৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকার কিছুটা বেশি। গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১৬৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকার শেয়ার। সুতরাং এক সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে শেয়ার লেনেদেন কমেছে ৬০ কোটি টাকার বেশি।
গত সপ্তাহের মোট ৪ কার্যদিবসে সিএসইতে প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৫৮ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে ৮ হাজার ২৪৬ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ৯৭ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমে ১৩ হাজার ৫৭১ পয়েন্টে এবং সিএসই-৫০ সূচক ২ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ২৮ শতাংশ কমে অবস্থান করে ৯৯২ পয়েন্টে। তবে সিএসই-৩০ সূচক ১০৩ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে ১২ হাজার ৪৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
গত সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৭২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ১৮০টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ১৫টি কোম্পানির শেয়ার দর।
টাকার অঙ্কে গত সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- ডোরিন পাওয়ার, কেয়া কসমেটিকস, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো লিমিটেড, লংকা-বাংলা ফিন্যান্স, তিতাস গ্যাস, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ড্রাগন সোয়েটার, যমুনা অয়েল এবং এমজেএল বাংলাদেশ।
/এসএনএইচ/