একসময় দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী বেসরকারি ব্যাংকগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। পরিচালনা পর্ষদ নেই, চেয়ারম্যান নেই, পূর্ণ ক্ষমতার ব্যবস্থাপনা পরিচালকও নেই। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বড় অঙ্কের লোকসান, কয়েক মাসে হাজার কোটি টাকা আমানত কমে যাওয়া, বিপুল খেলাপি ঋণ এবং গ্রাহকদের আস্থার সংকট।
এর মধ্যেই ব্যাংকের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনের পদত্যাগ দাবি করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। সব মিলিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে, ইসলামী ব্যাংক এই সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, নাকি সংকট আরও গভীর হবে?
ব্যাংকটির ভবিষ্যৎ শুধু এর প্রায় ৩ কোটি গ্রাহকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইসলামী ব্যাংক দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যাংক হওয়ায় এর আর্থিক দুর্বলতার প্রভাব পুরো ব্যাংকিং খাতেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তিন মাসেও হয়নি পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ
চলতি বছরের ১৪ জুন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্যের নিয়োগ বাতিল করে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে পরিচালনা পর্ষদের সব ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
দায়িত্ব গ্রহণের পর জহির হোসেন ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন জোরদার এবং আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে একটি নিরপেক্ষ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তবে তিন মাসের বেশি সময় পার হলেও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিলের আগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসক জহির হোসেনের পদত্যাগ দাবি করে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। কর্মসূচিতে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও সাধারণ আমানতকারীরা অংশ নেন।
ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিক বলেন, প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর চলমান মামলাগুলোকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নেওয়া এবং দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়ার কথা থাকলেও তিন মাসের বেশি সময়ে তেমন কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ব্যাংকের সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো পদক্ষেপও নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জহির হোসেনের পদত্যাগ দাবি করে তিনি বলেন, প্রশাসকের এখতিয়ারের মধ্যে থাকা বিষয়গুলো সমাধান না হলে এবং ইসলামী ব্যাংককে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা না থাকলে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।
ফোরাম একই সঙ্গে দ্রুত সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর পরিচালনা পর্ষদ গঠনে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ চেয়েছে।
সিদ্ধান্তে ধীরগতি
ব্যাংকসংশ্লিষ্টদের মতে, একটি বড় বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য দীর্ঘ সময় পরিচালনা পর্ষদ না থাকা স্বাভাবিক পরিস্থিতি নয়। কারণ বড় ঋণ অনুমোদন, পুনঃতফসিল, বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পরিচালনা কাঠামোর ভূমিকা রয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম বলছে, ব্যাংকের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি তৈরি হয়েছে। গ্রাহকদের একটি অংশের অভিযোগ, আমদানি এলসি খোলা, চলতি মূলধন পাওয়া ও ঋণ পুনঃতফসিলের মতো কাজে আগের গতি নেই।
তবে ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হুসাইন বলেছেন, ব্যাংকের অধিকাংশ কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে এবং গ্রাহকদের বিনিয়োগের চাহিদাও যথাসম্ভব পূরণ করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোহাম্মদ জহির হোসেন জানিয়েছিলেন, ইসলামী ব্যাংকের জন্য সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
লোকসান বাড়ছে, কমছে আমানত
ইসলামী ব্যাংকের সর্বশেষ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনেই সংকটের আর্থিক চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জানুয়ারি-মার্চে ব্যাংকটির পরিচালন লোকসান ছিল ২৭৪ কোটি টাকা। এপ্রিল-জুন তিন মাসে সেই লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক প্রান্তিকেই পরিচালন লোকসান বেড়েছে প্রায় চার গুণ।
প্রথম ছয় মাসে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালন লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা। একই সময়ে নিট লোকসান ছাড়িয়েছে ১ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা।
শুধু লোকসান নয়, ব্যাংকটির আমানতেও বড় পতন হয়েছে। মার্চ শেষে ইসলামী ব্যাংকের আমানত ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা। জুন শেষে তা কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকায়। তিন মাসে আমানত কমেছে ২১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা।
অন্যদিকে জুন শেষে ব্যাংকটির মোট বিনিয়োগ বা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এর প্রায় অর্ধেকই খেলাপি।
অর্থাৎ ব্যাংকটির সামনে এখন একসঙ্গে তিনটি বড় চাপ; আমানত কমে যাওয়া, খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়া এবং লোকসান বাড়া।
১৩ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা
ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান সংকটের বড় কারণগুলোর একটি ছিল আমানত তুলে নেওয়ার প্রবণতা। চেয়ারম্যান নিয়োগ ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অস্থিরতার মধ্যে গ্রাহকদের একটি অংশ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেয়।
এই সহায়তায় তাৎক্ষণিক চাপ কিছুটা কমলেও দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংককে টিকিয়ে রাখতে শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ সহায়তা যথেষ্ট নয়। ব্যাংকের নিজস্ব আয় বাড়াতে হবে, খেলাপি ঋণ আদায় করতে হবে, নতুন আমানত আনতে হবে এবং গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
কারণ একটি ব্যাংকের সবচেয়ে বড় শক্তি তার আমানতকারী। গ্রাহক যদি মনে করেন তার টাকা নিরাপদ, তাহলে ব্যাংক টিকে থাকার ভিত্তি শক্ত থাকে। বিপরীতে আস্থার সংকট তৈরি হলে তারল্য সংকট দ্রুত গভীর হতে পারে।
এস আলমের ঋণই বড় বোঝা?
ইসলামী ব্যাংকের সংকটের আলোচনায় বারবার উঠে আসছে এস আলম গ্রুপের নাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরীক্ষার বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এস আলম গ্রুপ বিভিন্ন নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।
গ্রাহক ফোরামের দাবি, ব্যাংক থেকে লুট হওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮২ হাজার কোটি টাকা। তারা বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে এসব অর্থ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে।
তবে এই অর্থের কতটা আদায় করা সম্ভব, কতটা খেলাপি এবং কতটা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ধার করা যাবে—তা এখনো বড় প্রশ্ন।
এই ঋণের একটি বড় অংশ যদি উদ্ধার করা না যায়, তাহলে ব্যাংকের মূলধন ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। আবার কার্যকরভাবে ঋণ আদায় করা সম্ভব হলে ব্যাংকটির আর্থিক ভিত্তি শক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে।
গ্রাহকদের দাবিতে প্রশাসকের পদত্যাগ
সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে গ্রাহক ফোরাম পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের পাশাপাশি ব্যাংকের মালিকানা, ঋণ অনিয়ম, লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার, চলমান মামলা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে।
এর আগে রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি সাত দফা দাবি জানিয়েছিল। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল, যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন, প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ, ব্যাংক থেকে লুট হওয়া অর্থ উদ্ধার, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচার, অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের ধরে রাখা, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অপপ্রচার বন্ধ এবং কথিত লুটেরাদের পুনর্বাসন ঠেকানো।
সংগঠনটির দাবি, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার আওতায় ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রতিনিধি পরিচালক নিয়োগসংক্রান্ত নতুন শর্তাবলি ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রেও দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
তবে ফোরামের উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের সবগুলোই এখনো প্রমাণিত বা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে; এমন নয়। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।
দুই পক্ষের কর্মসূচিতে উত্তেজনা
ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সম্প্রতি গ্রাহক ও চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। ওই ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সংবাদ সম্মেলনে গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগও করা হয়। একটি পক্ষ নিজেদের লোকজনকে ব্যবহার করে ব্যাংকে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন ফোরামের নেতারা।
তাদের অভিযোগ, আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়গুলোও নতুন করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সামনে আনার চেষ্টা চলছে। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরা বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থসহায়তা পেয়েছেন এমন তথ্য বিভিন্ন সূত্রে পাওয়ার দাবি করেন তারা। তবে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবির পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
আস্থা ফেরানোই বড় পরীক্ষা
ইসলামী ব্যাংকের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু টাকা জোগাড় করা নয়; আস্থা ফেরানো। ব্যাংকটির আমানতকারীরা যদি আবার নিয়মিতভাবে টাকা জমা রাখতে শুরু করেন, ভালো গ্রাহকদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক হয় এবং খেলাপি ঋণ আদায় বাড়ে, তাহলে ব্যাংকটির ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
কিন্তু দীর্ঘদিন যদি বোর্ডহীনতা, ব্যবস্থাপনার অনিশ্চয়তা, লোকসান ও খেলাপি ঋণের চাপ চলতে থাকে, তাহলে সংকট আরও জটিল হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।
ব্যাংকটির জন্য একটি গ্রহণযোগ্য পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের কাজ চলছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। দ্রুতই নতুন বোর্ড গঠনের আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
টিকে থাকার উত্তর কোথায়?
ইসলামী ব্যাংক এখনও দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যাংক। জুন শেষে ব্যাংকটির মোট সম্পদ ও দায়ের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। আমানত ছিল ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা এবং বিনিয়োগ ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা।
এই বিশাল আর্থিক ভিত্তি দেখায়, ব্যাংকটির সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। কিন্তু একই সঙ্গে লোকসান, খেলাপি ঋণ, আমানত কমে যাওয়া এবং পরিচালনা কাঠামোর অনিশ্চয়তা বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে।
তাই ইসলামী ব্যাংক টিকে থাকবে কি না; এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে আগামী কয়েকটি পদক্ষেপের ওপর। দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর পরিচালনা পর্ষদ গঠন, পেশাদার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, খেলাপি ও অনিয়মের ঋণ আদায়, আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হলে সংকট কাটানোর সুযোগ রয়েছে। আর এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা হলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।