স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যাংকিং বন্ধ হলে কর্মীদের কী হবে

বহুজাতিক ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং বা ভোক্তা ব্যাংকিং ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে না জানালেও সংশ্লিষ্টসূত্রগুলো বলছে, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে এই ব্যবসা বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। এমনকি এরইমধ্যে দেশের কয়েকটি ব্যাংক ব্যবসাটি অধিগ্রহণে আগ্রহ দেখিয়েছে। আলোচনায় এগিয়ে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক।

ব্যাংক খাতের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রির সম্ভাব্য প্রক্রিয়া নিয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সঙ্গে আগ্রহী ব্যাংকগুলোর আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকটির বাংলাদেশ ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে নাম না প্রকাশের প্রকাশের শর্তে জ্যেষ্ঠ্য এক ব্যাংকার বলেন, গুঞ্জন যা উঠেছে, তা সত্য হওয়ার সম্ভাবনােই বেশি। বিশ্বের অনেক দেশেই এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে এখানে একটি বিষয় বুঝতে হবে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড কিন্তু বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা ‍গুটিয়ে নিচ্ছে না। তারা শুধু তাদের রিটেইল ব্যাংকিং পোর্টফোলিও বিক্রি বা বন্ধ করার প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে।

উদারহণ তুলে ধরে তিনি বলেন, রিটেইল ব্যাংকিং বলতে সাধার‌ণ মানুষ যেসব সুবিধা ব্যাংক থেকে পেয়ে থাকেন, যেমন সেভিংস বা কারেন্ট অ্যাকাউন্ট, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, পার্সোনাল লোন বা হোম লোন, এটিএম বুথ এবং মোবাইল ব্যাংকিং প্রভৃতি। এই পোর্টফোলিও ছেড়ে দিলেও ব্যাংকটি করপোরেট ব্যাংকিং বা বড় বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য তাদের সেবা আগের মতোই চালিয়ে যাবে।

তবে এই পোর্টফোলিও বিক্রি বা বন্ধ করার বিষয়েও এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। লেনদেনের মূল্য, সময়সীমা কিংবা কোন কোন গ্রাহক, শাখা, কর্মী ও সেবা এর আওতায় আসবে, সে বিষয়েও কোনো আলোচনায় হয়নি। তবে ব্যবসাটি বিক্রি হলে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যাংকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত কতজন কর্মীর চাকরি থাকবে এবং কতজনকে নতুন প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে বা চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে হবে।

ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে শুধু গ্রাহক ও আমানত-ঋণের পোর্টফোলিও নয়, সংশ্লিষ্ট কর্মী, শাখা, কার্ড ব্যবসা, প্রযুক্তি অবকাঠামো ও গ্রাহকসেবা ব্যবস্থাপনাও আলোচনার অংশ হতে পারে। ফলে ব্যবসা বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট সব কর্মীর চাকরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে যাবে, এমনটি যেমন বলা যাচ্ছে না। আবার সবাই যে নতুন ব্যাংকে একই পদে বহাল থাকবেন, এমন নিশ্চয়তাও নেই।

চাকরি হারাবেন কতজন, এখনও স্পষ্ট নয়

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসায় সরাসরি কতজন কর্মী কাজ করেন, সে বিষয়ে ব্যাংকটি কোনো সংখ্যা প্রকাশ করেনি। ফলে সম্ভাব্য লেনদেনের কারণে ঠিক কতজন কর্মী চাকরি হারাতে পারেন, তার নির্ভরযোগ্য হিসাব এখনই দেওয়া সম্ভব নয়।

ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কোনো ব্যাংকের একটি নির্দিষ্ট ব্যবসা অন্য ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর হলে সাধারণত কর্মীদের বিষয়টি চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। নতুন ব্যাংক চাইলে অভিজ্ঞ কর্মীদের একটি অংশকে নিজস্ব কাঠামোয় নিতে পারে। আবার একই ধরনের দায়িত্বে অতিরিক্ত জনবল তৈরি হলে পুনর্গঠনও হতে পারে।

এ কারণে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসার সম্ভাব্য ক্রেতা কে হচ্ছে এবং চুক্তির শর্ত কী থাকছে, তার ওপরই কর্মীদের ভবিষ্যৎ অনেকটা নির্ভর করবে।

ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরো ব্যাংক বিক্রি বা একীভূত হওয়ার সঙ্গে এ উদ্যোগের পার্থক্য রয়েছে। একটি বিদেশি ব্যাংক তার নির্দিষ্ট ব্যবসা বা গ্রাহকভিত্তিক পোর্টফোলিও আলাদাভাবে অন্য ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করলে বাংলাদেশে এটি হবে ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা।

গ্রাহকদের কী হবে?

ব্যবসাটি অন্য কোনো ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর হলে গ্রাহকদের সেবা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। বরং বড় একটি গ্রাহকভিত্তি দখলে নিতে দেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে। এতে নতুন প্রযুক্তি, পণ্য ও গ্রাহকসেবা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের ব্যবসা হাতবদলের ঘটনা নতুন নয়। এর আগে বিসিসিআইয়ের ব্যবসা ইস্টার্ন ব্যাংক গ্রহণ করে। ক্রেডিট কৃষি ইন্ডোসুয়েজও বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা বিক্রি করে। আবার এএনজেড গ্রিন্ডলেজের ব্যবসা পরবর্তী সময়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সঙ্গে একীভূত হয়।

ফলে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যাংকিং থেকে সরে দাঁড়ানোকে বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি বিদায় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি দেশের ব্যাংকিং খাতে বিদেশি ও দেশি ব্যাংকের ব্যবসায়িক কৌশলের পরিবর্তনের একটি উদাহরণ।

বড় আমানত ও ঋণের পোর্টফোলিও

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসার বড় আকর্ষণ এর গ্রাহকভিত্তি ও আমানত। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ খাতে ব্যাংকটির আমানত প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং ঋণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

রিটেইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় সাধারণত সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাব, স্থায়ী আমানত, ব্যক্তিগত ঋণ, গাড়ি ও গৃহঋণ, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডসহ বিভিন্ন সেবা থাকে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রয়েছে প্রিমিয়াম ও রিওয়ার্ডভিত্তিক কার্ড, ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষায়িত ব্যাংকিং সুবিধাও।

বিশেষ করে উচ্চ-মূল্যের বা সম্পদশালী গ্রাহকের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ব্যবসাটি স্থানীয় ব্যাংকগুলোর কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এসব গ্রাহকের গড় আমানত বেশি এবং একই গ্রাহককে একাধিক আর্থিক সেবা দেওয়ার সুযোগ থাকে।

ব্র্যাক ও সিটি ব্যাংকের আগ্রহ

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যবসা অধিগ্রহণে ব্র্যাক ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এরই মধ্যে দুই ব্যাংকের সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের পৃথক বৈঠক হয়েছে।

সিটি ব্যাংকের ব্যক্তি পর্যায়ের আমানত প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে ব্যক্তিগত, গাড়ি ও গৃহঋণসহ ভোক্তা ঋণের পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যবসা অধিগ্রহণ করতে পারলে ব্যাংকটির ভোক্তা ঋণ ও গ্রাহকভিত্তি বাড়বে।

অন্যদিকে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যক্তি পর্যায়ের আমানত প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা। ভোক্তা ঋণের পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকটির মোট আমানত ইতোমধ্যে এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

ব্র্যাক ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। অধিগ্রহণের আগে ব্যবসার মূল্যায়ন, যথাযথ প্রক্রিয়া এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনসহ বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে হবে।

সিটি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তাও জানান, রিটেইল ব্যবসা বিক্রির সম্ভাব্য উদ্যোগের কথা জানার পর তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি বিভিন্ন অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে এবং এটি সম্পন্ন হতে সময় লাগতে পারে।

কেন রিটেইল ব্যাংকিং থেকে সরে যাচ্ছে?

সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি শুধু বাংলাদেশের বাজারকেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত নয়; স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, করপোরেট ব্যাংকিং ও সম্পদশালী গ্রাহকদের সেবায় বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়ে বিভিন্ন দেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা কমিয়ে আনছে ব্যাংকটি।

রিটেইল ব্যাংকিংয়ে পরিচালন ব্যয়, কমপ্লায়েন্স ও অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং–সংক্রান্ত ব্যয়ও তুলনামূলক বেশি। ফলে বৈশ্বিক ব্যাংকগুলো এ খাতের ব্যবসা পুনর্বিন্যাস করছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, বাংলাদেশের বাজারে এই সিদ্ধান্তকে শুধু স্থানীয় পরিস্থিতির আলোকে দেখলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে না। বিশ্বজুড়েই স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড রিটেইল ব্যাংকিং থেকে ধীরে ধীরে সরে গিয়ে করপোরেট, প্রাতিষ্ঠানিক ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবসায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

এর আগে ব্যাংকটি আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার কয়েকটি বাজারে রিটেইল বা কনজ্যুমার ব্যাংকিং কার্যক্রম সীমিত কিংবা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। শ্রীলঙ্কাতেও রিটেইল ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবসা বিক্রি করেছে ব্যাংকটি।

বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন দেশে রিটেইল ব্যাংকিং পরিচালনায় প্রযুক্তি, কমপ্লায়েন্স, অর্থ পাচার প্রতিরোধ, শাখা ও কর্মী ব্যবস্থাপনার খরচ তুলনামূলক বেশি। বিপরীতে করপোরেট ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিংয়ে তুলনামূলক বড় অঙ্কের লেনদেন এবং নির্দিষ্ট গ্রাহকের মাধ্যমে বেশি মূলধন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

এইচএসবিসির পর আরেক বহুজাতিক ব্যাংক

বাংলাদেশে বহুজাতিক ব্যাংকের রিটেইল ব্যবসা সংকুচিত করার ঘটনা নতুন নয়। ২০২৫ সালে এইচএসবিসি বাংলাদেশে তাদের রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। তারও আগে ২০০৫ সালে আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক বাংলাদেশ থেকে তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়।

তবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সম্ভাব্য উদ্যোগের বিশেষত্ব হলো, পুরো ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ না করে নির্দিষ্ট রিটেইল ব্যবসা অন্য ব্যাংকের কাছে হস্তান্তরের সম্ভাবনা।

গ্রাহকদের সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ

ব্যবসাটি কোনো স্থানীয় ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর হলেও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সব গ্রাহক স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ব্যাংকের গ্রাহক হয়ে যাবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। গ্রাহকের সম্মতি, হিসাবের ধরন এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোর বিষয়গুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

এ ছাড়া রিটেইল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কর্মী, শাখা, প্রযুক্তি অবকাঠামো, কার্ড ব্যবসা এবং গ্রাহকসেবা ব্যবস্থার কী হবে, সেটিও সম্ভাব্য চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ও ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিংয়ের কান্ট্রি হেড বিটপি দাশ চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়া বা বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়ে বাজারে যে আলোচনা চলছে, তা মূলত গুঞ্জন বা অনুমাননির্ভর। এ বিষয়ে ব্যাংক কোনো মন্তব্য করতে চায় না।

তিনি বলেন, “আমরা নিয়মিতভাবে আমাদের বৈশ্বিক ব্যবসায়িক মডেলের কার্যকারিতা পর্যালোচনা করি। প্রয়োজন হলে যেসব ক্ষেত্রে আমাদের স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী গ্রাহকসেবা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে, সেসব খাতে সম্পদ ও বিনিয়োগ আরও কেন্দ্রীভূত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।”

বাংলাদেশে ব্যাংকটির দীর্ঘ উপস্থিতির কথা তুলে ধরে বিটোপি দাস চৌধুরী বলেন, “স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড একটি বৈশ্বিক ‘সুপার-সংযোগকারী’ ব্যাংক। বাংলাদেশে আমাদের শিকড় ১২০ বছরেরও বেশি সময়ের। দেশে ব্যাংকটির দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। আমরা বাংলাদেশের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতিতে অটল।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আমাদের ব্যাংকিং সেবা ও কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন হয়নি।”