অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, পূর্বাচল জলসিঁড়ি এলাকায় নবনির্মিতব্য মহানগরসহ রাজধানী ঢাকা এবং নিকটস্থ নারায়গঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নরসংদী এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য মনে হয়। ‘মেট্রোপলিটন যোগাযোগ কর্তৃপক্ষ’ পরিকল্পনা প্রণয়ন, বিভিন্ন যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান এবং একইসঙ্গে উড়াল সেতু বা পাতাল রেল স্থাপনের মধ্যে সমন্বয় সাধন হবে এ কর্তৃপক্ষের প্রধানের দায়িত্ব।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আরও বলেন, ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের যানজট নিরসনে আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছি। ইতোমধ্যে, ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসটে বাস র্যাপিড ট্রান্সিড এর ডিপো নির্মাণে পূর্ত কাজ শুরু হয়েছে। শিগগিরই শুরু হবে ডেডিকেটেড লেন নির্মাণের কাজ। স্ট্রেটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানকে (এসটিপি) হালনাগাদ করে এর আওতায় ৩ স্তর বিশিষ্টি সার্কুলার রুট, ৫টি এমআরটি লাইন ও ২টি বিআরটি লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা আছে।
গণপরিহবন ব্যবস্থায় স্বাচ্ছন্দ্য আনার জন্য বিআরটিসির বহরে ৬০০টি বাস ও ৫০০টি সংগ্রহের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
তিনি বলেন, যানজট নিরসনে চট্টগ্রাম সিটিতে আউটার রিং রোড, ইউলুপ ও ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ চলমান। এছাড়া, লালখান বাজার হতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৬.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
আরও পড়ুন: অনিশ্চিত স্থানীয় শাসনকে দুষলেন অর্থমন্ত্রী
/সিএ/এজে