দাম বাড়তে পারে কম্পিউটার ও খুচরা যন্ত্রাংশের

কম্পিউটারএবার নতুন বাজেট ঘোষণার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে তথ্যপ্রযুক্তি অঙ্গনে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন। বাজেটে কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ ও কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট পণ্যে আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি এবং ই-কমার্স ও অনলাইন শপিংকে করের আওতায় আনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এ ধরনের উদ্যোগের ফলে কম্পিউটারের দাম বাড়বে এবং ই-কমার্স খাতের প্রসার বাধাগ্রস্ত হবে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন- সরকার বাজেট পাসের সময় এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেবেন।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ এইচ কাফি বলেন, কম শুল্কের পণ্যে এবার শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে করে স্বাভাবিকভাবেই এসব পণ্যের দাম বাড়বে। তিনি বলেন, কম্পিউটার, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ, প্রিন্টার, স্ক্যানার, টোনার, কার্টিজ, হার্ডডিস্ক, মডেম, ইউপিএস, আইপিএস, মোবাইল সিমসহ তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের ওপর বিদ্যমান শুল্ক ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর প্রভাব প্রযুক্তিপ্রেমীসহ ব্যবসায়ীদের ওপরও পড়বে।
এদিকে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের বরাদ্দ বেড়েছে কিন্তু এখনও আমরা পরিষ্কারভাবে জানি না কোন কোন খাতের জন্য এ বরাদ্দ। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ৪টি বিষয়কে মৌলিক স্তম্ভ বলে উল্লেখ করেছে সরকার। এটা বাজেটের উল্লেখযোগ্য দিক।
শামীম আহসান আরও বলেন, অর্থবিলে ই-কমার্স ও অনলাইন শপিং ২০২৪ সাল পর্যন্ত করমুক্ত বা কর অবকাশ সুবিধা ছিল। কিন্তু এবারের বাজেট প্রস্তাবে এ দুটি আইটেমকে করসীমার মধ্যে আনা হয়েছে। তিনি মনে করেন, এতে করে ই-কমার্স অনলাইন শপিংয়ে পণ্য ও সেবাপণ্যের দাম বেড়ে যাবে। সরকারের প্রতি এই দুটি আইটেমকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত করমুক্ত রাখার আহ্বান জানান শামীম আহসান।
/এইচএএইচ/এএইচ/




আরও খবর পড়ুন-

ড্রয়িং কালারিংশিশুদের ড্রয়িং বইয়ের দাম বাড়াচ্ছেন অর্থমন্ত্রী