২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জনগণের সেবা কমে কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুওর (ডরপ)। বৃহস্পতিবার (১ জুন) সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানায়।
গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থার পক্ষে উপ-নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান বলেন, ‘এটি বড় ঘাটতির বাজেট। মূল্যস্ফীতির কারণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সেবামূলক খাতে এর প্রভাব পড়বে। নানামুখী অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বৃদ্ধি এবং করজাল যদি বিস্তৃত না করা হয় তাহলে বাজেট ঘাটতি মোকাবিলা করা মুশকিল হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘বাজেটে মৌলিক সেবা খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও তার যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হলে অন্যান্য উন্নয়ন খাতগুলোতেও এর প্রভাব পড়বে। তাই ন্যায্যতা, প্রয়োজনীয়তা ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। যেহেতু পানি ও স্যানিটেশন সংক্রান্ত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো জনগণের মৌলিক সেবা যেমন স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাই খাতটিতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ একান্তভাবে জরুরি।’
বাজেট ঘাটতি মোকাবিলায় যোবায়ের হাসান সংস্থার পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন। সেগুলো হলো- ভোগ ব্যয় কমিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দ, আভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানো, করজাল বিস্তৃত করা, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচন নীতিমালা গ্রহণ করা।
তিনি বলেন, ‘২০৩০ সাল পর্যন্ত টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বর্তমান বরাদ্দ ১২ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ হাজার কোটি টাকা করতে হবে।’