ইউরোপের বাজার উপযোগী পাটপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সহায়তায় সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার- জেডিপিসি’র সম্মেলন কক্ষে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন জেডিপিসি’র নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ হোসেন ও সেন্টার ফর প্রমোশন ইমপোর্ট ফরম ডেভেলপিং কান্ট্রিস-সিবিআই’র পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউয়েন সমঝোতা চুক্তিতে সই করেন।
এ সময় জেডিপিসি ও সিবিআই’র ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামি পাঁচ বছরের জন্য এই সমঝোতা চুক্তিটি সই হলো। উল্লিখিত সংস্থা দুটির মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হওয়ায় জেডিপিসি’র হোম টেক্সটাইল অ্যান্ড হেম ডেকোরেশন উৎপাদনকারী উদ্যোক্তারা ইউরোপের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন ডিজাইনের পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সক্ষম হবে। ফলে ইউরোপের বাজার উপযোগী বহুমুখী পাটপণ্য রফতানি ব্যাপকভাবে বাড়বে। এতে রফতানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি হবে।
বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতারর কারণে পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের চাহিদা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) এর মাধ্যমে পাটপণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উদ্ভাবন, ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ করেছে। ইতোমধ্যে, এ খাতের উদ্যোক্তারা ২৮২ ধরনের দৃষ্টিনন্দন পাটপণ্য উৎপাদন করছে, যার অধিকাংশই বিদেশে রফতানি করা হচ্ছে। বহুমুখী পাটজাত পণ্যকে জনপ্রিয় করতে প্রচার-প্রচারণাসহ বিদেশে বিভিন্ন মেলার আয়োজন করার কাজ চলমান রয়েছে। এসব মেলা পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী, বিপণনকারী, ব্যবহারকারী এবং বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে অধিক যোগাযোগ স্থাপনে সহায়ক হবে। এক্সপো ২০২০, দুবাইসহ সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য মেলায় বহুমুখী পাটপণ্যের প্রতি মানুষের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।