রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ

চলতি অর্থবছরের (২০২২-২৩) প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-র প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রফতানি আয় বাড়লেও গত মার্চে কমেছে।

আগের বছরের একই মাসের তুলনায় গত মার্চে বাংলাদেশের রফতানি আয় ২.৪৯ শতাংশ কমে ৪.৬৪ বিলিয়ন ডলার হয়েছে বলে জানায় ইপিবি।

মার্চে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫.০২ বিলিয়ন ডলার, এক বছর আগে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়কারী তৈরি পোশাকের চালান বিশ্ববাজারে ভালো গেছে। ফলে ফেব্রুয়ারিতে বছরওয়ারি হিসাবে পণ্য রফতানি ৭.৮১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৪.৬৩ বিলিয়ন ডলার হয়। তবে টানা তিন মাস পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ঘরে থাকার পর ফেব্রুয়ারিতেই তা কমে আসে।

ইপিবির তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের (২০২২-২৩) প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। প্রথম ৯ মাসে রফতানি হয়েছে ৪ হাজার ১৭২ কোটি ১৬ লাখ ডলার। রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ২২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রফতানি আয় কম হয়েছে ১ দশমিক ২৮ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ৩ হাজার ৮৬০ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।

খাতভিত্তিক তথ্যে দেখা যাচ্ছে, প্রথম ৯ মাসে পোশাক পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ। পোশাকের মধ্যে নিটওয়্যারে প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ৭৮ শতাংশ, ওভেনে প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। প্লাস্টিক পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৪ শতাংশ, কাঠ ও কাঠজাতীয় পণ্যে ৯৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এদিকে, কৃষিপণ্য রফতানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশ, হ্যান্ডিক্রাফটসে ৩৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ, পাট ও পাটজাত পণ্যে ২১ দশমিক ২৩ শতাংশ ও কার্পেটে ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।