ফাইলের স্তূপ দেখে রেগে গেলেন প্রতিমন্ত্রী

রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ তিতাসের ঢাকার একটি অফিস পরিদর্শনে যান। অফিসের যত্রতত্র ফাইল পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। অপরিচ্ছন্ন অগোছালো ফাইলের স্তূপ অফিসটিকে করে তুলেছিল শ্রীহারা। সরকারের ডিজিটাল কার্যক্রম বাস্তবায়নের মধ্যে তিতাসের এই হাল দেখে রেগে যান প্রতিমন্ত্রী। কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান কেন এভাবে ফাইল ফেলে রাখা হয়েছে। মন্ত্রীর প্রশ্নে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তিতাসের কর্মকর্তারা।

ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে আকণ্ঠ নিমজ্জিত তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানির শুদ্ধি অভিযানে নেমেছেন খোদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তিনি ইদানিং তিতাসের বিভিন্ন অফিসে ঢুঁ মারছেন। অনিয়মের পাহাড় দেখে ইতোমধ্যে  ঘোষণা করেছেন তিতাসকে নিয়মে ফেরাতে হবে।

জ্বালানির অপচয় কমাতে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াশ অব্যাহত থাকবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার ও এ সংক্রান্ত সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান কার্যক্রমও চলছে।

রবিবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির টিকাটুলির জোনাল অফিস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব বলেন প্রতিমন্ত্রী।

অফিস ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দ্রুত অটোমেশনে যেতে হবে। এ ছাড়া গ্যাসের দাম, প্রিপেইড মিটার, পাইপলাইন ও লিকেজ, গ্যাসের অপচয় ও তিতাসের দুর্নীতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি।

গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মূল্য বৃদ্ধি করবে বার্ক (বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন)। গ্রাহক অসন্তোষ যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকার কাজ করছে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, এখন বিপিসি শুধু ডিজেলেই প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা লোকসান করছে।

টিকাটুলির জোনাল অফিস থেকে জনবল কম থাকাসহ আরও কিছু সমস্যা প্রতিমন্ত্রীকে জানানো হয়।