রেকর্ড উৎপাদন বলছে পিডিবি, মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ নেই ১৪ ঘণ্টা

একদিকে সরকার বিদ্যুতে সর্বোচ্চ উৎপাদনের রেকর্ড প্রচার করছে, অপরদিকে দেশের মানুষ বিদ্যুৎ না পাওয়ার অভিযোগ করছে। এই দুই চিত্র একইসঙ্গে চলতে পারে কিনা এটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব সময় যারা সরকারে থাকেন, তারা জনগণের দুর্ভোগ বিবেচনা না করে নিজেদের অক্ষমতা লুকানোর চেষ্টা করেন। বিদ্যুতের রেকর্ড উৎপাদন, আর সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্ভোগ—এই দুই চিত্র একত্র করলে হিসাব মেলে না।

চারদলীয় জোট সরকারের সময় বিদ্যুৎ নিয়ে দেশের মানুষের অভিজ্ঞতা খুব একটা ‍সুখকর ছিল না। দেখা যায়, ২০০৫-০৬ সালে সারা দেশে ভয়াবহ লোডশেডিং হতো। তখন গ্রামে ১৬ ঘণ্টা, আর খোদ ঢাকায় ১২ ঘণ্টা লোডশেডিং করা হতো। এবার বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর বিদ্যুৎ নিয়ে আকস্মিক দুর্ভোগ শুরু হয়।

বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য গ্রামীণ জনপদের লম্বা লম্বা বিতরণ লাইনকে দুষেছেন। তিনি বলেছেন, গ্রামে বিতরণ লাইনগুলো অনেক লম্বা হওয়ায় সেখানে কোনও সমস্যা হলে লাইন ঠিক করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে বিলম্ব হয়। মন্ত্রীর ভাষায়, এটা লোডশেডিং নয়, লাইনের বিভ্রাট।

কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, এই লাইনতো বিএনপি দায়িত্ব নেওয়ার পর হঠাৎই লম্বা হয়ে যায়নি। লাইনগুলো আগেই লম্বা ছিল। তাহলে এখন লোডশেডিং হচ্ছে কেন, এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

পিডিবির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা কোনও অতিপ্রাকৃতিক বিষয় নয়। সরবরাহ কেমন হবে তা নির্ভর করে উৎপাদনে ওপর। প্রতিদিন সরকারের তরফ থেকে যে উৎপাদন চিত্র দেওয়া হচ্ছে, তাতে বলা হচ্ছে—দেশে তেমন কোনও লোডশেডিং নেই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ঈদের ছুটিতে কলকারখানা বন্ধ থাকার পাশাপাশি সরকারে বেসরকারি অফিসও বন্ধ ছিল। তখন বিদ্যুতের চাহিদা একেবারে কমে গেছিল। সে সময় টানা বৃষ্টি থাকায় তাপমাত্রাও কম ছিল। ফলে বিদ্যুতের লোডশেডিং খুব একটা ছিল না।

ঈদের আগে ২০ মে রাতে পিডিবি জানায়, তারা ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। দেশের ইতিহাসে এত বিদ্যুৎ উৎপাদন আগে আর হয়নি। সরকারের তরফ থেকেও বলা হয়, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩০ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে সাধারণ মানুষকে লোডশেডিংয়ের মধ্যে কেন থাকতে হবে?

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর উচিত প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা। এতে করে স্বচ্ছতা আসবে। একদিকে আপনি বলতেছেন বিদ্যুতের ঘাটতি নাই, কিন্তু অন্যদিকে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ ছাড়া বসে আছেন। ফলে এই সেবা খাতের প্রতি গ্রাহকের অনাস্থা তৈরি হচ্ছে, সেটা থেকে বের হওয়া দরকার। এই অনাস্থাই সরকারের জনপ্রিয়তাকে নষ্ট করছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘সম্প্রতি সরকার বলেছে, তেলের মজুত আছে, অথচ পাম্পে গিয়ে মানুষ তেল পাচ্ছে না। না থাকলে সেটা বলতে সমস্যা কোথায়?’’ তিনি বলেন, ‘‘পুরো চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দিতে গেলে— যে পরিমাণ জ্বালানি আমাদের প্রয়োজন হয়, অর্থনৈতিকভাবে সেটা সংস্থান আমাদের সম্ভব না। এই কারণে লোডশেডিং করেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে। এটা আগের সরকারও করেছে। এবারও এটা হচ্ছে। কোনও রকম বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে এটা পরিষ্কার করে গ্রাহককে জানানো উচিত।

বাংলা ট্রিবিউনের চট্টগ্রাম, খুলনা এবং ময়মনসিংহ প্রতিনিধি স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছেন, বিদ্যুৎ নিয়ে সাধারণ মানুষ খুব একটা সন্তুষ্ট নয়। তারাও বলছেন, সরকারের খাতায় লোডশেডিং না থাকলেও মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ থাকছে না, এটাই বাস্তবতা।

চট্টগ্রাম থেকে বাংলা ট্রিবিউনের নিজস্ব প্রতিবেদক নাসিরউদ্দিন রকি জানান, তীব্র গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সেখানকার জনজীবন। একইসঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায়ও। চট্টগ্রামে প্রতিদিন গড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে শিল্প-কারখানায়ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তবে নগরের চেয়েও বিদ্যুতের লোডশেডিং বেশি হচ্ছে গ্রামে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। যদিও চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের খাতাপত্রে কোনও লোডশেডিং নেই। অথচ এ হিসাবের মিল নেই বাস্তবতার সঙ্গে।

নগরের চকবাজার থানার মৌসুমি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা জামালুদ্দিন হাওলাদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‌‘গত কয়েকদিন ধরে বিদ্যুতের লোডশেডিং অসহনীয়ভাবে বেড়েছে। শুক্রবার বন্ধের দিনেও চট্টগ্রামে অতিরিক্ত গরমের পাশাপাশি প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ বার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে। দিনে অন্তত চার-পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। গরমের মধ্যে অসহনীয় লোডশেডিং আমাদের অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এটি দ্রুত নিরসন জরুরি।’

৫ জুনের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে জানা গেছে, চট্টগ্রামে ২৮টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ২ হাজার ১৯২ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট এবং পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ২ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকবর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘আগ্রাবাদ কার্যালয় থেকে চট্টগ্রামসহ তিন পার্বত্য জেলা এবং কক্সবাজারে বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যক্রম চলে। শুক্রবার (৫ জুন) চট্টগ্রামে কোনও লোডশেডিং ছিল না। চট্টগ্রামে অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪৫৯ দশমিক ২০ মেগাওয়াট  এবং পিক-আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৫১৯ দশমিক ২০ মেগাওয়াট। ওইদিন অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুতের কোনও লোডশেডিং ছিল না। তবে পিক-আওয়ারে লোডশেডিং ছিল মাত্র ২ মেগাওয়াটের মতো।’

বিউবো সূত্রে জানা গেছে, বিউবোর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে পিক-আওয়ার সাধারণত বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত, যখন চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে। অন্যদিকে অফ-পিক আওয়ার হলো রাত ১১টা থেকে পরদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত, তখন বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে।

খুলনা থেকে আমাদের প্রতিনিধি হেদায়েৎ হোসেন জানান, খুলনা মহানগরীতে ঈদুল আজহার পর থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ভালো। লোডশেডিং হচ্ছে না বললেই চলে। আবহাওয়াজনিত কারণে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়। তবে, তৃণমূলের কয়রা ও পাইকগাছায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং হচ্ছে।

গড়ইখালীর কানাখালীর বাসিন্দা তরমুজ ও ধান চাষি বিজয় রায় (৬০) জানান, বিদ্যুৎ এর মূল্য বৃদ্ধিতে কৃষকরা মহামারির কবলে পড়বেন। রবি মৌসুমে তরমুজ চাষে সেচ, সার-তেল, বীজসহ শ্রমিকের বেশি মূল্য দিতে হয়েছে, কিন্তু তরমুজের উৎপাদন খরচ ওঠেনি। এখন হঠাৎ বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানোতে কৃষিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে। এর ফলে কৃষকরা কৃষি কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।

কয়রার আবদুল্লাহ আল জুবায়ের বলেন, কয়রায় বারবার লোডশেডিং হচ্ছে। ৬ জুন গাছ কাটার নামে দিনভরই বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল।

কয়রার বিদ্যুৎ বিভাগের টেকনিশিয়ান ফরিদ হোসেন বলেন, আমরা মূলত পুরোনো একটা লাইন চালাচ্ছি ৩৩ কেভির। এখানে ইনসুলেটরগুলো যখন উষ্ণ আবহাওয়া পড়ে তখন দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা বলতে লাইন বন্ধ হয়ে যায়। তখন আমাদের লোক কয়রা থেকে আশাশুনি যায় এগুলো সংরক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে। পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লেগে যায় ওখানকার ফল্ট খুঁজে বের করতে। তিনি আরও জানান, কয়রায় বিদ্যুতের চাহিদা ১১ মেগাওয়াট। সরবরাহ হয় ৫-৬ মেগাওয়াট। ৬  ‍জুন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল। গাছ কাটার জন্য বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল।

ওজোপাডিকোর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, ৫ ও ৬ জুন খুলনায় কোনও লোডশেডিং ছিল না। ৬ জুন খুলনায় চাহিদা ও সরবরাহ ছিল ৫৮৬ মেগাওয়াট। ৫ জুন চাহিদা ও সরবরাহ ছিল ৪৭৯ মেগাওয়াট।

ময়মনসিংহ থেকে আতাউর রহমান জুয়েল জানান, ময়মনসিংহ জেলা সদরের তুলনায় উপজেলার  প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং সবচেয়ে বেশি।  ভুক্তভোগীদের দাবি, দিনে- রাতে গ্রামে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেডের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল হক জানান, শনিবার (৬ জুন) বিকাল তিনটার সময় ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় মোট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৭৩১ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে ৬২৪ মেগাওয়াট। এই হিসাবে বিকাল তিনটার সময় ময়মনসিংহ বিভাগে লোডশেডিং ছিল ১০৭ মেগাওয়াট। গ্রাম অঞ্চলে লোডশেডিং বেশি হওয়ার বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, গ্রাম অঞ্চলে পিডিবির তুলনায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা বেশি থাকায় লোডশেডিং অনেকটাই বেশি। উৎপাদন কম হওয়ায় চাহিদার বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর জিএম গোলাম মোস্তফা জানান, ময়মনসিংহ পাওয়ার গ্রিড থেকে পাওয়া  ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পুরোটাই ময়মনসিংহ সদরের শম্ভুগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এখানে চাহিদার বিদ্যুৎ পাওয়া যাওয়ায় তেমন একটা লোডশেডিং নেই। নেত্রকোনা পাওয়ার গ্রিড থেকে চাহিদার ২২ মেগা ওয়াটের মধ্যে ১৮ মেগাওয়াট পাওয়া গেছে । এখানে চার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লোডশেডিং রয়েছে। তবে শেরপুর পাওয়ার গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ২৮ মেগাওয়াট কিন্তু সরবরাহ করেছে মাত্র ৯ মেগাওয়াট। এক হিসেবে এখানে ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লোডশেডিং রয়েছে। শেরপুর পাওয়ার গেট থেকে পাওয়া বিদ্যুৎ জেলার হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় বিশেষ করে ধোবাউড়া হালুয়াঘাটে লোডশেডিং সবচেয়ে বেশি রয়েছে। উৎপাদন কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে জানান তিনি।

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার বাসিন্দা আবুল হাশেম জানান, ধোবাউড়া উপজেলা সদরে বিদ্যুতের ৭-৮ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকলেও গ্রাম অঞ্চলে কমপক্ষে ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুতের লোডশেডিং থাকে। এই সমস্যা গেল দুই-তিন মাস ধরে চলছে। লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছে। বিশেষ করে তীব্র তাপদাহে বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষ সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আরইবির পরিচালক (সদস্য ও পরিকল্পনা) বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘এটা আসলেই ঘটেছে। আমরা চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পেয়ে লোডশেডিং এর হিসাব দেওয়ার পরও ন্যাশনাল লোড ডেসপাচ সেন্টার (এনএলডিসি) এটাকে কমিয়ে দেখাতে চায়। পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর উত্থাপন করলে তারা বিষয়টি নিয়ে নতুন নির্দেশনা দেন। আগামীতে এই তথ্য নিয়ে আর ঘাটতি থাকবে বলে না আশা করি। তিনি বলেন, ‘‘আরইবির গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে যাবার ঘটনা অহরহ ঘটে। নাটোরে সম্প্রতি একটা গাছ সরাতে আমাদের আট ঘণ্টা সময় লেগেছে৷ এরপর মেরামত করে সব ঠিক করতে আরও সময় লাগে। এই পুরো সময় গ্রাহক বিদ্যুৎ পায়নি। এটা তো প্রকৃত ঘটনা। এটা আড়াল করার প্রয়োজন তো নেই।’’