আরও পড়তে পারেন: প্রতিবেশী শব্দটি হারিয়ে যাচ্ছে
কখনও কখনও চলতি ঘটনা বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশ হতে বিলম্ব হয়। এই বিলম্বে চটজলদি খবর জানতে পারেন না পাঠকরা। যদি খবরটির প্রাথমিক তথ্য প্রকাশ করে ক্রমশ বিস্তারিত খবর জানানো হয়, তাহলে পাঠক চলতি খবরের সঙ্গে থাকতে পারেন। বিষয়টি নিশ্চয়ই বাংলা ট্রিবিউন বিবেচনায় রাখবে। কথা বলতে হয় কলাম নিয়ে। অনলাইন পত্রিকার পাঠক কারা? বেশিরভাগ পাঠকই দৈনন্দিন ব্যস্ততার ফাঁকে, চলতি পথে অনলাইনে উঁকি দেন। এদের একটি বড় অংশ সেলুলার ফোন থেকেই অনলাইনে প্রবেশ করেন। ফলে বড় আকারের কলাম পড়া তাদের পক্ষে পাঠবান্ধব নয়। তাই কলামের শব্দসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫০০-তে রাখা উচিত। পত্রিকার পাতায় যত শব্দসংখ্যা দিয়ে কলাম লেখা হচ্ছে, সে আকারে কলাম লেখা উচিত কি-না তা ভেবে দেখা দরকার। অনেকে বলতে পারেন- পত্রিকায় তো কাগজের সীমাবদ্ধতা আছে, যেটা অনলাইনে নেই। এখানে মনে রাখা দরকার, কাগজে যারা কলাম পড়েন তারা সময় নিয়ে পড়েন। অনলাইনে পাঠকরা সে সময় হাতে নিয়ে পড়তে বসেন না। আজকাল পত্রিকার কলামের আয়তনও কমিয়ে আনার কথা ভাবা হচ্ছে। যুক্তি আসতে পারে- কলাম আবার ছোট হয় কী করে? ছোট পরিসরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা, প্রাসঙ্গিকতা ও অতীতের প্রসঙ্গ টানা অসম্ভব। কিন্তু আমি তো বাংলা ট্রিবিউনে বেশ কয়েকজন লেখককে দেখি, তারা কত স্বচ্ছন্দে স্বল্প পরিসরে পূর্ণ কলাম লিখে যাচ্ছেন। বাংলা ট্রিবিউন বিষয়টি ভেবে দেখবে নিশ্চয়ই।
লেখক: বার্তা প্রধান, সময় টিভি