টেকসই সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার উন্নয়ন

দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নের সাফল্যের গল্পে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই একটি উল্লেখযোগ্য নাম। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, দারিদ্র্য হ্রাস এবং বিভিন্ন সামাজিক সূচকে অগ্রগতি দেশটিকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের পথে এগিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এই সাফল্যের পাশাপাশি কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্নও সামনে আসছে। যেমন, সরকারি সেবা পেতে এখনও কেন দীর্ঘসূত্রতা থাকবে? অনেক উন্নয়ন প্রকল্প কেন নির্ধারিত সময়ে শেষ হয় না? নীতি ও পরিকল্পনা থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়নে কেন কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না?

এসব সমস্যার কারণ সব সময় অর্থের অভাব কিংবা নীতিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার ঘাটতি নয়। অনেক ক্ষেত্রেই মূল সমস্যা রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতায়; অর্থাৎ গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ক্ষমতায়।

বাংলাদেশে উন্নয়ন নিয়ে আলোচনায় সাধারণত জিডিপি প্রবৃদ্ধি, রফতানি, বৈদেশিক বিনিয়োগ ও অবকাঠামোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিঃসন্দেহে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এগুলো উন্নয়নের পুরো চিত্র তুলে ধরে না। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সুযোগ সৃষ্টি করে; আর সেই সুযোগ সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে রাষ্ট্রের সক্ষমতার ওপর।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বলতে শুধু বড় আকারের প্রশাসন, অধিকসংখ্যক মন্ত্রণালয় কিংবা বেশি সরকারি কর্মকর্তা বোঝায় না। বরং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা দক্ষ, পেশাদার, সমন্বিত ও জবাবদিহিমূলকভাবে কাজ করতে পারে, সেটিই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার আসল মাপকাঠি।

বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এই বিষয়টি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। দেশে উচ্চাভিলাষী নীতি ও পরিকল্পনার অভাব নেই। প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতেই দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ও পরিকল্পনা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব পরিকল্পনা সমপর্যায়ের অন্যান্য দেশের তুলনায় যথেষ্ট উন্নত। কিন্তু উন্নয়নশীল বিশ্বের অনেক দেশের মতোই বাংলাদেশে প্রায়শ বড় দুর্বলতা দেখা দেয় বাস্তবায়নের পর্যায়ে।

বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্তে দেখা যায়, প্রশাসনিক জটিলতায় মাঝে মাঝে প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হয়। সেই সঙ্গে মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে প্রয়োজনীয় এবং কার্যকর সমন্বয়ের ঘাটতি এখনো বিদ্যমান। বেসরকারি খাতের ভাষ্য মতে, কিছু কিছু কাজের অনুমোদন, যা কয়েক সপ্তাহে হওয়ার কথা, তার জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে কখনো কখনো মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা ও আর্থিক স্বায়ত্তশাসনের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি কখনো কখনো পরিবীক্ষণ ব্যবস্থায় সমস্যা শনাক্ত হলেও দ্রুত সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। অর্থাৎ সংকটটি পরিকল্পনার অভাবে নয়; বরং নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মধ্যকার ব্যবধানে।

বাংলাদেশ শিগগিরই মধ্যম আয়ের দেশসমূহের কাতারে সামিল হবে। তাত্ত্বিকদের ধারণা, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর এই বাস্তবায়ন-ঘাটতির মূল্য আরও বেশি দিতে হতে পারে বাংলাদেশকে। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাণিজ্যে বিদ্যমান কিছু অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা ধীরে ধীরে কমবে। শুধু স্বল্পমূল্যের শ্রমের ওপর নির্ভর করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখাও কঠিন হবে। তখন বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা অনেক বেশি নির্ভর করবে প্রতিষ্ঠানের মান, নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার দক্ষতা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতার ওপর।

আজকের বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা শুধু শ্রমের মজুরি বিবেচনা করেন না। একটি দেশে ব্যবসার অনুমোদন পেতে কত সময় লাগে, চুক্তি কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, শুল্কব্যবস্থা কতটা দক্ষ, নীতিমালা কতটা পূর্বানুমানযোগ্য এবং সামগ্রিক ব্যবসায়িক পরিবেশ কতটা সহায়ক—এসবও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একজন বিনিয়োগকারী হয়তো কিছুটা বেশি শ্রম ব্যয় মেনে নিতে পারেন; কিন্তু দীর্ঘ প্রশাসনিক বিলম্ব ও অনিশ্চিত নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা সহজে মেনে নেবেন না। ফলে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা এখন আর শুধু সুশাসনের প্রশ্ন নয়; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পদও।

একটি খাতের উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাক। আমরা যদি কর প্রশাসনের দিকে তাকাই, বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়। বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় কম। এর ফলে উন্নয়ন ও জনসেবায় সরকারের বিনিয়োগ সক্ষমতাও সীমিত। কিন্তু শুধু করের হার বাড়িয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। প্রয়োজন আধুনিক ডিজিটাল করব্যবস্থা, সহজ প্রক্রিয়া, উন্নত করদাতা সেবা, দক্ষ রাজস্ব কর্মকর্তা, ঝুঁকিভিত্তিক নিরীক্ষা এবং করের অর্থ দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে—এমন জনআস্থা প্রতিষ্ঠা করা। অর্থাৎ রাজস্বনীতির পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের মানও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

জলবায়ু পরিবর্তন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এই অর্জন প্রমাণ করে যে, সক্ষম প্রতিষ্ঠান থাকলে রাষ্ট্র কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু ভবিষ্যতের জলবায়ু ঝুঁকি আরও জটিল হবে। যেমন জলবায়ুজনিত অভিবাসন কিংবা খাদ্যনিরাপত্তার মতো সমস্যা কোনো একটি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এককভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এখানে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় না থাকলে বিপুল জলবায়ু অর্থায়নও বিচ্ছিন্ন ও সীমিত ফল দিতে বাধ্য।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা দেখা যায়। যেমন, হাসপাতাল নির্মাণ গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু শুধু ভবন নির্মাণ করলেই উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা, যোগ্য চিকিৎসাকর্মী, নির্ভরযোগ্য ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থা, সচল চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া এবং কার্যকর তদারকি। একইভাবে নতুন স্কুল ভবন নির্মাণ শিক্ষার মান নিশ্চিত করে না। শিক্ষার্থীর শেখার ফল নির্ভর করে শিক্ষকের মান, পাঠ্যক্রম, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা, পরিবীক্ষণ ও জবাবদিহির ওপর। অর্থাৎ সরকারি বিনিয়োগ শেষ পর্যন্ত কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা।

রাষ্ট্রীয় সক্ষমতার প্রশ্নটি সম্ভবত সবচেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক জনপ্রশাসনের ক্ষেত্রে। দুই দশক আগেও সরকারকে যেসব বিষয় নিয়ে খুব বেশি ভাবতে হতো না, এখন সেগুলো নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। উদাহরণস্বরূপ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, জলবায়ু অর্থায়ন, জ্বালানি রূপান্তর, জনমিতিক পরিবর্তন এবং ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠা বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা এখন রাষ্ট্রের মূল বিবেচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। আর এসব বিষয় মোকাবিলায় বিশেষায়িত জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন।

নীতি সমন্বয় ও প্রশাসনিক নেতৃত্বে সাধারণ প্রশাসকদের ভূমিকা অবশ্যই অপরিহার্য। তবে আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনায় বিভিন্ন খাতে বিশেষায়িত দক্ষতাসম্পন্ন কর্মকর্তার প্রয়োজনও ক্রমেই বাড়ছে। তাই সরকারি কর্মকর্তাদের পেশাগত উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে সাজাতে হবে। কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্ব, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং নতুন নীতিগত চ্যালেঞ্জের সঙ্গে যুক্ত ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে কর্মকর্তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা নিয়মিত হালনাগাদ করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়নকে ব্যতিক্রম নয়, বরং স্বাভাবিক চর্চায় পরিণত করতে হবে। এখনো অনেক সরকারি সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক রীতি, রাজনৈতিক চাপ কিংবা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। তথ্য বিশ্লেষণ, পরীক্ষামূলক প্রকল্প, প্রভাব মূল্যায়ন এবং সীমিত পরিসরে নীতির কার্যকারিতা যাচাইয়ের ব্যবহার বাড়ানো গেলে সিদ্ধান্তের মান উন্নত হবে এবং ব্যয়বহুল নীতিগত ব্যর্থতার ঝুঁকিও কমবে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও একই শিক্ষা দেয়। সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে ভিয়েতনাম পেশাদার ও দক্ষ আমলাতন্ত্র গড়ে তোলার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা শক্তিশালী করেছে। তাদের সাফল্য শুধু শিল্পনীতি কিংবা রফতানিনির্ভর প্রবৃদ্ধির ফল নয়। জাতীয় লক্ষ্যকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে সক্ষম প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাও সেই সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি।

অবশ্য বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশের মডেল হুবহু অনুসরণ করবে, সেটিও বাস্তবসম্মত নয়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতা স্বতন্ত্র। সুতরাং প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই কার্যকর পদ্ধতি ঠিক করতে হবে। কিন্তু একটি শিক্ষা প্রায় সর্বজনীন—টেকসই উন্নয়নের জন্য সক্ষম প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য।

সেই সঙ্গে বাংলাদেশ যত উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের দিকে এগোবে, নাগরিকদের প্রত্যাশাও তত বাড়বে। তখন উন্নয়নের আলোচনায় শুধু ‘কত’ নয়, ‘কতটা ভালো’—এই প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। শুধু নতুন সড়ক, সেতু, হাসপাতাল বা বিদ্যালয় নির্মাণ করে সেই প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে না।

যদিও অবকাঠামো উন্নয়নের দৃশ্যমান প্রতীক, রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা ততটা দৃশ্যমান নয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। একমাত্র সক্ষম প্রতিষ্ঠানই নিশ্চিত করতে পারে যে, নির্মিত সড়ক যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ হবে, হাসপাতাল কার্যকরভাবে চলবে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান বাড়বে, আইন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে প্রয়োগ হবে এবং সরকারি বিনিয়োগ থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে।

দীর্ঘদিন ধরে আমাদের উন্নয়ন আলোচনার বড় অংশজুড়ে রয়েছে সরকারের কী করা উচিত। এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন সামনে আনা প্রয়োজন—সরকার যা করতে চায়, তা ভালোভাবে করার মতো প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা কি তার রয়েছে?

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতি, প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ আরও কঠিন। সেখানে প্রয়োজন এমন সরকারি প্রতিষ্ঠান, যা হবে পেশাদার, জবাবদিহিমূলক, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম এবং ক্রমবর্ধমান জটিল সমস্যা মোকাবিলায় দক্ষ।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। কিন্তু এখান থেকে বাংলাদেশ কত দূর এগোতে পারবে, তা অনেকটাই নির্ধারিত হবে রাষ্ট্রের সক্ষমতা দিয়ে।

আগামী দশকগুলোতে সফল দেশ শুধু তারাই হবে না, যারা সবচেয়ে বড় প্রকল্প ঘোষণা করবে কিংবা সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করবে। এগিয়ে থাকবে সেই দেশগুলো, যাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিশ্রুতিকে ধারাবাহিকভাবে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে পারবে।

লেখক: জনপ্রশাসন এবং জননীতি বিশ্লেষক