চাঁদপুরে আলুর হিমাগারে ৫ হাজার কেজি মিষ্টি

চাঁদপুর শহরের পুরানবাজারের আলুর হিমাগার থেকে প্রায় ৫ হাজার কেজি মিষ্টি জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে পূবালী হিমাগারে জাটকা মজুদের খবর পেয়ে কোস্টগার্ড অভিযান চালিয়ে মজুদ করা মিষ্টিগুলো জব্দ করে। কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডারের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
আলুর হিমাগারে ৫ হাজার কেজি মিষ্টিএসময় পুরানবাজারের ৩নং কয়লাঘাটের পূবালী হিমাগারের ভেতর তল্লাশি চালালে ১১৩টি প্লাস্টিকের কন্টিনারে প্রায় ৫ হাজার কেজি মিষ্টির সন্ধান মেলে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মিষ্টিগুলো মজুদ করা হয়েছিলো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরে কোস্টগার্ড বিষয়টি চাঁদপুর জেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় কুমার মোহন্ত ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর চাঁদপুর শাখার সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায় ঘটনাস্থলে গিয়ে মিষ্টিগুলো জব্দ করেন।

আলুর হিমাগারে ৫ হাজার কেজি মিষ্টিজব্দকৃত মিষ্টিগুলো শহরের পুরানবাজার ও নতুন বাজার এলাকার দুলাল সুইটস, সুনন্দা সুইটস, কৃষ্ট ক্যাফে, শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, করুণা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, খায়ের মুন্সি, ইত্যাদি সুইটস, পেরাডাইস ও মিষ্টমেলা নামক প্রতিষ্ঠানের। এদের মধ্যে দুলাল সুইটস, সুনন্দা সুইটস, কৃষ্ট ক্যাফে, শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ও করুণা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মালিকেরা উপস্থিত থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার আইনে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাকি ৫ প্রতিষ্ঠানের মালিকরা উপস্থিত না থাকায় পূবালী কোল্ডস্টোরেজের ম্যানেজারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এসময় জব্দ করা ৫ হাজার কেজি মিষ্টি ডাকাতিয়া নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক দেবাশীষ রায় জানান, তৈরি করা মিষ্টি সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ দিন সংরক্ষণ করে রাখা যায়। তবে সেটা হতে হবে সম্পূর্ণ পৃথকস্থানে। যেখানে অন্য কোনও খাদ্য রাখা যাবে না। এদিকে পূবালী হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, মিষ্টিগুলো গত মে মাসের ২৫ তারিখ থেকে মজুদ করা হয়েছিলো।

আরও পড়ুন: বাবুল আক্তারকে নিয়ে খবরে আমি নির্বাক: মনিরুল ইসলাম

/এমও/