রবিবার বিকেলে দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এই দু’টি চার্জশিট গ্রহণ করেন। এর আগে গত ৩০ জুন আদালতে ১৩ জঙ্গির বিরুদ্ধে পৃথক দু’টি চার্জশিট দাখিল করেন দিনাজপুর ডিবি পুলিশের এসআই বজলুর রশিদ।
দিনাজপুর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সাঈদ সরকার জানান, গত ৩০ জুন দিনাজপুর ডিবি পুলিশের এসআই বজলুর রশিদ এসব বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার দু’টি পৃথক চার্জশিট দেন। পরে চার্জশীট গ্রহণ করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন। তিনি আগামী ২৪ জুলাই শুনানির দিন ধার্য্য করেছেন।
চার্জশিটভুক্ত আসামির মধ্যে ৬ জন গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে রয়েছেন। তারা হলেন- জেএমবি সদস্য শরিফুল ইসলাম ওরফে ডেনিস, মোসাব্বিরুল আলম খন্দকার, মানিক মিয়া, জামাল উদ্দিন, সারোয়ার হোসেন সাবু ও আব্দুর রহমান পিন্টু। বাকি ৫ আসামি আব্দুল খালেক ওরফে খালিদ, রাজিব ওরফে সুজন, জাকির হোসেন, রাজিবুল ইসলাম বাধন ওরফে বাদল ও বাবর ওরফে সম্রাট বাবর পলাতক রয়েছেন।
গত বছরের ৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দিরের রাস মেলায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। পরে কান্তজিউ মন্দির মেলা কমিটির ইজারাদার হারেজ আলী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
এছাড়া একই বছর১০ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে একই উপজেলার ডাবোর ইউনিয়নের জয়নন্দবাজারের পার্শ্ববর্তী ডহচি জগন্নাথ মন্দির ও ইসকন মন্দিরে ধর্মসভা চলাকালীন ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটে। এতে দু’জন আহত হন। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে ২ জেএমবি সদস্যকে আটক করে পুলিশকে দেয়। এই ঘটনায় কাহারোল ও বীরগঞ্জ থানায় পৃথক দু’টি মামলা করা হয়।
/এসএনএইচ/