শাহাজ উদ্দিন রায়পুরা উপজেলার মহেষপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। কমর উদ্দিন মনোহরদী উপজেলার একদুয়ারিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল গণি মিয়ার ছেলে।
সরেজমিন গিয়ে নিখোঁজদের পরিবার ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শাহাজ উদ্দিন পাশ্ববর্তী ভৈরব উপজেলার তাঁতারকান্দা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতেন। ভবনের দায়িত্ব পালনের সময় একরাতে নিখোঁজ হওয়ার পরদিন দুপুরে স্থানীয় সড়কের পাশে অজ্ঞান অবস্থায় তার সন্ধান পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তার নামে থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছিল। বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
অপরদিকে মনোহরদী উপজেলার কৃষক আব্দুল গণি মিয়ার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে কাজ নিয়ে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। আড়াইমাস আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি। সেসময় পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাজে ঢাকায় যাওয়ার পর সেখান থেকে বাড়িতে না ফিরে বেড়াতে যান খুলনার এক বন্ধুর বাড়িতে। তার বাড়ি না ফেরার ঘটনায় ও মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে বড় ভাই কামাল হোসেন রাজধানীর তেজগাঁও থানায় জিডি করেছিলেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে র্যাবের অনলাইন মিডিয়া সেলের ফেসবুক পাতায় ২৬২ জনের নিখোঁজ তালিকা প্রকাশ করা হয়। এসব নিখোঁজদের তথ্য পেলে র্যাবের নিকটস্থ ক্যাম্পে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়।
মহেষপুর গ্রামের বাসিন্দা মজিবর রহমান বলেন, শাহাজ উদ্দিন অত্যন্ত ভালো ছেলে হিসেবে পরিচিত। সব সময় বাড়িতেই তার অবস্থান। ভিন্ন কারণে জিডির সূত্র ধরে হয়তো তাকে নিখোঁজ দেখানো হয়ে থাকতে পারে।
একদুয়ারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদির মৃধা বলেন, কমর উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। ছুটিতে দেশেও আসেন। তার দুই ভাই ব্যাংকে চাকরি করেন ও এক ভাই লেখাপড়া করছে। মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ায় একবার তার পরিবার জিডি করেছিল।
আরও পড়ুন-
টঙ্গীতে জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে র্যাবের অভিযান, জেএমবি'র দক্ষিণাঞ্চল প্রধানসহ ৪ জঙ্গি আটক
জঙ্গি হামলার ঝুঁকিমুক্ত নয় মসজিদ-মাদ্রাসা-দরগা
নিখোঁজ তরুণদের নিয়ে চুপ থাকার পরামর্শ জঙ্গি পাতায়!
/এফএস/