অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের বরাদ্ধকৃত উপবৃত্তির টাকা সম্পূর্ণ না দিয়ে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খরচ বাবদ কেটে রাখা হচ্ছে।
জানা যায়, ১২ মাসে ৪ কিস্তির উপবৃত্তির টাকা দেওয়ার সময় ২শ’ থেকে ৪শ’ টাকা পর্যন্ত কেটে রাখা হয়েছে। তাছাড়া টয়লেট পরিস্কার ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে মাসিক ৫০ টাকা করে নিচ্ছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
বিক্ষুব্ধ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের স্বান্তনা দিতে গিয়ে উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আমিনুর রহমান বলেন, উপবৃত্তির টাকা থেকে ১ পয়সাও কাটার নিয়ম নেই। যদি কেউ কাটে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফুন নাহার জানান, শিক্ষা অফিসের নিয়ম অনুযায়ী তারা টাকা দিয়েছেন। তবে একটু ভুল হতে পারে। এই ঘটনা নিয়ে এলাকার একটি মহল তাকে সরানোর চেষ্টা করছেন।
যদিও দুপরে অভিভাবকদের কাছে তিনি বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গিকার করেন।
বিক্ষোভে অংশ নেন- স্কুল কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহাবুব রহমান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আসাদ মাস্টার, নাছির উদ্দিন মাদবর প্রমুখ।
/এসএনএইচ/