গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি

গাইবান্ধায় বন্য পরিস্থিতির আরও অবনতিব্রহ্মপুত্র নদের পানি বাড়ায় গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।  শুক্রবার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৯০ সেন্টিমিটার ও ঘাঘটের পানি ৮৯ সেন্টিমিটার বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আর বন্যা কবলিত এলাকায় চুরি ও ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে। বাঁধের ওপর আশ্রয় নেওয়া মানুষ খোলা আকাশের নিচে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। আর জেলার হাট-বাজারগুলোও পানিতে ভ্সাছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকাশ কুমার সরকার জানান, শুক্রবার বিকেল থেকে গাইবান্ধার নদনদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। বিকাল তিনটার পর থেকে পানি আর বাড়েনি। তিনি আরও জানান, স্থানীয় লোকজন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যৌথভাবে বালির বস্তা ফেলে বাঁধ সংস্কারের কাজ করছে।

গাইবান্ধায় বন্য পরিস্থিতির আরও অবনতিজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, পানি বাড়তে থাকায় বন্যা কবলিত সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়নের ২২৩টি গ্রামের দুই লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৩ জন মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। পানিতে ডুবে গেছে ১৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

তিনি আরও বলেন, বন্যা কবলিত মানুষদের সাহায্য দেওয়ার জন্য ৪৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং ১২০টি ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। বন্যার্তদের মাঝে চাল, ডালসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

গাইবান্ধায় বন্য পরিস্থিতির আরও অবনতিজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আ ক ম রুহুল আমিন জানান, বন্যায় ১৮ হাজার ৭১২ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শামসুল আজম বলেন, বন্যার্তদের মাঝে প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায়  অতিরিক্ত ত্রাণের চাহিদা জানিয়ে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে বার্তা পাঠানো হয়েছে।

/এসএনএইচ/
আরও পড়ুন: 

অপারেশন স্টর্ম-২৬: কল্যাণপুরে পুলিশের অভিযানে ৯ জঙ্গি নিহত

‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিয়ে পুলিশকে বোমা মারে জঙ্গিরা