নিহত আব্বাস আলী স্থানীয় ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার। তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও একই গ্রামের মৃত বলাই উদ্দিন শেখের ছেলে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু ওবায়েদ ও স্থানীয়রা জানান,দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আব্বাস আলী ও মিজান গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার রাত ৮টার দিকে আব্বাস আলী তার সহযোগী জমির উদ্দিন বিশ্বাসের সঙ্গে বাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে গল্প করছিলেন। এ সময় ধারালো অস্ত্র নিয়ে মিজান গ্রুপের লোকজন তাদের ওপর হামলা করে। জীবন বাঁচাতে পালাতে গেলে আক্রমণকারীরা আব্বাসের হাতে ও পায়ে গুলি করে। এ সময় তারা উজির বিশ্বাসকেও রক্তাক্ত জখম করে। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে আসতে থাকলে আক্রমণকারীরা পালিয়ে যায়।
পরে আহত অবস্থায় আব্বাস আলী ও জমির উদ্দিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে আব্বাসকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ১১ টার দিকে তিনি মারা যান।
/এমপি/