এর আগে আখ চাষীরা মিছিল নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে উপজেলার থানা মোড় চারমাথায় সমবেত হয়ে বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন।
এসময় বক্তব্য রাখেন মহিমাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রধান আতাউর রহমান বাবলু, মহিলা কলেজ সহকারী অধ্যাপক আবু তাহের, আখ চাষী কল্যাণ সমিতির সভাপতি জিন্নাত আলী প্রধান প্রমুখ।
বক্তারা, জোরপূর্বক দখল করা সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের ১০০ একর জমি উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীসহ গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের জোরদার পদক্ষেপ আশা করেন।
প্রসঙ্গত. ১৯৫৫ সালে চিনিকল কর্তৃপক্ষ আখ চাষের জন্য গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মাদারপুর, রামপুরা, সাপমারা, ফকিরগঞ্জ ও সাহেবগঞ্জ এলাকায় ১ হাজার ৮৪০ একর জমি অধিগ্রহণ করে। গত ১ জুলাই প্রায় ১০০ একর জমি দখল করার উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কয়েকজন লোক একচালা ঘর নির্মাণ করেন।
সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার জমি উদ্ধার কমিটির সহ-সভাপতি সিলিমিন বাক্সে বলেন, চিনিকল কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহণের সময় জমির মালিকদের সঙ্গে চুক্তি করে। সেখানে ওই সব জমিতে আখ ছাড়া অন্য ফসলের চাষ হলে প্রকৃত মালিকদের জমি ফেরত দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু কিছুদিন ধরে ওই সব জমিতে ধান ও তামাক চাষ হচ্ছে। অথচ জমি ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। এনিয়ে আন্দোলন করেও কাজ হয়নি। তাই তারা দখল করেছে।
চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আউয়াল বলেন, অভিযোগটি ভিত্তিহীন। অধিগ্রহণের সময় চুক্তিনামায় বলা হয়, কখনও চিনিকল বা খামার বন্ধ হলে সে ক্ষেত্রে ওই সব জমি সরকারের কাছে চলে যাবে।
আরও পড়তে পারেন: কুমিল্লায় অস্ত্র কারখানার সন্ধান, র্যাবের অভিযানে আটক ৩
/এমএসএম/