এলাকাবাসী জানান, জমি, সহায়-সম্বল, ঘরবাড়ি হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা। কেউ পাগল প্রায় আবার কেউ কেউ ভিটে বাড়ি হারিয়ে ভিক্ষা করছেন।
দক্ষিণ নারায়ণখোলা মসজিদ কমিটি ও ৪১ নম্বর দক্ষিণ নারায়খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মাস্টার বলেন, এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে মসজিদ ও স্কুলটি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। বিষয়টি রেজুলেশন আকারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে জানানো হয়েছে। এমনকি পাশের জেলা জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদেরকেও বিষয়টি ফোনে জানানো হয়েছে। তারপরও কোনও সুফল পাওয়া যাচ্ছেনা।
স্থানীয়রা জানান, এলাকার বিপরীত পাশে একটি মোহনা আছে সেটি কেটে দিলে পানির স্রোত মূল নদ দিয়ে প্রবাহিত হবে ও ভাঙনের তীব্রতা কমবে।
/এসএনএইচ/