আরও জানা যায়, সান্তাহার পোস্ট অফিস পাড়ার কাজী শফিকুর রহমান বুলবুলের একমাত্র ছেলে কাজী ওয়ালিদুর রহমান (১৩) স্থানীয় বিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। গত ৩১ জুলাই রবিবার সকালে সে বাজার যাওয়ার নামে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে রাতে আদমদীঘি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা।
এদিকে প্রতারক চক্রের এক সদস্য গত বুধবার মোবাইল ফোনে আদমদীঘি থানায় যোগাযোগ করে নিজেকে কুষ্টিয়া থানার এসআই পরিচয় দেয়। সে জানায় স্কুল ছাত্র ওয়ালিদকে আহত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তার কিডনি খুলে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসার জন্য জেলা সদরে নিতে সাত হাজার টাকা বিকাশ করতে বলে ওই ব্যক্তি। আদমদীঘি থানার পুলিশ কর্মকর্তা প্রতারকের কথায় বিশ্বাস করেন। তিনি বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি সভাপতি আবদুল মহিত তালুকদারকে অবহিত করেন। চেয়ারম্যান তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার কাজী শফিকুর রহমান বুলবুলের ছেলের চিকিৎসার জন্য ০১৯৮৫-৫৯৩৬৭৩ নম্বরে প্রথমে সাত ও পরে তিন হাজার টাকা বিকাশ করেন। পাশাপাশি ওয়ালিদের বাবাও একই নাম্বারে ১০ হাজার টাকা বিকাশ করেন।
পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পুলিশের এসআই পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি (০১৭৬৩-৪৮২৩৫০) প্রতারক চক্রের সদস্য। নম্বরটি কখনও খোলা আবার কখনও বন্ধ থাকছে।
আদমদীঘি থানার ওসি শওকত কবির জানান, ওই ফোনের অবস্থান প্রথমে জামালপুর ও পরে ঢাকার আশুলিয়ায় পাওয়া যায়। ওই প্রতারককে ধরার চেষ্টা চলছে। আদমদীঘি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মহিত তালুকদার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
/এসএনএইচ/
আরও পড়ুন-
যে কারণে অলস পড়ে আছে ৬শ’ কোটি টাকা
সাবেক জঙ্গি বললো, বাংলাদেশে এজেন্ট পাঠিয়েছে আইএস