শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে পুলিশ নিজ বাড়ি থেকে নুপুরের লাশ উদ্ধার করে। তার বাবার নাম বিমল সরকার। বাড়ি সদর উপজেলার খেজুরিয়া মিশন পাড়া গ্রামে। ডিঙ্গেদহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে।ঘটনার পর থেকে ভাই সাইমুন পলাতক রয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় নুপুরকে তার বড় ভাই সাইমুন শাসন করতে গিয়ে মারপিট করে। এতে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় ক্লিনিকে নেওয়া হয়। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে রাতেই সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোজাম্মেল হক লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। শনিবার দুপুরে লাশের ময়নাতদন্ত হয় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে।
তবে নিহতের বাবা বিমল সরকার দাবি করেন নুপুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে স্থানীয় ক্লিনিকে নেওয়া হলে সে মারা যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোজাম্মেল হক জানান, কি কারণে নুপুর মারা গেছে তা জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
আরও পড়তে পারেন: মধ্যবর্তী নির্বাচন দাবি করলেন কর্নেল অলি
/এমএসএম/